নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারের তমব্রু রাইট ক্যাম্প এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ঘুমধুমের তমব্রু সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সতর্ক পাহারায় রয়েছে।
গতকাল রোববার মধ্যরাতে ঘুমধুম-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
এদিকে আজ সোমবার সকালে মিয়ানমার সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মির এক সদস্য পালিয়ে সীমান্তে এসে বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন।
এর আগে রোববার মধ্যরাতে ঘুমধুম-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকার ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় শতাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলমান থাকলেও মাঝে কিছুদিন সীমান্ত-লাগোয়া এলাকায় গোলাগুলি বন্ধ ছিল। হঠাৎ গতকাল রাত ১১টার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা যায় এপারের তমব্রু বাজারসহ একাধিক এলাকায়। এ সময় কয়েক শ গুলির শব্দ শোনা যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত থেকে ২০০-৩০০ মিটারের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। মিয়ানমার সরকারবিরোধী আরাকান আর্মি ও আরসা বাহিনীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
তাঁরা আরও জানান, কয়েক মাস আগে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে সীমান্ত এলাকাটি দখলে নেয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। ফলে সংঘর্ষ রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা বা আরএসওর সঙ্গেও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য নুর মোহাম্মদ ভুট্টো আজকের পত্রিকাকে বলেন, দীর্ঘদিন পর সীমান্তে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাওয়ায় স্থানীয়রা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে এ ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজাহারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ঘটনার পর বিজিবির পক্ষ থেকে টহল ও সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক এস এম খায়রুল আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনা ঘটলেও এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, ওপারে। তবু সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে বিজিবি সতর্কাবস্থায় রয়েছে। টহল চলমান আছে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারের তমব্রু রাইট ক্যাম্প এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ঘুমধুমের তমব্রু সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সতর্ক পাহারায় রয়েছে।
গতকাল রোববার মধ্যরাতে ঘুমধুম-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
এদিকে আজ সোমবার সকালে মিয়ানমার সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপ আরাকান আর্মির এক সদস্য পালিয়ে সীমান্তে এসে বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন।
এর আগে রোববার মধ্যরাতে ঘুমধুম-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকার ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় শতাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষ চলমান থাকলেও মাঝে কিছুদিন সীমান্ত-লাগোয়া এলাকায় গোলাগুলি বন্ধ ছিল। হঠাৎ গতকাল রাত ১১টার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা যায় এপারের তমব্রু বাজারসহ একাধিক এলাকায়। এ সময় কয়েক শ গুলির শব্দ শোনা যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত থেকে ২০০-৩০০ মিটারের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। মিয়ানমার সরকারবিরোধী আরাকান আর্মি ও আরসা বাহিনীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
তাঁরা আরও জানান, কয়েক মাস আগে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীকে হটিয়ে সীমান্ত এলাকাটি দখলে নেয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। ফলে সংঘর্ষ রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা বা আরএসওর সঙ্গেও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য নুর মোহাম্মদ ভুট্টো আজকের পত্রিকাকে বলেন, দীর্ঘদিন পর সীমান্তে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় প্রচণ্ড গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাওয়ায় স্থানীয়রা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে এ ঘটনায় কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ মাজাহারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ঘটনার পর বিজিবির পক্ষ থেকে টহল ও সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক এস এম খায়রুল আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনা ঘটলেও এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, ওপারে। তবু সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে বিজিবি সতর্কাবস্থায় রয়েছে। টহল চলমান আছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে