
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই ম্রো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ১১ এপ্রিলের হলেও আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়। এদিকে হামের উপসর্গ নিয়ে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে ছয় শিশু।
মৃত শিশুরা হলো উপজেলার ৪ নম্বর কুরুক পাতা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড রিংলতপাড়ার বাসিন্দা লেং ক্লাং ম্রোর মেয়ে জং রুং ম্রো (৩ মাস) ও একই পাড়ার লুকুন ম্রোর ছেলে খতং ম্রো (৭ মাস)। আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আবাসিক অফিসার ডাক্তার মো. হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে পাড়ার কয়েকজন শিশুর গায়ে ছোট ছোট অসংখ্য ফোসকা দেখা যায়। পরে এই ফোসকা আরও কয়েকজন শিশুর গায়ে দেখা দিতে থাকে। ১১ এপ্রিল (শনিবার) পাড়ার লেং ক্লাং ম্রোর মেয়ে ও লুকুন ম্রোর ছেলের মৃত্যু হয়। রোগের সংক্রমণ বাড়তে থাকলে আজ বৃহস্পতিবার সকালে পাড়ার আরও ছয় শিশুকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করানো হয়।
কুরুক পাতা ইউনিয়নের বাসিন্দা সাক নাও ম্রো বলেন, ‘হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই ম্রো শিশু মারা গেছে। আরও অনেক শিশু কুরুক পাতার বিভিন্ন পাড়ায় চিকিৎসার অভাবে মুমূর্ষু পড়ে আছে।' তিনি আরও বলেন, মোবাইলের নেট না থাকা ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় তাদের সঙ্গে ঠিকভাবে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
কুরুক পাতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, মারা যাওয়া দুই শিশুর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় কোন রোগে তারা মারা গেছে, তা বলতে পারছেন না তিনি।
এদিকে এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে আলীকদম উপজেলার ইউএনও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি মেডিকেল টিম পাঠিয়েছেন কুরুক পাতা ইউনিয়নে।
আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. হাসান বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছয়জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন আছে। তারা সবাই কুরুক পাতা ইউনিয়নের। তিনি আরও বলেন, ``আজ সকালে চারজন স্বাস্থ্যকর্মীর একটি দল সেখানে পাঠানো হয়েছে, ভর্তি হওয়া শিশুদের উপসর্গ দেখে শতভাগ হাম রোগে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব রোগীর নমুনা ঢাকা পাঠানো হয়েছে।'

বজ্রপাতে সুনামগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সুনামগঞ্জে পাঁচজন এবং ময়মনসিংহে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার দুপুরের দিকে এসব ঘটনা ঘটে। এতে আরও অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
২৪ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন।
২৮ মিনিট আগে
কুষ্টিয়া সদরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় কমপক্ষে ৩০টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
রাজশাহী শহরের একটি রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য ৩০টি কাঠবাদামের গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। নগরের রাজীব চত্বর থেকে কলাবাগান হয়ে ঘোষপাড়া মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির একপাশে ডালপালা মেলে গাছগুলো দাঁড়িয়ে ছিল ছায়া আর প্রশান্তি নিয়ে। গত বৃহস্পতিবার থেকে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) পর্যন্ত গাছগুলো কাটা হয়।
৩৪ মিনিট আগে