বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানে একমাত্র সন্তানের পিতৃত্বের স্বীকৃতি পেতে কন্যাসন্তান নিয়ে আদালতসহ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এক নাবালিকা মা। তবু মিলছে না ন্যায়বিচার এবং বাবার কাছে প্রাপ্য সন্তানের হক।
স্থানীয়রা জানায়, বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউপির কাইচতলী এলাকার বাসিন্দা মো. ইউছুফের মেয়ে মিতু আক্তার। ২০২১ সালের ৩০ মে মিতু আক্তার ছিল ১৩ বছরের কিশোরী। ওই সময় একই এলাকার বাসিন্দা মো. বদিউল আলমের ছেলে মো. রফিকুল আলম ইমনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সে। একপর্যায়ে তা শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়। মিতু আক্তারের শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তখন মিতু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তাঁদের বিয়ে করানো হবে মর্মে সালিসে ফয়সালা হয়।
পরবর্তীকালে উভয়ের পরিবারের সম্মতিতে মিতু ইমনদের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন এবং সেখানে তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। শিশুটির বর্তমান বয়স আড়াই বছর। মিতু আক্তারের কাছে বিয়ের কাবিননামা না থাকায় স্বামী মো. রফিকুল আলম কন্যাশিশু ও মিতু আক্তারকে অস্বীকার করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন।
এরপর মেয়ে মিতু আক্তারের স্বামী ও কন্যাশিশুটির পিতৃত্বের পরিচয় আদায়ের লক্ষ্যে মিতুর মা দিলারা বেগম বাদী হয়ে চলতি মাসের ৪ তারিখ বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রফিকুল আলম ইমনসহ তাঁর পরিবারের চারজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
আগের সালিস বৈঠকের বিচারক ও সদর উপজেলার কাইচতলী এলাকার সামাজিক সর্দার মনছুফ আলী জানান, ২০২১ সালে মিতু আক্তার ও ইমনের শারীরিক সম্পর্কের কারণে মিতু গর্ভবতী হওয়ায় প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর উভয়ের বিয়ে করানো হবে মর্মে বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান করা হয়েছিল। এরই মধ্যে উভয়ের পরিবারের সম্মতিতে মিতু আক্তার স্ত্রী হিসেবে ইমনের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। পরবর্তী সময় ইমন ও তাঁর পরিবার সব সম্পর্ক অস্বীকার করে।
এ বিষয়ে বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের আইনজীবী শাহনেওয়াজ চৌধুরী বলেন, মামলা দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তের ডিএনএ সংগ্রহের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বান্দরবানে একমাত্র সন্তানের পিতৃত্বের স্বীকৃতি পেতে কন্যাসন্তান নিয়ে আদালতসহ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এক নাবালিকা মা। তবু মিলছে না ন্যায়বিচার এবং বাবার কাছে প্রাপ্য সন্তানের হক।
স্থানীয়রা জানায়, বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউপির কাইচতলী এলাকার বাসিন্দা মো. ইউছুফের মেয়ে মিতু আক্তার। ২০২১ সালের ৩০ মে মিতু আক্তার ছিল ১৩ বছরের কিশোরী। ওই সময় একই এলাকার বাসিন্দা মো. বদিউল আলমের ছেলে মো. রফিকুল আলম ইমনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সে। একপর্যায়ে তা শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়। মিতু আক্তারের শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তখন মিতু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তাঁদের বিয়ে করানো হবে মর্মে সালিসে ফয়সালা হয়।
পরবর্তীকালে উভয়ের পরিবারের সম্মতিতে মিতু ইমনদের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন এবং সেখানে তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। শিশুটির বর্তমান বয়স আড়াই বছর। মিতু আক্তারের কাছে বিয়ের কাবিননামা না থাকায় স্বামী মো. রফিকুল আলম কন্যাশিশু ও মিতু আক্তারকে অস্বীকার করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন।
এরপর মেয়ে মিতু আক্তারের স্বামী ও কন্যাশিশুটির পিতৃত্বের পরিচয় আদায়ের লক্ষ্যে মিতুর মা দিলারা বেগম বাদী হয়ে চলতি মাসের ৪ তারিখ বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রফিকুল আলম ইমনসহ তাঁর পরিবারের চারজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
আগের সালিস বৈঠকের বিচারক ও সদর উপজেলার কাইচতলী এলাকার সামাজিক সর্দার মনছুফ আলী জানান, ২০২১ সালে মিতু আক্তার ও ইমনের শারীরিক সম্পর্কের কারণে মিতু গর্ভবতী হওয়ায় প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর উভয়ের বিয়ে করানো হবে মর্মে বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান করা হয়েছিল। এরই মধ্যে উভয়ের পরিবারের সম্মতিতে মিতু আক্তার স্ত্রী হিসেবে ইমনের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। পরবর্তী সময় ইমন ও তাঁর পরিবার সব সম্পর্ক অস্বীকার করে।
এ বিষয়ে বান্দরবান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের আইনজীবী শাহনেওয়াজ চৌধুরী বলেন, মামলা দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তের ডিএনএ সংগ্রহের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে