থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের দিকে একবার তাকালে আর দ্বিতীয়বার ফিরে তাকাতেন না পথচারীরা। কারণ আস্তর খসে পড়া প্রাচীরে ছিল বিভিন্ন দলের জাতীয় ও স্থানীয় নেতাদের পোস্টার। তবে এখন এর চেহারা বদলে গেছে। পথচারীরা দাঁড়িয়ে তুলছেন ছবিও। কারণ দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ভরে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সব গ্রাফিতিতে। শিক্ষার্থীদের আঁকা এসব দেয়ালচিত্রে মুগ্ধ সবাই।
আজ ১৪ আগস্ট বুধবার সকাল থেকে থানচির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়ালে আঁকা শুরু হয়েছে এ সব ছবি। স্থান পেয়েছে কোটা আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও তুলে ধরা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন চিত্র। দেয়ালচিত্রে স্থান পেয়েছেন কল্পনা চাকমাও। কোথাও আবার ফুটে উঠেছে মাচাং ঘরসহ পাহাড়ে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির নানা নিদর্শন। দেয়ালজুড়ে এসব চিত্রকর্মে নতুন কিছুর আহ্বান। তরুণদের নতুন করে দেশ গড়ার স্বপ্ন।
সরেজমিনে দেখা যায়, থানচি উপজেলায় প্রবেশের প্রধান ফটকের বিশাল সীমানা দেয়ালে এক মনে ছবি আঁকা চলছে শিক্ষার্থীদের। আঁকার ধরন দেখে বোঝা যায় আঁকা-আঁকিতে প্রশিক্ষিত নন তারা। তবে কাঁচা হাতের অঙ্কনেই ফুটে উঠেছে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়। চলার পথে গাড়ি থেকে মোবাইল বের করে ভিডিও করছেন অনেকে, কেউ তুলছেন ছবি।
বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয়। তারা বলল, আন্দোলনটি সফল হওয়ার পর আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। আমরা রাস্তা পরিষ্কার, ট্রাফিকের কাজ ও দেয়াল লেখনীতেই থামব না। আমরা চাই আগামী প্রজন্মের একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ। তাই দেশ সংস্কারেও আমরা প্রত্যয়ই।
পথচারী স্বপন তালুকদার বলেন, দেয়ালে আঁকা প্রত্যেকটা ছবি আমার কাছে ভালো লেগেছে। বাড়িতে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া আমার একটা ছেলে আছে, তাকে এগুলো দেখাব বলে সবগুলোর ছবি তুলেছি।

থানচি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের দিকে একবার তাকালে আর দ্বিতীয়বার ফিরে তাকাতেন না পথচারীরা। কারণ আস্তর খসে পড়া প্রাচীরে ছিল বিভিন্ন দলের জাতীয় ও স্থানীয় নেতাদের পোস্টার। তবে এখন এর চেহারা বদলে গেছে। পথচারীরা দাঁড়িয়ে তুলছেন ছবিও। কারণ দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ভরে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সব গ্রাফিতিতে। শিক্ষার্থীদের আঁকা এসব দেয়ালচিত্রে মুগ্ধ সবাই।
আজ ১৪ আগস্ট বুধবার সকাল থেকে থানচির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়ালে আঁকা শুরু হয়েছে এ সব ছবি। স্থান পেয়েছে কোটা আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও তুলে ধরা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন চিত্র। দেয়ালচিত্রে স্থান পেয়েছেন কল্পনা চাকমাও। কোথাও আবার ফুটে উঠেছে মাচাং ঘরসহ পাহাড়ে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির নানা নিদর্শন। দেয়ালজুড়ে এসব চিত্রকর্মে নতুন কিছুর আহ্বান। তরুণদের নতুন করে দেশ গড়ার স্বপ্ন।
সরেজমিনে দেখা যায়, থানচি উপজেলায় প্রবেশের প্রধান ফটকের বিশাল সীমানা দেয়ালে এক মনে ছবি আঁকা চলছে শিক্ষার্থীদের। আঁকার ধরন দেখে বোঝা যায় আঁকা-আঁকিতে প্রশিক্ষিত নন তারা। তবে কাঁচা হাতের অঙ্কনেই ফুটে উঠেছে নতুন এক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়। চলার পথে গাড়ি থেকে মোবাইল বের করে ভিডিও করছেন অনেকে, কেউ তুলছেন ছবি।
বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা হয়। তারা বলল, আন্দোলনটি সফল হওয়ার পর আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। আমরা রাস্তা পরিষ্কার, ট্রাফিকের কাজ ও দেয়াল লেখনীতেই থামব না। আমরা চাই আগামী প্রজন্মের একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ। তাই দেশ সংস্কারেও আমরা প্রত্যয়ই।
পথচারী স্বপন তালুকদার বলেন, দেয়ালে আঁকা প্রত্যেকটা ছবি আমার কাছে ভালো লেগেছে। বাড়িতে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া আমার একটা ছেলে আছে, তাকে এগুলো দেখাব বলে সবগুলোর ছবি তুলেছি।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৪২ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে