বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগদা চিংড়ির ঘেরে কাঁটা শেওলা থাকলে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং উৎপাদন দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. অনুরাধা ভদ্র।
আজ শনিবার দুপুরে ‘বাগদা চিংড়ি রোগ প্রতিরোধ ও ঘেরের পরিবেশ সুরক্ষায় কাঁটা শেওলার ভূমিকা’-শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. অনুরাধা ভদ্র বলেন, ‘বাগদা চিংড়ির ঘেরের ৩০-৩৮ শতাংশ এলাকায় কাঁটা শেওলা থাকলে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। চিংড়ি মাছের উৎপাদন হবে দ্বিগুণ। খাবার লাগবে অর্ধেক। চাষিদের লাভও হবে তুলনামূলক অনেক বেশি।’
এ জন্য বাগদা চিংড়ির ঘেরে কাঁটা শেওলা রোপণ করতে আহ্বান জানান তিনি।
অনুরাধা ভদ্র বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষে হেক্টর প্রতি মাত্র ৩০০-৩৫০ কেজি চিংড়ি উৎপাদন হয়। খাবার দিতে হয় চিংড়ির শরীরের ওজনের ৫ শতাংশ। ৩০-৩৮ ভাগ এলাকায় কাঁটা শেওলা থাকলে, খাবার দেওয়া লাগবে শরীরের ওজনের আড়াই ভাগ। এতে হেক্টর প্রতি উৎপাদন হবে ৭০০-৮০০ কেজি। সব চাষিকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে জানানোর অনুরোধ করেন এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন—মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. জাহাংগীর আলম, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ও মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান, ময়মনসিংহ স্বাদুপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হারুনুর রশিদ, বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এসএম তানভিরুল হক, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী, জেলা মৎস্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক রাজ কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।
কর্মশালায় দেশের উপকূলের চিংড়ি চাষ এলাকাসহ মৎস্য বিভাগের বিভিন্ন কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক, চিংড়ি চাষিরা ও গণমাধ্যম কর্মীরা অংশ নেন।

বাগদা চিংড়ির ঘেরে কাঁটা শেওলা থাকলে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং উৎপাদন দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. অনুরাধা ভদ্র।
আজ শনিবার দুপুরে ‘বাগদা চিংড়ি রোগ প্রতিরোধ ও ঘেরের পরিবেশ সুরক্ষায় কাঁটা শেওলার ভূমিকা’-শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. অনুরাধা ভদ্র বলেন, ‘বাগদা চিংড়ির ঘেরের ৩০-৩৮ শতাংশ এলাকায় কাঁটা শেওলা থাকলে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। চিংড়ি মাছের উৎপাদন হবে দ্বিগুণ। খাবার লাগবে অর্ধেক। চাষিদের লাভও হবে তুলনামূলক অনেক বেশি।’
এ জন্য বাগদা চিংড়ির ঘেরে কাঁটা শেওলা রোপণ করতে আহ্বান জানান তিনি।
অনুরাধা ভদ্র বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষে হেক্টর প্রতি মাত্র ৩০০-৩৫০ কেজি চিংড়ি উৎপাদন হয়। খাবার দিতে হয় চিংড়ির শরীরের ওজনের ৫ শতাংশ। ৩০-৩৮ ভাগ এলাকায় কাঁটা শেওলা থাকলে, খাবার দেওয়া লাগবে শরীরের ওজনের আড়াই ভাগ। এতে হেক্টর প্রতি উৎপাদন হবে ৭০০-৮০০ কেজি। সব চাষিকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে জানানোর অনুরোধ করেন এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন—মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. জাহাংগীর আলম, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ও মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান, ময়মনসিংহ স্বাদুপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হারুনুর রশিদ, বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এসএম তানভিরুল হক, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী, জেলা মৎস্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক রাজ কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।
কর্মশালায় দেশের উপকূলের চিংড়ি চাষ এলাকাসহ মৎস্য বিভাগের বিভিন্ন কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক, চিংড়ি চাষিরা ও গণমাধ্যম কর্মীরা অংশ নেন।

গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফ সরকারকে গ্রেপ্তার করেছেন জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌর শহরের কলেজপাড়া এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২১ মিনিট আগে
ঢাকা শহরের পানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘স্মার্ট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট’ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্মার্ট মিটার সিস্টেম পাইলট প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনের বুড়িগঙ্গা মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পের উদ্বোধন
১ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বস্তায় ভরে পানিতে ফেলে আটটি কুকুরছানা হত্যার দেড় মাসের মধ্যে এবার পাবনা শহরে তিনটি কুকুরকে বিষপ্রয়োগে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পাবনা পৌর শহরের কাচারীপাড়ার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী কুকুরমালিকের।
১ ঘণ্টা আগে
গভীর রাতে মোটরসাইকেল চালিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাইড শেয়ারিং সেবার চালক ওজিয়ার রহমান (৩৬)। হঠাৎ তাঁর গতি রোধ করে সামনে দাঁড়ান শহীদুল ইসলাম খোকন (৪৫)। তিনি ওজিয়ারের কাছে দাবি করেন—৫০০ টাকা দিতে হবে, ইয়াবা সেবন করবেন। কিন্তু তাতে অসম্মতি জানিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করেন চালক ওজিয়ার।
১ ঘণ্টা আগে