মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বন্দর থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল নিয়ে এসে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। আজ রোববার বিকেলে ‘এমভি আনকা সান’ ও ‘এমভি স্পোডিল্লা’ নামে জাহাজ দুটি বন্দরের ৭ ও ৮ নম্বর জেটিতে নোঙর করে।
বন্দরের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন শাহীন মজিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রূপপুরে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনারিজের যন্ত্রাংশ নিয়ে বন্দরে দুটি বিদেশি জাহাজ ভিড়েছে। বিকেল থেকে জাহাজ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনারিজের পণ্য খালাস শুরু করা হয়েছে।’
রাশিয়া থেকে আসা ভানুয়াতুর পতাকাবাহী ‘এমভি আনকা সান’ জাহাজের বাংলাদেশের শিপিং এজেন্ট কনভেয়ার শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘এ জাহাজে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৯৭৯ প্যাকেজের ১ হাজার ৪০০ দশমিক ৪২ টন মেশিনারিজের পণ্য এসেছে। বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে নোঙর করার পর সেগুলো দুদিনের মধ্যে খালাস করে সড়ক পথে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে।’
অপর জাহাজ লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমভি স্পোডিল্লা’ এসেছে ৪৩৬ প্যাকেজের ৫১৮ দশমিক ৪২১ টন মেশিনারিজ পণ্য নিয়ে। জাহাজের শিপিং এজেন্ট ইন্টারপোর্টের পরিচালক ক্যাপ্টেন শাহীন ইকবাল বলেন, ‘বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে বেলা ৩টার দিকে জাহাজটি নোঙর করে। এরপর জাহাজ থেকে পণ্য খালাস শুরু হয়। এ জাহাজ থেকেও দুই দিনের মধ্যে মেশিনারি পণ্য খালাস শেষে সড়ক পথে রূপপুরে পৌঁছে দেওয়া হবে।’
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সক্ষমতার দিক দিয়ে এই বন্দর এখন অনেক আধুনিক। দক্ষ জনবল দিয়ে আমদানি হওয়া দেশের বড় বড় সব মেগা প্রকল্পের পণ্য এ বন্দর দিয়ে খালাস হচ্ছে। আধুনিক সুযোগ–সুবিধার ফলে বিদেশিরাও এই বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।’

বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বন্দর থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল নিয়ে এসে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। আজ রোববার বিকেলে ‘এমভি আনকা সান’ ও ‘এমভি স্পোডিল্লা’ নামে জাহাজ দুটি বন্দরের ৭ ও ৮ নম্বর জেটিতে নোঙর করে।
বন্দরের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন শাহীন মজিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রূপপুরে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনারিজের যন্ত্রাংশ নিয়ে বন্দরে দুটি বিদেশি জাহাজ ভিড়েছে। বিকেল থেকে জাহাজ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনারিজের পণ্য খালাস শুরু করা হয়েছে।’
রাশিয়া থেকে আসা ভানুয়াতুর পতাকাবাহী ‘এমভি আনকা সান’ জাহাজের বাংলাদেশের শিপিং এজেন্ট কনভেয়ার শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘এ জাহাজে রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৯৭৯ প্যাকেজের ১ হাজার ৪০০ দশমিক ৪২ টন মেশিনারিজের পণ্য এসেছে। বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে নোঙর করার পর সেগুলো দুদিনের মধ্যে খালাস করে সড়ক পথে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে।’
অপর জাহাজ লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘এমভি স্পোডিল্লা’ এসেছে ৪৩৬ প্যাকেজের ৫১৮ দশমিক ৪২১ টন মেশিনারিজ পণ্য নিয়ে। জাহাজের শিপিং এজেন্ট ইন্টারপোর্টের পরিচালক ক্যাপ্টেন শাহীন ইকবাল বলেন, ‘বন্দরের ৮ নম্বর জেটিতে বেলা ৩টার দিকে জাহাজটি নোঙর করে। এরপর জাহাজ থেকে পণ্য খালাস শুরু হয়। এ জাহাজ থেকেও দুই দিনের মধ্যে মেশিনারি পণ্য খালাস শেষে সড়ক পথে রূপপুরে পৌঁছে দেওয়া হবে।’
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সক্ষমতার দিক দিয়ে এই বন্দর এখন অনেক আধুনিক। দক্ষ জনবল দিয়ে আমদানি হওয়া দেশের বড় বড় সব মেগা প্রকল্পের পণ্য এ বন্দর দিয়ে খালাস হচ্ছে। আধুনিক সুযোগ–সুবিধার ফলে বিদেশিরাও এই বন্দর ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে