
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দিনমজুর মফিজ সরদার হত্যা মামলায় হাসিব সরদার নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিব সরদার (২৭) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি মোরেলগঞ্জ উপজেলার কুমারখালী গ্রামের লোকমান সরদারের ছেলে।
মফিজ সরদার পেশায় কৃষিকাজের পাশাপাশি দিনমজুরের কাজ করতেন। ২০২০ সালের ১২ আগস্ট, মফিজ সরদার কুমারখালী বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন। আসামিরা তাকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তিনি মারা যান। নিহত মফিজ সরদার স্থানীয় বাবুল হাওলদার হত্যা মামলার সাক্ষী ছিলেন। সেই মামলার জেরে তাকে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে।
হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর, ১৪ আগস্ট মফিজ সরদারের স্ত্রী রোজিনা বেগম ১৭ জনকে আসামি করে মোরেলগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে মোরেলগঞ্জ থানার এসআই আব্দুল কাদের ২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর হাসিব সরদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহাবুব মোর্শেদ লালন মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ, শিশুসহ মোট নয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে তাঁরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। বর্তমানে তাঁরা দুই দেশের সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
৩ মিনিট আগে
শুভ্রকে গ্রেপ্তারের জন্য মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বনানীর ১৫ নম্বর সড়কের ৫৪ নম্বর বাড়িতে অভিযানে যায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বনানী থানা-পুলিশ। প্রথমে ভবনের গেটে তালা এবং নিরাপত্তাকর্মীরা অসহযোগিতা করায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি পুলিশ।
১৩ মিনিট আগে
রাজধানীর দরিদ্র শ্রমজীবীদের তিন বড় আবাসস্থল কড়াইল, ভাষানটেক ও সাততলা বস্তির বাসিন্দাদের জন্য সমন্বিত পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প নিতে যাচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হতে...
৭ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার বেসরকারি চিকিৎসা খাত চলছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ইতিমধ্যে ৭৬টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হলেও পরে ভিন্ন নামে আবারও চালু করা হয়েছে। তবে এর বাইরে রয়েছে আরও শতাধিক অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান। অনেক প্রতিষ্ঠানের নেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, প্রশিক্ষিত জনবল ও নিরাপদ চিকিৎসাব্যবস্থা।
৭ ঘণ্টা আগে