বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে চুরির অপবাদে এক যুবককে প্রায় ২২ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে গিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর শর্তে ভুক্তভোগী যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়। মারধরের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নজরে আসে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রামপাল উপজেলার ব্রী-চাকশ্রি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার ওই যুবকের নাম শেখ আব্দুল্লাহ (২৫)। তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার মুনিগঞ্জ এলাকার শেখ গফুরের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তরা হলেন, ওই এলাকার শেখ হাসান আলী ও ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর ভাগনে হিসেবে পরিচিত আবু সালেহ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে অটোরিকশায় করে বাগেরহাট থেকে আসার সময় উপজেলার চাকশ্রি নামক স্থান থেকে শেখ আব্দুল্লাহকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান শেখ হাসান আলী ও আবু সালেহসহ কয়েকজন। চুরির অপবাদে প্রায় ২২ ঘণ্টা নির্যাতনের পর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে আব্দুল্লাহকে ছেড়ে দেওয়া হয় শেখ। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর সামনে ওই যুবকের চোখ তুলে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে চার দিন পার হলেও এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় নড়েচড়ে বসে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক।
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের পেছনে আম গাছের সঙ্গে বেঁধে এক যুবককে মারধর করছে কয়েকজন। পরে মাটিতে শোয়ায়ে এক পা চেপে ধরে আরেক পা উপড়ে উঠিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। একপর্যায়ে দুই পায়ের তলায় মোটা লাঠি দিয়ে পেটাতে দেখা যায় আবু সালেকে। এ সময় ওই যুবক ‘মাগো মাগো’ বলে চিৎকার করে।
আজ মঙ্গলবার বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কথা হয় নির্যাতনের শিকার আবদুল্লাহর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘পূর্ব পরিচিত হওয়ায় ব্রি চাকশ্রী এলাকার শেখ হাসান আলীকে আমি ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা ধার দেই। কিন্তু সে আমাকে টাকা না দিয়ে ঘোরাতে থাকে। পরবর্তীতে টাকা বাবদ শেখ হাসান আলী তার মালিকানাধীন অটোরিকশাটি আমার কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর প্রতিদিন দু শ টাকা ভাড়ায় সে ইজিবাইকটি চালাতে থাকে। কিন্তু কয়েক দিন টাকা দেওয়ার পরে আর টাকা দেয় না। যার কারণে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমি অটোরিকশাটি নিয়ে বিক্রি করে দেই। পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে আর কথা হয়নি। কিন্তু হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার দুপুরে অটোরিকশায় করে রামপাল থেকে বাগেরহাট আসার পথে চাকশ্রী নামক স্থান থেকে শেখ হাসান আলী ও চেয়ারম্যানের ভাগনে আবু সালেহসহ কয়েকজন মিলে জোরপূর্বক আমাকে ধরে নিয়ে যায়। ব্রি চাকশ্রী এলাকায় শেখ হাসান আলী বাড়িতে নিয়ে আমাকে নির্যাতন করে। সন্ধ্যার দিকে আমার বন্ধু প্রাইভেটকার চালক আল আমিনকে চাকশ্রী আসার জন্য আমাকে দিয়ে ফোন করায়। পরে আল আমিন গেলে তাকেও বেঁধে রাখে হাসান ও আবু সালেহরা। সারা রাত আমাকে অমানুষিক নির্যাতন করেছে আবুল সালেহ ও হাসানসহ কয়েকজন। মারধরের সঙ্গে আমার শরীরে সিগারের সেঁকা ও আঙুলের মধ্যে খেজুরের কাটা ঢুকিয়েছে। চোখ উঠিয়ে ফেলার কথা বলেছে।’
আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘সারা রাত এভাবে অত্যাচারের পরে দুপুরে বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর কাছে নিয়ে যায় আমাকে ও আমার বন্ধু আল আমিনকে। তিনি কোনো কথা না শুনে আমাদের চোখ তুলে ফেলতে বলেন। পরে ফাঁকা স্ট্যাম্পে আমার এবং আমার মায়ের স্বাক্ষর রেখে এবং ৩ লাখ টাকার দেওয়ার স্বীকারোক্তি রেখে ছেড়ে দেয়। আমার ওপর হামলাকারীদের কঠিন বিচার চাই।’
শেখ আব্দুল্লাহর মা খালেদা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যেভাবে নির্যাতন করেছে তা মানুষে করে না। চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। আমি আমার ছেলেকে নির্যাতনের বিচার চাই।
এদিক এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী প্রাইভেটকার চালক আল আমিন বলেন, ‘আল আমিনের কল পেয়ে চাকশ্রী বাজারে গেলে, হাসান ও আবু সালেহ আমাকে বেঁধে রাখে। সারা রাত আব্দুল্লাহকে নির্যাতন করে। শুক্রবার দুপুরে আমাদের ছেড়ে দেয়।’
চোখ তুলে নেওয়া বিষয়টি অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘আমার সামনে কোনো নির্যাতন হয়নি। আবু সালেহ আমার ভাগনে নয়।’
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্ধার বলেন, ‘যুবক আব্দুল্লাহর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা-জখম রয়েছে। মারাত্মক ইনজুরি রয়েছে কিনা সে বিষয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যাবে।’
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বলেন, ‘ভিডিওটি আমরা দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাগেরহাটের রামপালে চুরির অপবাদে এক যুবককে প্রায় ২২ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে গিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর শর্তে ভুক্তভোগী যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়। মারধরের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নজরে আসে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রামপাল উপজেলার ব্রী-চাকশ্রি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার ওই যুবকের নাম শেখ আব্দুল্লাহ (২৫)। তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার মুনিগঞ্জ এলাকার শেখ গফুরের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তরা হলেন, ওই এলাকার শেখ হাসান আলী ও ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর ভাগনে হিসেবে পরিচিত আবু সালেহ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে অটোরিকশায় করে বাগেরহাট থেকে আসার সময় উপজেলার চাকশ্রি নামক স্থান থেকে শেখ আব্দুল্লাহকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান শেখ হাসান আলী ও আবু সালেহসহ কয়েকজন। চুরির অপবাদে প্রায় ২২ ঘণ্টা নির্যাতনের পর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে আব্দুল্লাহকে ছেড়ে দেওয়া হয় শেখ। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর সামনে ওই যুবকের চোখ তুলে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে চার দিন পার হলেও এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় নড়েচড়ে বসে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক।
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের পেছনে আম গাছের সঙ্গে বেঁধে এক যুবককে মারধর করছে কয়েকজন। পরে মাটিতে শোয়ায়ে এক পা চেপে ধরে আরেক পা উপড়ে উঠিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। একপর্যায়ে দুই পায়ের তলায় মোটা লাঠি দিয়ে পেটাতে দেখা যায় আবু সালেকে। এ সময় ওই যুবক ‘মাগো মাগো’ বলে চিৎকার করে।
আজ মঙ্গলবার বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কথা হয় নির্যাতনের শিকার আবদুল্লাহর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘পূর্ব পরিচিত হওয়ায় ব্রি চাকশ্রী এলাকার শেখ হাসান আলীকে আমি ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা ধার দেই। কিন্তু সে আমাকে টাকা না দিয়ে ঘোরাতে থাকে। পরবর্তীতে টাকা বাবদ শেখ হাসান আলী তার মালিকানাধীন অটোরিকশাটি আমার কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর প্রতিদিন দু শ টাকা ভাড়ায় সে ইজিবাইকটি চালাতে থাকে। কিন্তু কয়েক দিন টাকা দেওয়ার পরে আর টাকা দেয় না। যার কারণে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমি অটোরিকশাটি নিয়ে বিক্রি করে দেই। পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে আর কথা হয়নি। কিন্তু হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার দুপুরে অটোরিকশায় করে রামপাল থেকে বাগেরহাট আসার পথে চাকশ্রী নামক স্থান থেকে শেখ হাসান আলী ও চেয়ারম্যানের ভাগনে আবু সালেহসহ কয়েকজন মিলে জোরপূর্বক আমাকে ধরে নিয়ে যায়। ব্রি চাকশ্রী এলাকায় শেখ হাসান আলী বাড়িতে নিয়ে আমাকে নির্যাতন করে। সন্ধ্যার দিকে আমার বন্ধু প্রাইভেটকার চালক আল আমিনকে চাকশ্রী আসার জন্য আমাকে দিয়ে ফোন করায়। পরে আল আমিন গেলে তাকেও বেঁধে রাখে হাসান ও আবু সালেহরা। সারা রাত আমাকে অমানুষিক নির্যাতন করেছে আবুল সালেহ ও হাসানসহ কয়েকজন। মারধরের সঙ্গে আমার শরীরে সিগারের সেঁকা ও আঙুলের মধ্যে খেজুরের কাটা ঢুকিয়েছে। চোখ উঠিয়ে ফেলার কথা বলেছে।’
আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ‘সারা রাত এভাবে অত্যাচারের পরে দুপুরে বাইনতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহর কাছে নিয়ে যায় আমাকে ও আমার বন্ধু আল আমিনকে। তিনি কোনো কথা না শুনে আমাদের চোখ তুলে ফেলতে বলেন। পরে ফাঁকা স্ট্যাম্পে আমার এবং আমার মায়ের স্বাক্ষর রেখে এবং ৩ লাখ টাকার দেওয়ার স্বীকারোক্তি রেখে ছেড়ে দেয়। আমার ওপর হামলাকারীদের কঠিন বিচার চাই।’
শেখ আব্দুল্লাহর মা খালেদা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে যেভাবে নির্যাতন করেছে তা মানুষে করে না। চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। আমি আমার ছেলেকে নির্যাতনের বিচার চাই।
এদিক এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী প্রাইভেটকার চালক আল আমিন বলেন, ‘আল আমিনের কল পেয়ে চাকশ্রী বাজারে গেলে, হাসান ও আবু সালেহ আমাকে বেঁধে রাখে। সারা রাত আব্দুল্লাহকে নির্যাতন করে। শুক্রবার দুপুরে আমাদের ছেড়ে দেয়।’
চোখ তুলে নেওয়া বিষয়টি অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘আমার সামনে কোনো নির্যাতন হয়নি। আবু সালেহ আমার ভাগনে নয়।’
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্ধার বলেন, ‘যুবক আব্দুল্লাহর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা-জখম রয়েছে। মারাত্মক ইনজুরি রয়েছে কিনা সে বিষয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যাবে।’
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক বলেন, ‘ভিডিওটি আমরা দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে