মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা। ফুলের তোড়া নিয়ে রুদ্র স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ে উপস্থিত তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী প্রমা। ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানটি তার অনেক পছন্দের। সেই প্রিয় কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে তার মতো দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছিল কবির গ্রামের বাড়ি।
শ্রদ্ধা, গান, কবিতা আর আলোচনায় আজ কবির গ্রামের বাড়ি মোংলার মিঠাখালীতে তারুণ্যের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সকাল ৯টায় রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে সংসদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর রুদ্রের বাড়িতে দোয়ার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০টায় রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে রুদ্রের বাড়িতে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও রুদ্রের ছোট ভাই সুমেল সারাফাত। মিঠাখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মণ্ডল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
রুদ্র স্মৃতি সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হকের সঞ্চালনায় সভায় আলোচনা করেন মিঠাখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাহামুদ হাসান ছোটমনি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের মোংলা শাখার সভাপতি নূর আলম প্রমুখ।
আলোচনা শেষে রুদ্রের কবিতা আবৃত্তি করেন রেশমা আক্তার ঝুমুর। সংগীত পরিবেশন করেন যুথী খাতুন ও রুদ্রের গড়া সংগঠন অন্তর বাজাও ও জীবন।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘রুদ্র ছিলেন তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক। সমাজের সব বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেছেন। দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের হাতিয়ার। বুদ্ধিবৃত্তিক আপসকামিতায় দেশ যখন আকণ্ঠ নিমজ্জিত, সত্য যখন নির্বাসনে—এই রকম অস্থির সময়ে রুদ্রকে আমাদের নিজেদের জন্য, দেশের জন্য খুব প্রয়োজন ছিল। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে তত দিন রুদ্র তাঁর কবিতা, গান নিয়ে বেঁচে থাকবেন।’
১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর জন্ম রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা যান তিনি। এত অল্প সময়ে রুদ্র রচনা করেন সাতটি কাব্যগ্রন্থ উপদ্রুত উপকূল, ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম, মানুষের মানচিত্র, ছোবল, গল্প, দিয়েছিলে সকল আকাশ ও মৌলিক মুখোশ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী পরিস্থিতিকে অবলম্বন করে তিনি বিষ বিরিক্ষের বীজ নামে একটি কাব্যনাট্যও রচনা করেন। এ ছাড়া তিনি বেশ কিছু গল্প লিখেছেন।
১৯৮৭ সালে ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানটি রচনা ও সুরারোপিত করেন। গানটির জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা। ফুলের তোড়া নিয়ে রুদ্র স্মৃতি সংসদ কার্যালয়ে উপস্থিত তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী প্রমা। ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানটি তার অনেক পছন্দের। সেই প্রিয় কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে তার মতো দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছিল কবির গ্রামের বাড়ি।
শ্রদ্ধা, গান, কবিতা আর আলোচনায় আজ কবির গ্রামের বাড়ি মোংলার মিঠাখালীতে তারুণ্যের কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সকাল ৯টায় রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে সংসদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর রুদ্রের বাড়িতে দোয়ার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০টায় রুদ্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে রুদ্রের বাড়িতে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও রুদ্রের ছোট ভাই সুমেল সারাফাত। মিঠাখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মণ্ডল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
রুদ্র স্মৃতি সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হকের সঞ্চালনায় সভায় আলোচনা করেন মিঠাখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাহামুদ হাসান ছোটমনি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের মোংলা শাখার সভাপতি নূর আলম প্রমুখ।
আলোচনা শেষে রুদ্রের কবিতা আবৃত্তি করেন রেশমা আক্তার ঝুমুর। সংগীত পরিবেশন করেন যুথী খাতুন ও রুদ্রের গড়া সংগঠন অন্তর বাজাও ও জীবন।
সভায় বক্তারা বলেন, ‘রুদ্র ছিলেন তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক। সমাজের সব বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি কলম ধরেছেন। দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের হাতিয়ার। বুদ্ধিবৃত্তিক আপসকামিতায় দেশ যখন আকণ্ঠ নিমজ্জিত, সত্য যখন নির্বাসনে—এই রকম অস্থির সময়ে রুদ্রকে আমাদের নিজেদের জন্য, দেশের জন্য খুব প্রয়োজন ছিল। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে তত দিন রুদ্র তাঁর কবিতা, গান নিয়ে বেঁচে থাকবেন।’
১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর জন্ম রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা যান তিনি। এত অল্প সময়ে রুদ্র রচনা করেন সাতটি কাব্যগ্রন্থ উপদ্রুত উপকূল, ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম, মানুষের মানচিত্র, ছোবল, গল্প, দিয়েছিলে সকল আকাশ ও মৌলিক মুখোশ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী পরিস্থিতিকে অবলম্বন করে তিনি বিষ বিরিক্ষের বীজ নামে একটি কাব্যনাট্যও রচনা করেন। এ ছাড়া তিনি বেশ কিছু গল্প লিখেছেন।
১৯৮৭ সালে ‘ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানটি রচনা ও সুরারোপিত করেন। গানটির জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে