সেনাবাহিনীর টহলে ফাঁকা বাগেরহাটের সড়ক-মহাসড়ক

দেশব্যাপী সাত দিনের লকডাউনের প্রথম দিনে বাগেরহাটে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেনাবাহিনীর টহলের খবরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বাগেরহাটের জনাকীর্ণ বাজার, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়ক-মহাসড়ক জনশূন্য হয়ে পড়েছে।
সকাল থেকে বাগেরহাটের শরনখোলা-মোরেলগঞ্জ, ফকিরহাট-মোল্লাহাট ও সদরের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর পৃথক তিনটি টিম টহল দিতে দেখা গেছে। সার্বিক লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের মাইকিংও চলছে। বিনা প্রয়োজনে লোকজনের বাইরে আসা বন্ধে কাজ করছেন তাঁরা। যাঁরা জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে আসছেন, তাঁদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতেও কাজ করছেন সেনাসদস্যরা।
আজ দুপুরে দেখা যায়, বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড, বাগেরহাট-পিরোজপুর মহাসড়কের সাইনবোর্ড, বৈটপুর বাজার, মেরিনের সামনে, বাগেরহাট শহরের শালতলা, সাধনার মোড়, শহররক্ষা বাঁধ, পুরাতম কোর্ট মসজিদসহ বিভিন্ন জনাকীর্ণ এলাকা প্রায় জনশূন্য। তবে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের এত কঠোর অবস্থানের মাঝেও জরুরি প্রয়োজনে কিছু মানুষকে বাইরে বের হতে দেখা গেছে। এর পরিমাণ ছিল খুবই কম।
এদিকে মোংলায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও মানুষকে ঘরে রাখতে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা টহল দেওয়া শুরু করেছেন। এসবের পাশাপাশি বাগেরহাটের গুরুত্বপূর্ণ ১৩টি স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট কাজ করছে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। করোনাকালীন মানুষকে ঘরে রাখতে ও সুস্থ রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।









