বাগেরহাট প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে তীব্র ঝড়ো হওয়ায় উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের ৫ লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জেলার উপকূলীয় উপজেলা মোংলা, শরণখোলা, মোড়লগঞ্জে বাতাসের চাপ সবচেয়ে বেশি। রোববার সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত বাড়তে থাকায় দমকা হাওয়াও বাড়ে পুরো জেলা জুড়ে।
বিকেল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি ও বাতাস হলেও এখন তীব্র ঝড় হওয়ার কারণে আতঙ্ক আরও বেড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোয়।
মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা, মংলা ও রামপাল উপজেলার প্রায় অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না সারা দিনই। অন্যান্য এলাকায়ও বিদ্যুৎ ছিল আশা যাওয়ার মাঝে। তবে জেলা সদরের পৌর শহরে রোববার রাত সাড়ে দশটায়ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রেখেছে। কিন্তু পল্লী বিদ্যুত সন্ধ্যা থেকে পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। ঝড়ো হাওয়ায় বিদ্যুতের লাইনে গাছপালা উপড়ে পড়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
সমিতির মহাব্যবস্থাপক সুশান্ত রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাগেরহাট জেলায় ৪ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গ্রাহক রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবের দমকা ঝড়ো হাওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের মূল সঞ্চালন লাইনের বিভিন্ন স্থানে গাছপালা উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়েছে। এতে কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগ শেষ হলে লাইনে কাজ করে বিদ্যুৎ সংযোগ পূনরায় চালু করা হবে।’

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে তীব্র ঝড়ো হওয়ায় উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের ৫ লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জেলার উপকূলীয় উপজেলা মোংলা, শরণখোলা, মোড়লগঞ্জে বাতাসের চাপ সবচেয়ে বেশি। রোববার সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত বাড়তে থাকায় দমকা হাওয়াও বাড়ে পুরো জেলা জুড়ে।
বিকেল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি ও বাতাস হলেও এখন তীব্র ঝড় হওয়ার কারণে আতঙ্ক আরও বেড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা আশ্রয় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোয়।
মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা, মংলা ও রামপাল উপজেলার প্রায় অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না সারা দিনই। অন্যান্য এলাকায়ও বিদ্যুৎ ছিল আশা যাওয়ার মাঝে। তবে জেলা সদরের পৌর শহরে রোববার রাত সাড়ে দশটায়ও ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রেখেছে। কিন্তু পল্লী বিদ্যুত সন্ধ্যা থেকে পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। ঝড়ো হাওয়ায় বিদ্যুতের লাইনে গাছপালা উপড়ে পড়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
সমিতির মহাব্যবস্থাপক সুশান্ত রায় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাগেরহাট জেলায় ৪ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গ্রাহক রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবের দমকা ঝড়ো হাওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের মূল সঞ্চালন লাইনের বিভিন্ন স্থানে গাছপালা উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়েছে। এতে কমবেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগ শেষ হলে লাইনে কাজ করে বিদ্যুৎ সংযোগ পূনরায় চালু করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে