মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

‘নারী নেতৃত্ব হারাম’ বলে বক্তব্য দেওয়া বিতর্কিত সেই ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদারের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। গতকাল সোমবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মোংলা থানায় এ মামলা দায়ের করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামলার বাদী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোংলা-রামপালের (বাগেরহাট-০৩ আসন) স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক নির্বাচনী সভায় ‘নারী নেতৃত্ব হারাম’ বলে অবমাননাকর ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ এর বিধান এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ১১ (ক) লঙ্ঘন করেছেন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বিতর্কিত বক্তব্য প্রদানকারী ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৩ এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ১৮ এর আদেশে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তাঁর ইউনিয়নে গত ৩০ ডিসেম্বর ইগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদারের নির্বাচনী এক সভায় উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদার বলেন, ‘‘নারী নেতৃত্ব হারাম, আমরা গজবের ভেতরে নিমজ্জিত আছি। এতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। জনমনে কোনো স্বস্তি নেই, শান্তি নেই, তার কারণ-নারী নেতৃত্ব হারাম। নারী নেতৃত্বের অধীনে আমরা এখানে রয়েছি।
‘‘আমাদের ভোটটা আমরা হাবিবুন নাহারকে (আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী) দুইবার দিয়ে আমরা নারী নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। তাই আমাদের এখানে কোনো সুখ-শান্তি অবস্থান করে না। যেটা সত্য, সেই কথা আমি এখানে আপনাদের কাছে বলে গেলাম। উনি একজন নারী, উনি রাজনীতি আর সমাজনীতির বোঝেন কি? কিছুই বোঝেন না।’’
তাঁর এই বক্তব্যের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর তাঁকে এ ঘটনায় তলব করেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান বাগেরহাট যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (১ম আদালত) আদালতের বিচারক ওবায়দা খানম। জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার ১১ (ক) ধারায় উল্লেখ রয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে বক্তব্য প্রদান বা কোনো ধরনের তিক্ত (উসকানিমূলক বা মানহানিকর) বক্তব্য, লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিকে আঘাত লাগে এমন কোনো বক্তব্য প্রদান করতে পারবেন না।
এ ইস্যুতে সংসদ নির্বাচনের পরে তাঁকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মোংলায় কয়েক দফা বিক্ষোভ এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ইকরাম ইজারাদার মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হন।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে. এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদারের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের হয়েছে। এখন তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।’

‘নারী নেতৃত্ব হারাম’ বলে বক্তব্য দেওয়া বিতর্কিত সেই ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদারের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। গতকাল সোমবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মোংলা থানায় এ মামলা দায়ের করেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামলার বাদী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোংলা-রামপালের (বাগেরহাট-০৩ আসন) স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক নির্বাচনী সভায় ‘নারী নেতৃত্ব হারাম’ বলে অবমাননাকর ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ এর বিধান এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ১১ (ক) লঙ্ঘন করেছেন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বিতর্কিত বক্তব্য প্রদানকারী ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৩ এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ১৮ এর আদেশে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তাঁর ইউনিয়নে গত ৩০ ডিসেম্বর ইগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইদ্রিস আলী ইজারদারের নির্বাচনী এক সভায় উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদার বলেন, ‘‘নারী নেতৃত্ব হারাম, আমরা গজবের ভেতরে নিমজ্জিত আছি। এতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। জনমনে কোনো স্বস্তি নেই, শান্তি নেই, তার কারণ-নারী নেতৃত্ব হারাম। নারী নেতৃত্বের অধীনে আমরা এখানে রয়েছি।
‘‘আমাদের ভোটটা আমরা হাবিবুন নাহারকে (আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী) দুইবার দিয়ে আমরা নারী নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। তাই আমাদের এখানে কোনো সুখ-শান্তি অবস্থান করে না। যেটা সত্য, সেই কথা আমি এখানে আপনাদের কাছে বলে গেলাম। উনি একজন নারী, উনি রাজনীতি আর সমাজনীতির বোঝেন কি? কিছুই বোঝেন না।’’
তাঁর এই বক্তব্যের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর তাঁকে এ ঘটনায় তলব করেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান বাগেরহাট যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (১ম আদালত) আদালতের বিচারক ওবায়দা খানম। জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার ১১ (ক) ধারায় উল্লেখ রয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে বক্তব্য প্রদান বা কোনো ধরনের তিক্ত (উসকানিমূলক বা মানহানিকর) বক্তব্য, লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিকে আঘাত লাগে এমন কোনো বক্তব্য প্রদান করতে পারবেন না।
এ ইস্যুতে সংসদ নির্বাচনের পরে তাঁকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মোংলায় কয়েক দফা বিক্ষোভ এবং মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ইকরাম ইজারাদার মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়ন পরিষদে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হন।
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে. এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ইউপি চেয়ারম্যান ইকরাম ইজারাদারের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের হয়েছে। এখন তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৩ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৭ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২২ মিনিট আগে