বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের রামপালে ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজনকে মারধরের পাশাপাশি বাজারের অন্তত ২০টি দোকান ও পাশের কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করেছেন নেতা-কর্মীরা।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিএনপির নেতা-কর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রামপাল উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে দুই সভাপতি প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। বিভিন্ন সময় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

শনিবার রাতে ইউনিয়নের বেতবুনিয়া পাকা রাস্তার মাথায় মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিমের লোকজন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শামীম হাসান পলকসহ ১১ জনকে মারধর করেন। ওই রাতেই আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বাগেরহাটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মারধরের প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে আব্দুল আলিমের প্রতিদ্বন্দ্বী সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজু ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শামীম হাসান পলকের লোকজন পুলিশের অনুমতিতে মানববন্ধনের আয়োজন করেন।
মানববন্ধনের জন্য জড়ো হলে আব্দুল আলিমের লোকজন অতর্কিত সাজারুল ইসলাম সাজু ও তাঁর লোকজনের ওপর হামলা করেন।
এতে সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজুসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এই হামলার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে সাজারুল ইসলাম সাজু ও তাঁর লোকজন আব্দুল আলিমের লোকজনের ওপর হামলা করেন। তাঁরা আব্দুল আলিমের বসতবাড়ি এবং সন্ন্যাসী বাজারের ২০টি দোকান ভাঙচুর করেন।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সন্ন্যাসী বাজারে দেখা যায়, পুলিশের সামনেই সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজু ও তাঁর লোকজন দফায় দফায় আব্দুল আলিমের লোকজনকে মারধরের চেষ্টা করছেন। বাজারের বিভিন্ন দোকান ভাঙচুর করছেন। আর বাজারের পাশে থাকা দুটি ভবনের ছাদ থেকে সাজুর লোকদের ওপর ইট ছোড়া হচ্ছে। পুলিশ থামানোর চেষ্টা করলেও ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা থামছেন না।
মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব জানান, হামলায় অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। অন্তত ৫০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

বাগেরহাটের রামপালে ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজনকে মারধরের পাশাপাশি বাজারের অন্তত ২০টি দোকান ও পাশের কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করেছেন নেতা-কর্মীরা।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিএনপির নেতা-কর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রামপাল উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরে দুই সভাপতি প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। বিভিন্ন সময় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

শনিবার রাতে ইউনিয়নের বেতবুনিয়া পাকা রাস্তার মাথায় মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আলিমের লোকজন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শামীম হাসান পলকসহ ১১ জনকে মারধর করেন। ওই রাতেই আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বাগেরহাটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মারধরের প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে আব্দুল আলিমের প্রতিদ্বন্দ্বী সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজু ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শামীম হাসান পলকের লোকজন পুলিশের অনুমতিতে মানববন্ধনের আয়োজন করেন।
মানববন্ধনের জন্য জড়ো হলে আব্দুল আলিমের লোকজন অতর্কিত সাজারুল ইসলাম সাজু ও তাঁর লোকজনের ওপর হামলা করেন।
এতে সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজুসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এই হামলার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে সাজারুল ইসলাম সাজু ও তাঁর লোকজন আব্দুল আলিমের লোকজনের ওপর হামলা করেন। তাঁরা আব্দুল আলিমের বসতবাড়ি এবং সন্ন্যাসী বাজারের ২০টি দোকান ভাঙচুর করেন।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সন্ন্যাসী বাজারে দেখা যায়, পুলিশের সামনেই সভাপতি প্রার্থী সাজারুল ইসলাম সাজু ও তাঁর লোকজন দফায় দফায় আব্দুল আলিমের লোকজনকে মারধরের চেষ্টা করছেন। বাজারের বিভিন্ন দোকান ভাঙচুর করছেন। আর বাজারের পাশে থাকা দুটি ভবনের ছাদ থেকে সাজুর লোকদের ওপর ইট ছোড়া হচ্ছে। পুলিশ থামানোর চেষ্টা করলেও ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা থামছেন না।
মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব জানান, হামলায় অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। অন্তত ৫০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে