জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
বিএনপির প্রতিটি আসনেই একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকায় তফসিল ঘোষণার আগে তাঁরা দলীয় মনোনয়ন পেতে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপের পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়েছেন। অংশ নিয়েছেন সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে। তিনটি আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার পরও শেরপুর-১ ও ২ আসনে মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবি ওঠে। এতে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে খানিকটা অস্বস্তিও দেখা দিয়েছে।
শেরপুর-১ (সদর) আসন
এই আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত সাতবার আওয়ামী লীগ, তিনবার জাতীয় পার্টি এবং দুবার বিএনপির সংসদ সদস্য জয়লাভ করেছেন। এই আসনে বিএনপির শক্ত অবস্থান থাকা সত্ত্বেও জোটগত নির্বাচনের প্রশ্নে বারবার আসনটি জামায়াতকে ছেড়ে দিতে হয়েছে। এবার পরিবর্তিত অবস্থায় বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক চরাঞ্চলের সন্তান ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। তিনি জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিল্পপতি মো. হযরত আলীর মেয়ে।
তবে মনোনয়নবঞ্চিত জেলা বিএনপির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তিনি গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন। এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এটি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রয়াত মুহাম্মদ কামারুজ্জামানেরও এলাকা, যা ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। মূল লড়াই এই তিন প্রার্থীর মধ্যে হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসন
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত এই আসনে সাতবার আওয়ামী লীগ, তিনবার বিএনপি এবং দুবার জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য জয়লাভ করেছেন। এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহিম চৌধুরী। তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে এ নিয়ে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
এই আসনে মাঠে আছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা ইলিয়াস খান। তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন। তবে তাঁর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আপিল করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। তবে তাঁর সঙ্গে বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের একটি অংশ এখনো কাজ করে যাচ্ছেন।
এই আসনে বিএনপির শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। তিনি প্রতিনিয়ত দলীয় নানা কর্মসূচির পাশাপাশি নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে সাড়া ফেলেছেন এলাকায়। এই আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী জুলাই যোদ্ধা মো. খোকনও ইতিমধ্যে তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন। এই আসনের অন্য প্রার্থীরা হচ্ছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম বেলাল ও ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল কায়েস।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসন
এই আসনে একবার জাসদ (সিরাজ), ছয়বার আওয়ামী লীগ, চারবার বিএনপি এবং দুবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিতেছেন। এবার এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন তিনবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি বিএনপির প্রয়াত নেতা সেরাজুল হকের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর টানা চারবার পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। এর মধ্যে তিনবার জয়লাভ করেছেন। তবে এবার দলে রয়েছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিভাজন। দল থেকে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল কিছুটা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তিনি এখনো নির্বাচনী প্রচারের মাঠে আছেন।
এ আসনেও জামায়াতের একক প্রার্থী শেরপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহম্মদ নুরুজ্জামান বাদল। ইতিমধ্যে তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. মান্নান মাস্টার। বাদল একসময় শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে টক্কর দিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন। জোটের বিষয়ে জামায়াত-এনসিপির প্রার্থী ও নেতারা জানিয়েছেন, নতুন জোটের প্রার্থী হিসেবে যাঁকেই ঘোষণা করা হোক, জোটের স্বার্থে এক হয়ে তাঁর পক্ষেই কাজ করে যাবেন।
আর বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোনো ব্যক্তি নয়, তাঁরা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে আছেন। তাই বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
বিএনপির প্রতিটি আসনেই একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকায় তফসিল ঘোষণার আগে তাঁরা দলীয় মনোনয়ন পেতে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপের পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়েছেন। অংশ নিয়েছেন সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচিতে। তিনটি আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার পরও শেরপুর-১ ও ২ আসনে মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবি ওঠে। এতে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে খানিকটা অস্বস্তিও দেখা দিয়েছে।
শেরপুর-১ (সদর) আসন
এই আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত সাতবার আওয়ামী লীগ, তিনবার জাতীয় পার্টি এবং দুবার বিএনপির সংসদ সদস্য জয়লাভ করেছেন। এই আসনে বিএনপির শক্ত অবস্থান থাকা সত্ত্বেও জোটগত নির্বাচনের প্রশ্নে বারবার আসনটি জামায়াতকে ছেড়ে দিতে হয়েছে। এবার পরিবর্তিত অবস্থায় বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক চরাঞ্চলের সন্তান ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। তিনি জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিল্পপতি মো. হযরত আলীর মেয়ে।
তবে মনোনয়নবঞ্চিত জেলা বিএনপির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তিনি গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন। এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এটি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রয়াত মুহাম্মদ কামারুজ্জামানেরও এলাকা, যা ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। মূল লড়াই এই তিন প্রার্থীর মধ্যে হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসন
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত এই আসনে সাতবার আওয়ামী লীগ, তিনবার বিএনপি এবং দুবার জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য জয়লাভ করেছেন। এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফাহিম চৌধুরী। তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে এ নিয়ে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
এই আসনে মাঠে আছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা ইলিয়াস খান। তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন। তবে তাঁর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আপিল করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। তবে তাঁর সঙ্গে বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের একটি অংশ এখনো কাজ করে যাচ্ছেন।
এই আসনে বিএনপির শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। তিনি প্রতিনিয়ত দলীয় নানা কর্মসূচির পাশাপাশি নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে সাড়া ফেলেছেন এলাকায়। এই আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী জুলাই যোদ্ধা মো. খোকনও ইতিমধ্যে তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন। এই আসনের অন্য প্রার্থীরা হচ্ছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম বেলাল ও ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল কায়েস।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসন
এই আসনে একবার জাসদ (সিরাজ), ছয়বার আওয়ামী লীগ, চারবার বিএনপি এবং দুবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিতেছেন। এবার এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন তিনবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি বিএনপির প্রয়াত নেতা সেরাজুল হকের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর টানা চারবার পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। এর মধ্যে তিনবার জয়লাভ করেছেন। তবে এবার দলে রয়েছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিভাজন। দল থেকে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল কিছুটা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তিনি এখনো নির্বাচনী প্রচারের মাঠে আছেন।
এ আসনেও জামায়াতের একক প্রার্থী শেরপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহম্মদ নুরুজ্জামান বাদল। ইতিমধ্যে তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন এনসিপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মো. মান্নান মাস্টার। বাদল একসময় শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে টক্কর দিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন। জোটের বিষয়ে জামায়াত-এনসিপির প্রার্থী ও নেতারা জানিয়েছেন, নতুন জোটের প্রার্থী হিসেবে যাঁকেই ঘোষণা করা হোক, জোটের স্বার্থে এক হয়ে তাঁর পক্ষেই কাজ করে যাবেন।
আর বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোনো ব্যক্তি নয়, তাঁরা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে আছেন। তাই বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

শূন্য ভিটার ওপর দাঁড়িয়ে আছে বসতঘরের অবকাঠামো। নেই বেড়া, ছাউনি। বৃষ্টির পানিতে ভিটার মাটি ধুয়ে সমতলে মিশে গেছে অনেক আগে। এসব ঘরে এখন আর মানুষ বসবাস করে না। এমন দৃশ্য নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চর আতাউরের গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর।
১ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের জলাতঙ্ক ইউনিটের দরজায় তালা ঝুলিয়ে সাঁটানো একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইনজেকশন-র্যাবিস ভ্যাকসিন’ এবং ‘ইনজেকশন-আরআইজি’ সরকারি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের রাউজানে রাজনৈতিক খুনোখুনি থামছেই না। গত ১৬ মাসে উপজেলায় খুন হয়েছেন ১৯ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং একজন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী।
২ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে