খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের ডিজিটাল স্ক্রিনে পতিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচারণার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। আজ শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিক্ষোভের মুখে আসলাম হোসেন সেন্টু নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর রেল স্টেশনের মাস্টারকে অবরুদ্ধ করে রাখে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ভিডিওতে দেখা যায় খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের ডিজিটাল স্ক্রিনে লেখা, ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরে আসবে; জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু; শেখ হাসিনা আবার আসবে। এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেলস্টেশনের অবস্থান নেয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতা। এ সময় তাঁদেরকে নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়। এদিকে প্রায় একই সময় নগরীর বয়রাস্থ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের স্ক্রিনেও একই ধরনের ভিডিও ভাইরাল হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর রেলস্টেশনের প্রবেশপথের ডিসপ্লেতে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পক্ষের নানা স্লোগান প্রদর্শিত হতে থাকে। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে প্রদর্শিত হয় এসব স্লোগান। ঘটনাটি সেখানে চলাচলরত যাত্রী ও সাধারণ মানুষের চোখে ধরা পড়লে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। দ্রুত আশপাশ এলাকায় এই খবর ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক সেখানে খুলনা মহানগর বিএনপির নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
তাঁরা বলেন, একটি সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকে এ ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান প্রদর্শন করার পেছনে স্টেশনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারী জড়িত।
এদিকে বিক্ষোভের মুখে পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নগরীর সিমেট্রি রোডের ত্রিপোলি সাইন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী আসলাম হোসেন সেন্টুকে আটক করে।
জিআরপি থানার ওসি মো. ফেরদৌস আলম খান বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে আমরা মেসেজ পেয়েছি এখানে ডিজিটাল স্ক্রোলিংয়ে বাজে একটা লেখা আসছে। দেখার পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সেটি বন্ধ করে দেয়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আমরা পেয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। আসলাম হোসেন সেন্টু নামে একজন এটি কন্ট্রোল করে। স্থানীয় জনতা ও রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটকে রাখে। আমরা এখানে এসে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছি। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের ডিজিটাল স্ক্রিনে পতিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচারণার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। আজ শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিক্ষোভের মুখে আসলাম হোসেন সেন্টু নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর রেল স্টেশনের মাস্টারকে অবরুদ্ধ করে রাখে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ভিডিওতে দেখা যায় খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের ডিজিটাল স্ক্রিনে লেখা, ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরে আসবে; জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু; শেখ হাসিনা আবার আসবে। এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেলস্টেশনের অবস্থান নেয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মী, সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতা। এ সময় তাঁদেরকে নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়। এদিকে প্রায় একই সময় নগরীর বয়রাস্থ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের স্ক্রিনেও একই ধরনের ভিডিও ভাইরাল হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর রেলস্টেশনের প্রবেশপথের ডিসপ্লেতে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পক্ষের নানা স্লোগান প্রদর্শিত হতে থাকে। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে প্রদর্শিত হয় এসব স্লোগান। ঘটনাটি সেখানে চলাচলরত যাত্রী ও সাধারণ মানুষের চোখে ধরা পড়লে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। দ্রুত আশপাশ এলাকায় এই খবর ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক সেখানে খুলনা মহানগর বিএনপির নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
তাঁরা বলেন, একটি সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকে এ ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান প্রদর্শন করার পেছনে স্টেশনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারী জড়িত।
এদিকে বিক্ষোভের মুখে পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নগরীর সিমেট্রি রোডের ত্রিপোলি সাইন নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী আসলাম হোসেন সেন্টুকে আটক করে।
জিআরপি থানার ওসি মো. ফেরদৌস আলম খান বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে আমরা মেসেজ পেয়েছি এখানে ডিজিটাল স্ক্রোলিংয়ে বাজে একটা লেখা আসছে। দেখার পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সেটি বন্ধ করে দেয়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আমরা পেয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। আসলাম হোসেন সেন্টু নামে একজন এটি কন্ট্রোল করে। স্থানীয় জনতা ও রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটকে রাখে। আমরা এখানে এসে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছি। তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান উভয়
১১ মিনিট আগে
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের পক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে অংশ নেওয়া দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় রেজেকার স্বামী আবু তাহের (৩৫) তাঁর বড় স্ত্রী মিষ্টি বেগমকে (২৫) সঙ্গে নিয়ে প্রাইভেট কারে করে শ্বশুরবাড়িতে হাজির হন। আবু তাহের একই ইউনিয়নের পাগলাটারী গ্রামের মজিদুলের ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
মেটা: রংপুর-৩ ও ৪ আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মোট ১৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে