
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন বলেছেন, এবারের নির্বাচনে রংপুরের জনগণ জাতীয় পার্টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আওয়ামী লীগও রাজনৈতিকভাবে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।
আজ শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিজয়ের পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। তবে সকাল থেকে কোথায় জি এম কাদেরকে দেখা যায়নি। তিনি গণমাধ্যমের সামনেও আসেননি বৃহস্পতিবার।
আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা একটি জিনিস আপনাদেরকে খুব জোরালোভাবে বলতে চাই। এবার রংপুরের ছয়টি আসনে ১১ দলীয় জোট একটি আসনে শাপলা কলি এবং পাঁচটি আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে এবারের যে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যেমন একদিকে আওয়ামী লীগ একবারে নেই হয়ে গেছে, জাতীয় পার্টিও কিন্তু এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা ৫ আগস্ট যেমন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, আজকে ১২ ফেব্রুয়ারি রংপুরের জনগণ জাতীয় পার্টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই স্বৈরাচারের দোসরদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এটা আমাদের কাছে একটা বড় ধরনের বিজয়।’
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘সারা দেশের নির্বাচনে কোথাও কারচুপি, কোথাও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে আমাদের দল ও জোট পর্যালোচনা করছে। শিগগির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।’
বিজয় অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এই বিজয় অর্জনের ক্ষেত্রে যাঁরা নিরপেক্ষ ভোটের ক্ষেত্রে কাজ করেছেন, এই রংপুর চার আসনের আপামর জনতা, যাঁরা প্রশাসনের কর্তারা আছেন, যাঁরা মিডিয়াকর্মী আছেন, আপনাদের সকলকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।’
নির্বাচন নিয়ে তিনি আখতার হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গায় কারচুপি হয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় মারামারি হয়েছে, মানুষের রক্ত ঝরেছে। এই প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে আমাদের পর্যালোচনা চলছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে আমরা আলোচনা করছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এবং জোটের পক্ষ থেকেও আমরা সেই আনুষ্ঠানিক বিবৃতিগুলো আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব।’
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, রংপুর-৪ আসনে বর্তমানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ জন। দুই উপজেলার ১৬৩টি ভোট কেন্দ্রের ৯৪৪টি বুথে ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩১৪জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তাঁর মধ্যে ৮ হাজার ২৬৩টি ভোট বাতিল হয়। বৈধ ভোট সংখ্যা ৩ লাখ ৩০ হাজার ৫১ জন। আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষ প্রতীকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪টি ভোট পান। এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ধানের শীষ প্রতীকে ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট প্রার্থী আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
৫ মিনিট আগে
লক্ষ্মীপুরের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার রাতে সংশ্লিষ্ট আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল ঘোষণা করেন। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান।
১৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীতে বিএনপি ও বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী তিনটি আসনে এবং জামায়াতে ইসলামী একটি আসনে জয়ী হয়েছেন। একই সঙ্গে চারটি আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
৩৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। একটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী।
৪২ মিনিট আগে