খান রফিক, বরিশাল

বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় দুই প্রভাবশালী নেতা—বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের মধ্যকার বাগ্যুদ্ধ ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা।
দুই নেতাই গৌরনদী-আগৈলঝাড়া (বরিশাল-১) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী। সাম্প্রতিক একাধিক সমাবেশে তাঁরা একে অপরকে ইঙ্গিত করে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তাতে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভক্তি ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
গত মঙ্গলবার গৌরনদীতে এক জনসভায় জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘দলের মধ্যেই যদি মাদক ব্যবসায়ী, গডফাদার থাকে, তাহলে কি আমরা তা মেনে নেব? গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় বিএনপির কোনো গডফাদার চলবে না। সময় হলে ডাক দেব।’
এর পাল্টা জবাবে কুদ্দুসুর রহমান এক সমাবেশে বলেন, ‘আপনার পাশে জাতীয় পার্টি, পেছনে আওয়ামী লীগ। ভোটারবিহীন নির্বাচনের চেয়ারম্যান পিকলু গুহকে আপনি শেল্টার দেন। আপনার লজ্জা করে না? মৌচাকে ঢিল মারবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় যারা বিএনপিকে বিভক্ত করতে চেয়েছিল, তারা আজ আবার সরব হয়েছে। তারা অভিভাবক হতে পারে না।’
২০০১ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন জহির উদ্দিন স্বপন। তবে ২০০৮ সালে তিনি ধানের শীষের বিরুদ্ধে গিয়ে হরিণ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন, যেখানে তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল মাত্র ১৬০। দীর্ঘ সময় তিনি বিএনপি থেকে দূরে ছিলেন এবং বাম রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা যায়।
অপরদিকে, কুদ্দুসুর রহমান দীর্ঘদিন দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও একাধিকবার মনোনয়ন চেয়ে পাননি। তাঁর বিরুদ্ধে ‘মেজাজি’ চরিত্রের অভিযোগ রয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গৌরনদীতে কোনো গডফাদার নেই। স্বপন ভাই হয়তো আওয়ামী লীগ আমলে যেসব কুখ্যাত ব্যক্তি ছিল, তাঁদের প্রসঙ্গ টেনেছেন। আর কুদ্দুস ভাই হয়তো মনোকষ্ট থেকে এসব বলছেন। তবে মনোনয়ন চূড়ান্ত হলে এসব বিরোধ কেটে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার কয়েকজন বিএনপি নেতা বলেন, স্বপন-কুদ্দুসের দ্বন্দ্বে দল নির্বাচনীভাবে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাঁদের ভাষায়, ‘অনেকেই যাঁরা দীর্ঘদিন এলাকায় ছিলেন না, তাঁরা এখন বিভিন্ন দলের লোকজন দিয়ে সংগঠন ভারী করছেন, যা দলের জন্য অশনিসংকেত।’
আজকের পত্রিকাকে দেওয়া বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেন নিয়ে কথা বলে কুদ্দুস আসলে দলের চেয়ারপারসনকেই বিতর্কে ফেলেছেন। আমি গডফাদারদের কথা বলেছি, যাঁরা একসময় হাসানাত বা হারিছ ছিলেন, তাঁদের বোঝাতে চেয়েছি। এখন বিএনপিতে যদি কেউ গডফাদার হয়ে ওঠেন, তাঁদের গায়ে লাগবেই।’
অন্যদিকে, আকন কুদ্দুস বলেন, ‘স্বপনই মাদক ব্যবসায়ী তৈরি করেছেন, তিনিই গডফাদার বানিয়েছেন। ওনার লোক পৌর বিএনপিতে চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কৃত। স্বপন যদি ওয়ান ইলেভেনে জড়িত না থাকেন, তাহলে এত বছর দলের বাইরে ছিলেন কেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বপনের লোকজন লাখ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছে। তিনি রাজনৈতিকভাবে চতুর্দিকে ঘেরা একজন মানুষ, পাগলের প্রলাপই বকবেন। ধানের শীষের সঙ্গে বেইমানি করলে কেউ দলে টিকবে না।’
স্থানীয় রাজনীতিবিদদের মতে, গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দ্রুত নিরসন না হলে নির্বাচনে তা দলের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় দুই প্রভাবশালী নেতা—বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপনের মধ্যকার বাগ্যুদ্ধ ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা।
দুই নেতাই গৌরনদী-আগৈলঝাড়া (বরিশাল-১) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী। সাম্প্রতিক একাধিক সমাবেশে তাঁরা একে অপরকে ইঙ্গিত করে যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন, তাতে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিভক্তি ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
গত মঙ্গলবার গৌরনদীতে এক জনসভায় জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘দলের মধ্যেই যদি মাদক ব্যবসায়ী, গডফাদার থাকে, তাহলে কি আমরা তা মেনে নেব? গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় বিএনপির কোনো গডফাদার চলবে না। সময় হলে ডাক দেব।’
এর পাল্টা জবাবে কুদ্দুসুর রহমান এক সমাবেশে বলেন, ‘আপনার পাশে জাতীয় পার্টি, পেছনে আওয়ামী লীগ। ভোটারবিহীন নির্বাচনের চেয়ারম্যান পিকলু গুহকে আপনি শেল্টার দেন। আপনার লজ্জা করে না? মৌচাকে ঢিল মারবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের সময় যারা বিএনপিকে বিভক্ত করতে চেয়েছিল, তারা আজ আবার সরব হয়েছে। তারা অভিভাবক হতে পারে না।’
২০০১ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন জহির উদ্দিন স্বপন। তবে ২০০৮ সালে তিনি ধানের শীষের বিরুদ্ধে গিয়ে হরিণ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন, যেখানে তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল মাত্র ১৬০। দীর্ঘ সময় তিনি বিএনপি থেকে দূরে ছিলেন এবং বাম রাজনীতির সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা যায়।
অপরদিকে, কুদ্দুসুর রহমান দীর্ঘদিন দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও একাধিকবার মনোনয়ন চেয়ে পাননি। তাঁর বিরুদ্ধে ‘মেজাজি’ চরিত্রের অভিযোগ রয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গৌরনদীতে কোনো গডফাদার নেই। স্বপন ভাই হয়তো আওয়ামী লীগ আমলে যেসব কুখ্যাত ব্যক্তি ছিল, তাঁদের প্রসঙ্গ টেনেছেন। আর কুদ্দুস ভাই হয়তো মনোকষ্ট থেকে এসব বলছেন। তবে মনোনয়ন চূড়ান্ত হলে এসব বিরোধ কেটে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার কয়েকজন বিএনপি নেতা বলেন, স্বপন-কুদ্দুসের দ্বন্দ্বে দল নির্বাচনীভাবে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাঁদের ভাষায়, ‘অনেকেই যাঁরা দীর্ঘদিন এলাকায় ছিলেন না, তাঁরা এখন বিভিন্ন দলের লোকজন দিয়ে সংগঠন ভারী করছেন, যা দলের জন্য অশনিসংকেত।’
আজকের পত্রিকাকে দেওয়া বক্তব্যে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেন নিয়ে কথা বলে কুদ্দুস আসলে দলের চেয়ারপারসনকেই বিতর্কে ফেলেছেন। আমি গডফাদারদের কথা বলেছি, যাঁরা একসময় হাসানাত বা হারিছ ছিলেন, তাঁদের বোঝাতে চেয়েছি। এখন বিএনপিতে যদি কেউ গডফাদার হয়ে ওঠেন, তাঁদের গায়ে লাগবেই।’
অন্যদিকে, আকন কুদ্দুস বলেন, ‘স্বপনই মাদক ব্যবসায়ী তৈরি করেছেন, তিনিই গডফাদার বানিয়েছেন। ওনার লোক পৌর বিএনপিতে চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কৃত। স্বপন যদি ওয়ান ইলেভেনে জড়িত না থাকেন, তাহলে এত বছর দলের বাইরে ছিলেন কেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বপনের লোকজন লাখ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছে। তিনি রাজনৈতিকভাবে চতুর্দিকে ঘেরা একজন মানুষ, পাগলের প্রলাপই বকবেন। ধানের শীষের সঙ্গে বেইমানি করলে কেউ দলে টিকবে না।’
স্থানীয় রাজনীতিবিদদের মতে, গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দ্রুত নিরসন না হলে নির্বাচনে তা দলের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
৯ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও চারটি গুলিসহ মো. জহির মোল্লা (৪২) নামের এক ভুয়া সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের বসুনরসিংহদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
১ ঘণ্টা আগে