Ajker Patrika

কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ: পলাতক পরিচালকের স্ত্রীসহ তিন নারী রিমান্ড শেষে কারাগারে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
কেরানীগঞ্জে হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত মাদ্রাসা। ছবি: সংগৃহীত
কেরানীগঞ্জে হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত মাদ্রাসা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার কেরানীগঞ্জে হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ এবং সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার তিন নারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ আজ বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো তিনজন হলেন মাদ্রাসার পলাতক পরিচালক শেখ আল আমিনের স্ত্রী আছিয়া বেগম এবং ইয়াসমিন আক্তার ও আসমানী খাতুন ওরফে আসমা।

তিন দিনের রিমান্ড শেষে আজ এই তিন আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এ সময় তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউজিং এলাকার ওই মাদ্রাসায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এতে বিধ্বস্ত হয় ভবনটি।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট ও র‍্যাব টানা দুই দিন অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৯টি তাজা ককটেল, ৪০০ লিটার তরল রাসায়নিক (হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, নাইট্রিক অ্যাসিড, এসিটোন), ল্যাপটপ ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই ইসলাম লিটন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।

ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন পলাতক রয়েছেন। ২৭ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওই তিন আসামিকে। পরদিন তাঁদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

সেদিন আরও তিন আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তাঁরা হলেন শাহিন ওরফে আবু বকর ওরফে মুসা ওরফে ডিবা সুলতান, মো. আমিনুর ওরফে দরজি আমিন ও মো. শাফিয়ার রহমান ফকির।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত