
যশোরের অভয়নগরে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবককে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তাঁদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন অভয়নগর উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের ধুলগ্রামের রিয়াজ সরদার ওরফে সূর্য সরদার (২৮), একই গ্রামের শাকিল সরদার (২৫) ও শুভরাড়া ইউনিয়নের ইছামতি গ্রামের রবিউল মোল্যা (২৩)।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রামবাসীর উদ্যোগে গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে পেরুলী-ধুলগ্রাম সড়কে গণপাহারা চলছিল। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে দুজন আরোহীর দেহ তল্লাশি করতে গেলে তাঁদের একজন একটি পিস্তল দেখিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।
পরে ইছামতি গ্রামের রবিউল মোটরসাইকেল আরোহী দুজনের পক্ষ নিলে তিনজনকেই গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ সময় তাঁদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে ওসি এস এম নুরুজ্জামান বলেন, শুভরাড়া ইউনিয়ন থেকে একটি বিদেশি ৯ এমএম পিস্তল, ৬ রাউন্ড গুলি, একটি খালি ম্যাগাজিনসহ তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। আটক তিনজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
১ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
১ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
১ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
১ ঘণ্টা আগে