ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকার বিটাক মোড়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির (বুটেক্স) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের শমরিতা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
রোববার (২৪ নভেম্বর) রাত ১০টা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বুটেক্স হলে মিছিল নিয়ে প্রবেশ করানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ঢাকা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা। বিকেলে এবং সন্ধ্যায় এ নিয়ে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। রাতে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঢাকা পলিটেকনিকের আরাফাত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, রোববার বিকেল ও সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের নেতাদের বুটেক্স হলে আনন্দ মিছিলের মতো করে প্রবেশ করানো হয়। ঢাকা পলিটেকনিকের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করে। এ নিয়ে বুটেক্সের শিক্ষার্থীরা চড়াও হয়।
তবে বুটেক্সের শিক্ষার্থীরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সীমান্ত নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই ঢাকা পলিটেকনিকের এক দল শিক্ষার্থী রাতে বুটেক্সের শহীদ আজীজ হলে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী স্টাইলে হামলা চালায়। তারা ছাত্রদলের সমর্থক বলে জানতে পেরেছি। তারা দীর্ঘদিন ধরে হলে প্রবেশ করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছিল। সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধে এত দিন পারেনি। হলকে রাজনৈতিক মুক্ত রাখার চেষ্টা করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাই তাঁরা সংঘবদ্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়েছে।’
সরেজমিনে দেখা গেছে, দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নাবিস্কো ৭ রাস্তা এলাকায় যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। শমরিতা হাসপাতালের সামনে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সামনে শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের কয়েক শ সদস্য সেখানে দুই পক্ষের মাঝে অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাত ১২টার দিকে আলোচনায় বসে সেনাবাহিনী। তাঁদের বুঝিয়ে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী শামীমুর রহমান বলেন, দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিক্ষকদের ডাকা হয়েছে, তাঁরাও শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, তেজগাঁও থেকে মারামারির ঘটনায় প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে এসেছে। সবাই জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—ইমন (২৪), উৎসব (২৪), আজাদ (২৪), বুলবুল (২৪), প্রাশান্ত (২৪), শিশির (২৪), তৌফিক (২২), রুদ্র (২৩), আনান (১৮), জুনায়েদ (২৪), সমিক (২৪), ইমন (২০), রাকিব (২০), নাহিদ (২৩), ইমন (২৩), প্রবাল (২২), রমজান (২২), মো. মিঠুন (২১), ইমরান (২১), নাদিম (২০), ফাহাদ (১৯), খালেক (১৯), সোহান (২২), আমিন (২২), রিফাত বিশ্বাস (১৮), তপু (২০), মেহেদী (২১), প্রার্থ (২৪) ও হাসান (১৮)।

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকার বিটাক মোড়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির (বুটেক্স) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের শমরিতা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
রোববার (২৪ নভেম্বর) রাত ১০টা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বুটেক্স হলে মিছিল নিয়ে প্রবেশ করানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ঢাকা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা। বিকেলে এবং সন্ধ্যায় এ নিয়ে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। রাতে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঢাকা পলিটেকনিকের আরাফাত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, রোববার বিকেল ও সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের নেতাদের বুটেক্স হলে আনন্দ মিছিলের মতো করে প্রবেশ করানো হয়। ঢাকা পলিটেকনিকের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করে। এ নিয়ে বুটেক্সের শিক্ষার্থীরা চড়াও হয়।
তবে বুটেক্সের শিক্ষার্থীরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সীমান্ত নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই ঢাকা পলিটেকনিকের এক দল শিক্ষার্থী রাতে বুটেক্সের শহীদ আজীজ হলে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী স্টাইলে হামলা চালায়। তারা ছাত্রদলের সমর্থক বলে জানতে পেরেছি। তারা দীর্ঘদিন ধরে হলে প্রবেশ করে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছিল। সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধে এত দিন পারেনি। হলকে রাজনৈতিক মুক্ত রাখার চেষ্টা করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাই তাঁরা সংঘবদ্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়েছে।’
সরেজমিনে দেখা গেছে, দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নাবিস্কো ৭ রাস্তা এলাকায় যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। শমরিতা হাসপাতালের সামনে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সামনে শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের কয়েক শ সদস্য সেখানে দুই পক্ষের মাঝে অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাত ১২টার দিকে আলোচনায় বসে সেনাবাহিনী। তাঁদের বুঝিয়ে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী শামীমুর রহমান বলেন, দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিক্ষকদের ডাকা হয়েছে, তাঁরাও শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন।
এদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, তেজগাঁও থেকে মারামারির ঘটনায় প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে এসেছে। সবাই জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—ইমন (২৪), উৎসব (২৪), আজাদ (২৪), বুলবুল (২৪), প্রাশান্ত (২৪), শিশির (২৪), তৌফিক (২২), রুদ্র (২৩), আনান (১৮), জুনায়েদ (২৪), সমিক (২৪), ইমন (২০), রাকিব (২০), নাহিদ (২৩), ইমন (২৩), প্রবাল (২২), রমজান (২২), মো. মিঠুন (২১), ইমরান (২১), নাদিম (২০), ফাহাদ (১৯), খালেক (১৯), সোহান (২২), আমিন (২২), রিফাত বিশ্বাস (১৮), তপু (২০), মেহেদী (২১), প্রার্থ (২৪) ও হাসান (১৮)।

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৫ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৫ ঘণ্টা আগে