
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পূজা দেখতে বেরিয়ে এক গারো তরুণী (১৬) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই তরুণী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার জুগলী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন সকাল ১০টার দিকে পূজা দেখার জন্য মোবাইল ফোনে কল করে বাড়ি থেকে ডেকে নেন মিলন নামের এক যুবক।
মিলন নয়াপাড়া এলাকার আজিজুল ইসলামের ছেলে।
সারা দিন পূজা দেখিয়ে রাতে অটোরিকশায় তুলে দিলে একই এলাকার অটোচালক আবুল বাশার তাঁকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
বাশার পরে রাত ১১টার দিকে ওই ইউনিয়নের গামারিতলা মোড়ে তরুণীকে ফেলে চলে যান। ভুক্তভোগী তরুণী বাড়ি গিয়ে ঘটনা জানালে থানা-পুলিশের সহায়তা নেয় পরিবার।
ভুক্তভোগী তরুণীর মা বলেন, ‘মিলন আমার মেয়ের পূর্বপরিচিত। পূজা দেখার জন্য মেয়েকে সে ডেকে আনে। পরে অটোরিকশায় জোর করে তুলে দিলে এ ঘটনা ঘটে। আমরা এর বিচার চাই।’
হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুণ বলেন, এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আপাতত একজনকে আসামি করা হচ্ছে। অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়েছে। তদন্তে আরও কারও সংশ্লিষ্টতা পেলে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে