নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাবেক মন্ত্রী ও ফরিদপুর–৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সাবেক শ্বশুর। আজ রোববার মামলাটি দায়ের করা হয়। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, ‘সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামে ৩৫ কোটি ১৮ লাখ কোটি ৭৯ হাজার ৭৭ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। বিপুল এই সম্পদ তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।’
তিনি জানান, এ ছাড়া ১৫টি ব্যাংক হিসাবে ৯৯ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৮৪২ টাকা ও ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৬ মার্কিন ডলার লেনদেন করেছেন। এই লেনদেন কে অস্বাভাবিক বলছে দুদক।
মামলার এজাহারে সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন—২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন—২০১২ এর ৪ (২) (৩) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ এই তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর–৩ সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০৯ প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী হন। পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফকে সরিয়ে তাঁকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী করা হয়।
২০২২ সালে ৯ মার্চ দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি মোশাররফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই মামলায় ২০২০ সাল থেকে মোশাররফ হোসেনের দুই সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলও কারাগারে রয়েছেন আটক করে পুলিশ।
গত বছরের ২১ অক্টোবর বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রায় সাত মাস পর সংস্থাটির অনুসন্ধান শেষে মামলা করেছে সংস্থাটি। তিনি ২০২২ থেকে সুইজারল্যান্ডে বসবাস করছেন।

সাবেক মন্ত্রী ও ফরিদপুর–৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সাবেক শ্বশুর। আজ রোববার মামলাটি দায়ের করা হয়। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, ‘সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামে ৩৫ কোটি ১৮ লাখ কোটি ৭৯ হাজার ৭৭ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। বিপুল এই সম্পদ তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ।’
তিনি জানান, এ ছাড়া ১৫টি ব্যাংক হিসাবে ৯৯ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৮৪২ টাকা ও ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৬ মার্কিন ডলার লেনদেন করেছেন। এই লেনদেন কে অস্বাভাবিক বলছে দুদক।
মামলার এজাহারে সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন—২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন—২০১২ এর ৪ (২) (৩) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ এই তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর–৩ সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০৯ প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী হন। পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফকে সরিয়ে তাঁকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী করা হয়।
২০২২ সালে ৯ মার্চ দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামি মোশাররফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই মামলায় ২০২০ সাল থেকে মোশাররফ হোসেনের দুই সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেলও কারাগারে রয়েছেন আটক করে পুলিশ।
গত বছরের ২১ অক্টোবর বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রায় সাত মাস পর সংস্থাটির অনুসন্ধান শেষে মামলা করেছে সংস্থাটি। তিনি ২০২২ থেকে সুইজারল্যান্ডে বসবাস করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪৩ মিনিট আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে