নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর শিশুমেলা সড়কে জুলাই-আগস্টে আহতদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় এক বৃদ্ধ গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। আজ রোববার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে বেলা ১১টা থেকে পঙ্গু হাসপাতাল ও চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা সাত দফা দাবিতে শিশুমেলা সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এক বৃদ্ধ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করতে থাকেন। এরপরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা তাঁকে জেরা করতে শুরু করেন।
তাঁদের তোপের মুখে ওই বৃদ্ধ পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাঁকে ধরে ফেলেন এবং গণপিটুনি দিয়ে পুলিশ হাতে তুলে দেন।
শেরেবাংলা থানার ওসি আব্দুল আহাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তিনি জয় বাংলা স্লোগান কেন দিলেন, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

জুলাই-আগস্টের ঘটনায় আহতরা পুনর্বাসন, চিকিৎসা ও বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছেন। এর আগে গতকাল শনিবার রাতে তাঁরা পঙ্গু হাসপাতালের সামনের সড়কে অবস্থান নেন।
তাঁদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
১. আহত ও শহীদদের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের পূর্ণাঙ্গ বিচার করতে হবে।
২. বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুসারীদের সরকারি পদ থেকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩. আহতদের জন্য যথাযথ ক্যাটাগরি নির্ধারণ করতে হবে।
৪. আহতদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৫. তাদের চিকিৎসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. আহত ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও আইনি সুরক্ষা দিতে হবে।
৭. আহতদের আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের দাবিগুলো মানা না হলে তাঁরা কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন।

রাজধানীর শিশুমেলা সড়কে জুলাই-আগস্টে আহতদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় এক বৃদ্ধ গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। আজ রোববার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে বেলা ১১টা থেকে পঙ্গু হাসপাতাল ও চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা সাত দফা দাবিতে শিশুমেলা সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এক বৃদ্ধ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করতে থাকেন। এরপরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা তাঁকে জেরা করতে শুরু করেন।
তাঁদের তোপের মুখে ওই বৃদ্ধ পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাঁকে ধরে ফেলেন এবং গণপিটুনি দিয়ে পুলিশ হাতে তুলে দেন।
শেরেবাংলা থানার ওসি আব্দুল আহাদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তিনি জয় বাংলা স্লোগান কেন দিলেন, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

জুলাই-আগস্টের ঘটনায় আহতরা পুনর্বাসন, চিকিৎসা ও বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছেন। এর আগে গতকাল শনিবার রাতে তাঁরা পঙ্গু হাসপাতালের সামনের সড়কে অবস্থান নেন।
তাঁদের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
১. আহত ও শহীদদের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের পূর্ণাঙ্গ বিচার করতে হবে।
২. বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অনুসারীদের সরকারি পদ থেকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩. আহতদের জন্য যথাযথ ক্যাটাগরি নির্ধারণ করতে হবে।
৪. আহতদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৫. তাদের চিকিৎসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. আহত ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও আইনি সুরক্ষা দিতে হবে।
৭. আহতদের আর্থিক অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের দাবিগুলো মানা না হলে তাঁরা কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৫ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৫ ঘণ্টা আগে