ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

বাইক রাখাকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জের ঘিওর থানার ডিউটি অফিসার ও নারী কনস্টেবলকে কটূক্তির ঘটনায় বিএনপির ৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ শুক্রবার ঘিওর থানার এএসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কোহিনুর বলেন, থানা প্রাঙ্গণ প্রশাসনিক এলাকা। এখানে শত শত মোটরসাইকেল ঢোকানো নিয়মবহির্ভূত। পুলিশ সদস্যকে হেনস্তা করার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আসামিরা হলেন খন্দকার বিল্টু, জি এম সেলিম, উজ্জল, মীর কাউসার, হারেজ, রফিকুল ইসলাম পিন্টু, রাজু, সামিউল আলম বিল্টু, শহিদুল ইসলাম। তাঁরা সবাই জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর অনুসারী এবং ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের পদধারী নেতা ও সক্রিয় কর্মী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর অনুসারী মীর কাউসার (ঘিওর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক) ও মো. সেলিম মিয়া সহ (রাজধানীর তেজগাঁও থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক) ২০-৩০ জন নেতা-কর্মী বিজয়া দশমীর অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। ভিড়ের কারণে গাড়ি পার্কিংয়ে সমস্যা হলে থানার পাশে গাড়ি রাখার চেষ্টা করেন তাঁরা।
তখন থানায় দায়িত্বে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) থানার ভেতরে মোটরসাইকেল রাখতে নিষেধ করলে তাঁকে কটূক্তি করেন ঘিওর মীর কাউসার। এরপর ওই নারী কনস্টেবল থানায় ডিউটি অফিসার এএসআই রফিককে বিষয়টি জানান। ডিউটি অফিসার বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন এবং থানার ভেতরে মোটরসাইকেল না রাখতে অনুরোধ করেন।
দ্বিতীয় দফায় বাবলুর অনুসারী মীর কাউসার থানার ডিউটি অফিসার রফিক এবং নারী কনস্টেবলকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এ সময় জেলা বিএনপির নেতা খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
জানতে চাইলে বাদী এএসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ করে বহু মোটরসাইকেল নিয়ে থানার ভেতরে প্রবেশ করা হয়। আমি নিষেধ করলে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং আমার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু বলেন, ‘আমরা পূজার মেলায় যোগ দিতে গিয়েছিলাম। আমি থানার ভেতরে ছিলাম না, আমার গাড়ি বাইরে ছিল। পুলিশের কাছে আমার নেতা-কর্মীরা হেনস্তার শিকার হয়েছে। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হয়তো পুলিশের এএসআই রফিকের কথা-কাটাকাটি হতে পারে, লাঞ্ছিত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। ভিড়ের কারণে থানার ভেতরে গাড়ি রাখার কথা এসআই মাসুদ রানা বলেছিলেন। কিন্তু এ সময় এএসআই রফিকুল ইসলাম হঠাৎ বাধা দেন এবং উত্তেজিত হয়ে আমাদের কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করেছেন।’
ঘিওর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর কাউসার বলেন, ‘এসআই মাসুদ রানা অনুমতি দেওয়ার পর গাড়ি থানার ভেতরে ঢোকাতে গেলে এএসআই রফিকুল ইসলাম গেট বন্ধ করে দেন এবং আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। পরে ওসিকে জানাতে গেলেও তিনি ব্যস্ত থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।’
অন্যদিকে এসআই মাসুদ রানা বলেন, ‘মেলার ভেতরে গাড়ি ও মোটরসাইকেল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। পরে সেলিম মিয়াকে গাড়িটি পাবলিক লাইব্রেরির সামনে রাখতে বলেছিলাম। কিন্তু তাঁরা হয়তো থানার ভেতরে রাখতে গিয়েছিলেন। তখন এএসআই রফিকুল নিষেধ করায় সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়।’
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) সাদিয়া সাবরিনা চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বাইক রাখাকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জের ঘিওর থানার ডিউটি অফিসার ও নারী কনস্টেবলকে কটূক্তির ঘটনায় বিএনপির ৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ শুক্রবার ঘিওর থানার এএসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কোহিনুর বলেন, থানা প্রাঙ্গণ প্রশাসনিক এলাকা। এখানে শত শত মোটরসাইকেল ঢোকানো নিয়মবহির্ভূত। পুলিশ সদস্যকে হেনস্তা করার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আসামিরা হলেন খন্দকার বিল্টু, জি এম সেলিম, উজ্জল, মীর কাউসার, হারেজ, রফিকুল ইসলাম পিন্টু, রাজু, সামিউল আলম বিল্টু, শহিদুল ইসলাম। তাঁরা সবাই জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর অনুসারী এবং ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের পদধারী নেতা ও সক্রিয় কর্মী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর অনুসারী মীর কাউসার (ঘিওর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক) ও মো. সেলিম মিয়া সহ (রাজধানীর তেজগাঁও থানা কৃষক দলের আহ্বায়ক) ২০-৩০ জন নেতা-কর্মী বিজয়া দশমীর অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। ভিড়ের কারণে গাড়ি পার্কিংয়ে সমস্যা হলে থানার পাশে গাড়ি রাখার চেষ্টা করেন তাঁরা।
তখন থানায় দায়িত্বে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য (কনস্টেবল) থানার ভেতরে মোটরসাইকেল রাখতে নিষেধ করলে তাঁকে কটূক্তি করেন ঘিওর মীর কাউসার। এরপর ওই নারী কনস্টেবল থানায় ডিউটি অফিসার এএসআই রফিককে বিষয়টি জানান। ডিউটি অফিসার বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন এবং থানার ভেতরে মোটরসাইকেল না রাখতে অনুরোধ করেন।
দ্বিতীয় দফায় বাবলুর অনুসারী মীর কাউসার থানার ডিউটি অফিসার রফিক এবং নারী কনস্টেবলকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এ সময় জেলা বিএনপির নেতা খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
জানতে চাইলে বাদী এএসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দায়িত্ব পালন করছিলাম। হঠাৎ করে বহু মোটরসাইকেল নিয়ে থানার ভেতরে প্রবেশ করা হয়। আমি নিষেধ করলে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং আমার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু বলেন, ‘আমরা পূজার মেলায় যোগ দিতে গিয়েছিলাম। আমি থানার ভেতরে ছিলাম না, আমার গাড়ি বাইরে ছিল। পুলিশের কাছে আমার নেতা-কর্মীরা হেনস্তার শিকার হয়েছে। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে হয়তো পুলিশের এএসআই রফিকের কথা-কাটাকাটি হতে পারে, লাঞ্ছিত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে। ভিড়ের কারণে থানার ভেতরে গাড়ি রাখার কথা এসআই মাসুদ রানা বলেছিলেন। কিন্তু এ সময় এএসআই রফিকুল ইসলাম হঠাৎ বাধা দেন এবং উত্তেজিত হয়ে আমাদের কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করেছেন।’
ঘিওর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর কাউসার বলেন, ‘এসআই মাসুদ রানা অনুমতি দেওয়ার পর গাড়ি থানার ভেতরে ঢোকাতে গেলে এএসআই রফিকুল ইসলাম গেট বন্ধ করে দেন এবং আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। পরে ওসিকে জানাতে গেলেও তিনি ব্যস্ত থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।’
অন্যদিকে এসআই মাসুদ রানা বলেন, ‘মেলার ভেতরে গাড়ি ও মোটরসাইকেল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। পরে সেলিম মিয়াকে গাড়িটি পাবলিক লাইব্রেরির সামনে রাখতে বলেছিলাম। কিন্তু তাঁরা হয়তো থানার ভেতরে রাখতে গিয়েছিলেন। তখন এএসআই রফিকুল নিষেধ করায় সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়।’
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিবালয় সার্কেল) সাদিয়া সাবরিনা চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

প্রায় ৯০ বছর বয়সী এই অসহায় বৃদ্ধা বসবাস করেন নেছারাবাদ উপজেলার কামারকাঠি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে। কামারকাঠি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর পাড়ঘেঁষা একটি ছোট, জীর্ণ ঘরই তাঁর একমাত্র আশ্রয়। নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বৃষ্টি ও বন্যার দিনে দুর্ভোগ যেন আরও বেড়ে যায়। জীবনের শেষ বয়সে তাঁর ভরসা বলতে একমাত্র ছেলে।
৪৪ মিনিট আগে
ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস ও লাইসেন্স দেওয়ার নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাসনগরে সোমেশ্বরী নদীর ওপর গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দুই বছর আগে। এখন পর্যন্ত সেতুর খুঁটি (পিলার) নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কাজ আর হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
ইটভাটার আগ্রাসনে চাঁদপুরে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি ক্রমে কমছে। প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভাটাগুলো চালুর সময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে কাটা হয় কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি। এতে জমির উৎপাদনক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিচু হয়ে যাচ্ছে মাটির স্তর।
৭ ঘণ্টা আগে