
সিলেটের কানাইঘাটের ডোনা সীমান্তে ভারতীয় অংশে বাংলাদেশি এক যুবকের লাশ ২৪ ঘণ্টা ধরে পড়ে আছে। তিনি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার সময় আরও চারজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ওই সীমান্তের ১৩৩৯ নম্বর পিলারের কাছে গুলিতে তিনি মারা যান বলে স্থানীয়রা জানান।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লাশ সীমান্তে পড়ে ছিল বলে জানা গেছে।
নিহত আব্দুর রহমান (৪০) কানাইঘাট উপজেলার আটগ্রাম বড়চাতল (বাকুরি) গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন শুক্রবার বিকেলে চোরাচালানের মহিষ আনতে ডোনা সীমান্তের ওই এলাকায় যান।
এ সময় বিএসএফ জওয়ানরা তাঁদের লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলেই আব্দুর রহমান মারা যান। ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তাঁর লাশ এখনো সীমান্ত এলাকায় পড়ে আছে।
কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘আজকে আমরা এক যুবকের লাশ সীমান্তে পরে থাকার খবর পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। বিজিবি ও বিএসএফের মাধ্যমে লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
অপরদিকে উপজেলার ১ নম্বর পূর্ব লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা হলেন জামিল আহমদ, হুসেন আহমদ, আয়নুল হক ও জুমিল আহমদ। আহত ব্যক্তিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা ও ব্যানারে ঘরবাড়ি সাজানোর দৃশ্য নতুন কিছু নয়। তবে এবার সেই উন্মাদনাকে এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পরিবহন ব্যবসায়ী ও ‘মাকসিম ট্রাভেলস’-এর স্বত্বাধিকারী গোলাম কিবরিয়া মাকসিম।
৩০ মিনিট আগে
জামালপুর থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে, লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধার করতে যাওয়ার পথে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তাঁর নিজ কর্মস্থল এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থান করা বাধ্যতামূলক। অথচ নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ইমরান হোসেন ঢাকার সাভারে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। ফলে প্রতিদিন এসব সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বছরের পর বছর ভোগান্তি চললেও সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে...
১ ঘণ্টা আগে