হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব ভাদৈ এলাকায় খোয়াই নদের বাঁধে ফের ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বাঁধে এমন ধস নামায় চরম আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি ক্ষোভও বাড়ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই স্থানে ভাঙন দেখা দিলেও নেওয়া হয়নি কোনো কার্যকর স্থায়ী পদক্ষেপ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরও একই এলাকায় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছিল। বিষয়টি একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলেও তারা কেবল সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে দায় শেষ করেছে। চলতি বছরও একই জায়গায় নতুন করে ভাঙন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আশপাশের কয়েকটি গ্রাম এবং মাছ চাষের ঘের পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে।
পূর্ব ভাদৈ গ্রামের বাসিন্দা আবদুল খালেক বলেন, ‘গতবারও আমরা এমন দুর্ভোগে পড়েছিলাম। এবারও যদি সময়মতো বাঁধ মেরামত না করা হয়, তাহলে আমাদের জমি-ঘর সব চলে যাবে পানির নিচে। আগেই যদি স্থায়ীভাবে কাজ হতো, তাহলে আজ এই বিপদে পড়তে হতো না।’

৫ নম্বর গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পূর্ব ভাদৈ বাঁধটি প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে ভাঙে। এ বছর যে ঠিকাদারেরা কাজ পেয়েছেন, তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ সম্পর্কে একেবারেই অনভিজ্ঞ। হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির কিছু নেতা প্রভাব খাটিয়ে এই কাজ আদায় করেছেন, যার কারণে আজ এলাকাবাসী দুর্ভোগে পড়েছে।’
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মতো মেরামতের কাজ শুরু না হলে আসন্ন বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলে বড় ধরনের দুর্যোগ নেমে আসতে পারে।
বাঁধ সংস্কার বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হবিগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম হাসনাত মাহমুদ বলেন, ‘বাঁধটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ একটি বড় আকারের নৌকা ভৈরব থেকে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে নদে পানি কম থাকায় নৌকাটি এখনো পৌঁছায়নি। আশা করছি, আজ বা আগামীকাল সকালেই পৌঁছাবে এবং মেরামত কাজ দ্রুত শুরু হবে।’
তিনি জানান, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে ভাঙনের স্থানে ইতিমধ্যে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে, যাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি না ঘটে। তবে স্থায়ী সমাধানে কিছুটা সময় লাগবে।
এলাকাবাসীর একটাই দাবি, দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকা রক্ষা করা হোক।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব ভাদৈ এলাকায় খোয়াই নদের বাঁধে ফের ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই বাঁধে এমন ধস নামায় চরম আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি ক্ষোভও বাড়ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই স্থানে ভাঙন দেখা দিলেও নেওয়া হয়নি কোনো কার্যকর স্থায়ী পদক্ষেপ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরও একই এলাকায় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছিল। বিষয়টি একাধিকবার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হলেও তারা কেবল সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে দায় শেষ করেছে। চলতি বছরও একই জায়গায় নতুন করে ভাঙন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আশপাশের কয়েকটি গ্রাম এবং মাছ চাষের ঘের পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে।
পূর্ব ভাদৈ গ্রামের বাসিন্দা আবদুল খালেক বলেন, ‘গতবারও আমরা এমন দুর্ভোগে পড়েছিলাম। এবারও যদি সময়মতো বাঁধ মেরামত না করা হয়, তাহলে আমাদের জমি-ঘর সব চলে যাবে পানির নিচে। আগেই যদি স্থায়ীভাবে কাজ হতো, তাহলে আজ এই বিপদে পড়তে হতো না।’

৫ নম্বর গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পূর্ব ভাদৈ বাঁধটি প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে ভাঙে। এ বছর যে ঠিকাদারেরা কাজ পেয়েছেন, তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ সম্পর্কে একেবারেই অনভিজ্ঞ। হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির কিছু নেতা প্রভাব খাটিয়ে এই কাজ আদায় করেছেন, যার কারণে আজ এলাকাবাসী দুর্ভোগে পড়েছে।’
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মতো মেরামতের কাজ শুরু না হলে আসন্ন বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলে বড় ধরনের দুর্যোগ নেমে আসতে পারে।
বাঁধ সংস্কার বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হবিগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম হাসনাত মাহমুদ বলেন, ‘বাঁধটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ একটি বড় আকারের নৌকা ভৈরব থেকে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে নদে পানি কম থাকায় নৌকাটি এখনো পৌঁছায়নি। আশা করছি, আজ বা আগামীকাল সকালেই পৌঁছাবে এবং মেরামত কাজ দ্রুত শুরু হবে।’
তিনি জানান, আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসেবে ভাঙনের স্থানে ইতিমধ্যে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে, যাতে পরিস্থিতির আরও অবনতি না ঘটে। তবে স্থায়ী সমাধানে কিছুটা সময় লাগবে।
এলাকাবাসীর একটাই দাবি, দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবিকা রক্ষা করা হোক।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে