ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব কাশেম পাপ্পুসহ অটোরিকশা চোর চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে চোরাই অটোরিকশার বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ মে) বিকেলে তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল। বৃহস্পতিবার (৮ মে) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—পৌর এলাকার কাঁটাবাড়ি গ্রামের মন্টু মিঞার ছেলে রাশেদ হোসেন ওরফে রাসেল, তেঁতুলিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে কাশেম পাপ্পু, বারোকোনা গ্রামের জবেদুল ইসলামের ছেলে মো. সেলিম, তেঁতুলিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে সামিউল আলম রতন। তাঁদের মধ্যে কাশেম পাপ্পু পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জিয়াবুর রহমান বলেন, ‘ব্যক্তির জন্য দলের সুনাম নষ্ট হতে দেওয়া হবে না। কাশেম পাপ্পু যে কাজ করেছে, তার বিষয়টি জেলা সভাপতি ও সম্পাদক অবগত রয়েছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল জানান, ৪ মে পৌর এলাকার কাঁটাবাড়ি বাংলা স্কুলের সামনে থেকে অটোরিকশাচালককে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে বিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ শাহাবাজপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শাহিন রানা ৬ জনের নামে ফুলবাড়ী থানায় মামলা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ইজিবাইকের ৬টি ব্যাটারিসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক অনেক অভিযোগ রয়েছে।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব কাশেম পাপ্পুসহ অটোরিকশা চোর চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে চোরাই অটোরিকশার বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ মে) বিকেলে তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল। বৃহস্পতিবার (৮ মে) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—পৌর এলাকার কাঁটাবাড়ি গ্রামের মন্টু মিঞার ছেলে রাশেদ হোসেন ওরফে রাসেল, তেঁতুলিয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে কাশেম পাপ্পু, বারোকোনা গ্রামের জবেদুল ইসলামের ছেলে মো. সেলিম, তেঁতুলিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে সামিউল আলম রতন। তাঁদের মধ্যে কাশেম পাপ্পু পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জিয়াবুর রহমান বলেন, ‘ব্যক্তির জন্য দলের সুনাম নষ্ট হতে দেওয়া হবে না। কাশেম পাপ্পু যে কাজ করেছে, তার বিষয়টি জেলা সভাপতি ও সম্পাদক অবগত রয়েছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল জানান, ৪ মে পৌর এলাকার কাঁটাবাড়ি বাংলা স্কুলের সামনে থেকে অটোরিকশাচালককে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে বিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ শাহাবাজপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শাহিন রানা ৬ জনের নামে ফুলবাড়ী থানায় মামলা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ইজিবাইকের ৬টি ব্যাটারিসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক অনেক অভিযোগ রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে