আব্দুল বাশির, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে খাটে করে কাঁধে তুলে দুই কিলোমিটার কাদাপথ পাড়ি দিতে হয়। পায়ে হেঁটে, হাঁটু পর্যন্ত কাদা মাড়িয়ে যেতে হয় হাসপাতালে কিংবা ক্লিনিকে। এমন দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামীণ সড়কে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কসবার হাটখোলা বাজার থেকে পাইকড়া পর্যন্ত এই সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। গত ১০ বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা এমপি-চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির কাছে ধরনা দিয়েও আশ্বাস ছাড়া কিছুই পাননি। এতে কসবা, পাইকড়া ও গোলাবাড়ী গ্রামের অন্তত ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে।
বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু সমান কাদা জমে। যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পথচারীরা লুঙ্গি বা প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে, হাতে স্যান্ডেল নিয়ে চলাচল করেন। স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বই-খাতা কাদায় নষ্ট হয়ে যায় প্রায়ই।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কসবা উজিরপুর দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল জব্বার বলেন, ‘আমি প্রতিদিন দেড় কিলোমিটার হাঁটুকাদা মাড়িয়ে স্কুলে যাই। পায়ে জুতা পরিবর্তন করি, অনেক সময় পোশাকও বদলাতে হয়। এটা খুবই লজ্জার বিষয়। এত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা—স্কুল, মাদ্রাসা, ক্লিনিক ও ভোটকেন্দ্র থাকার পরও কেন রাস্তা হচ্ছে না, বুঝে উঠতে পারছি না। ১০ বছর ধরে এমপি সাহেব বলছেন—আপনাদের রাস্তা এক নম্বরে আছে, কিন্তু আজও কাজ শুরু হয়নি।’
স্থানীয় কৃষক মো. আলাল আলী বলেন, ‘খোদা না খাস্তে কেউ অসুস্থ হলে খাট ছাড়া বের হওয়া সম্ভব না। এমন দুর্দশা। কসবা নামে ইউনিয়ন হলেও গ্রামে যেন কিছুই নেই। এমনকি কন্যার বিয়েও দিতে পারছি না এই রাস্তায় যাতায়াতের কষ্টের কারণে।’
স্থানীয়দের দাবি, রাস্তাটি পাকা না হলেও অন্তত চলাচলের উপযোগী করে তোলা হোক। তা না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে খাটে করে কাঁধে তুলে দুই কিলোমিটার কাদাপথ পাড়ি দিতে হয়। পায়ে হেঁটে, হাঁটু পর্যন্ত কাদা মাড়িয়ে যেতে হয় হাসপাতালে কিংবা ক্লিনিকে। এমন দুর্ভোগের বাস্তব চিত্র চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামীণ সড়কে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কসবার হাটখোলা বাজার থেকে পাইকড়া পর্যন্ত এই সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। গত ১০ বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা এমপি-চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির কাছে ধরনা দিয়েও আশ্বাস ছাড়া কিছুই পাননি। এতে কসবা, পাইকড়া ও গোলাবাড়ী গ্রামের অন্তত ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে।
বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু সমান কাদা জমে। যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পথচারীরা লুঙ্গি বা প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে, হাতে স্যান্ডেল নিয়ে চলাচল করেন। স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বই-খাতা কাদায় নষ্ট হয়ে যায় প্রায়ই।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কসবা উজিরপুর দরগা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল জব্বার বলেন, ‘আমি প্রতিদিন দেড় কিলোমিটার হাঁটুকাদা মাড়িয়ে স্কুলে যাই। পায়ে জুতা পরিবর্তন করি, অনেক সময় পোশাকও বদলাতে হয়। এটা খুবই লজ্জার বিষয়। এত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা—স্কুল, মাদ্রাসা, ক্লিনিক ও ভোটকেন্দ্র থাকার পরও কেন রাস্তা হচ্ছে না, বুঝে উঠতে পারছি না। ১০ বছর ধরে এমপি সাহেব বলছেন—আপনাদের রাস্তা এক নম্বরে আছে, কিন্তু আজও কাজ শুরু হয়নি।’
স্থানীয় কৃষক মো. আলাল আলী বলেন, ‘খোদা না খাস্তে কেউ অসুস্থ হলে খাট ছাড়া বের হওয়া সম্ভব না। এমন দুর্দশা। কসবা নামে ইউনিয়ন হলেও গ্রামে যেন কিছুই নেই। এমনকি কন্যার বিয়েও দিতে পারছি না এই রাস্তায় যাতায়াতের কষ্টের কারণে।’
স্থানীয়দের দাবি, রাস্তাটি পাকা না হলেও অন্তত চলাচলের উপযোগী করে তোলা হোক। তা না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

বরিশালে ওয়ার্কার্স পার্টির কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ঘরটির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে অফিসে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র তছনছ করা হয়। এ বিষয়ে আজই সংগঠনটির পক্ষ থেকে কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।
১৭ মিনিট আগে
বরিশালে বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়েছে। উৎসবের আমেজ না থাকলেও বইয়ের ঘ্রাণে শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক দেখা গেছে। বছরের প্রথম দিন শিশুরা বই পাওয়ায় অভিভাবকেরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
১৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের (১ নম্বর খাস খতিয়ান) একটি জমি বরাদ্দ দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি) কর্তৃপক্ষ। বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তি ওই জমিতে নির্মাণ করেন দোকান। বিষয়টি জানতে পেরে গতকাল বুধবার সেই স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয় জেলা প্রশাসন।
২৩ মিনিট আগে
কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য পানির উদ্দিন আহমেদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই আসনের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী আতিকুর রহমানের মনোনয়নপত্রও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে