মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ)

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়গুলোতে দাপ্তরিক কার্যক্রম ও পাঠদান—দুটোই মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজিতপুর উপজেলায় বর্তমানে ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক নেই, ৭৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য এবং ২৪টিতে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী নেই।
শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া কর্মরত শিক্ষকেরা বাৎসরিক ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, পিটিআই প্রশিক্ষণ এবং রিসোর্স সেন্টারের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করায় অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে। অনেক প্রধান শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক দিয়ে একাধিক শিফটে ক্লাস পরিচালনা করা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাঁদের সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও কার্যত শূন্য রয়েছে। এতে করে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩১টি।
পাশাপাশি ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় সহকারী শিক্ষক পদটি শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ ও পাঠদান স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন কাজে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, ‘সরকারি হিসাবে আমাদের উপজেলায় সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ ৭৪টি দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় ১৩১টি। কারণ বহু সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া শিক্ষক অসুস্থতা, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও নিয়মিত ছুটির কারণে অনেক বিদ্যালয়ে পাঠদান ও দাপ্তরিক কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’
সায়েম খান আরও বলেন, ‘সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সহকর্মীদের রোষানলে পড়তে হচ্ছে। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম কার্যত নামমাত্র পরিচালিত হচ্ছে। তাই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক স্বার্থে সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি শিগগির প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।’
এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক সংকটের বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ৭৫ জন্য সহকারী শিক্ষক দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। আশা করছি চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদগুলো পূরণ হবে। তখন এ সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।’
সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ‘বাজিতপুরে যোগদানের পর থেকে ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চোখে পড়ার মতো উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষক সংকট কাটিয়ে পাঠদানের গতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করছি।’

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়গুলোতে দাপ্তরিক কার্যক্রম ও পাঠদান—দুটোই মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজিতপুর উপজেলায় বর্তমানে ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক নেই, ৭৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য এবং ২৪টিতে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী নেই।
শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া কর্মরত শিক্ষকেরা বাৎসরিক ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, পিটিআই প্রশিক্ষণ এবং রিসোর্স সেন্টারের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করায় অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে। অনেক প্রধান শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক দিয়ে একাধিক শিফটে ক্লাস পরিচালনা করা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় তাঁদের সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও কার্যত শূন্য রয়েছে। এতে করে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩১টি।
পাশাপাশি ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় সহকারী শিক্ষক পদটি শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ ও পাঠদান স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন কাজে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, ‘সরকারি হিসাবে আমাদের উপজেলায় সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ ৭৪টি দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় ১৩১টি। কারণ বহু সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া শিক্ষক অসুস্থতা, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও নিয়মিত ছুটির কারণে অনেক বিদ্যালয়ে পাঠদান ও দাপ্তরিক কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’
সায়েম খান আরও বলেন, ‘সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সহকর্মীদের রোষানলে পড়তে হচ্ছে। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম কার্যত নামমাত্র পরিচালিত হচ্ছে। তাই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক স্বার্থে সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি শিগগির প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।’
এ বিষয়ে বাজিতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক সংকটের বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ৭৫ জন্য সহকারী শিক্ষক দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। আশা করছি চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদগুলো পূরণ হবে। তখন এ সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।’
সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ‘বাজিতপুরে যোগদানের পর থেকে ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চোখে পড়ার মতো উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষক সংকট কাটিয়ে পাঠদানের গতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করছি।’

উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১০ মিনিট আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
১৯ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ড্রামের ভেতর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যার আনুমানিক বয়স ৩০ থেকে ৩২ বছর বলে ধারণা করো হচ্ছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ গোদনাইল নয়াপাড়া এলাকার হৃদয়মনি স্কুল-সংলগ্ন জালকুড়ি সড়কের খালপাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করে।
২৬ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী সোহান বলেন, ‘তিন বছরের ভিসায় কিরগিজস্তানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনে টেক্সটাইল কারখানায় চাকরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমাকে দেওয়া হয় মাত্র দুই মাসের ভিসা। বিদেশে পৌঁছানোর পর কাগজপত্র নিয়ে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বাধ্য হয়ে আরও টাকা দিলে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। পরে দেশে ফিরে আসি।’
১ ঘণ্টা আগে