
সাতক্ষীরা দেবহাটার পুষ্পকাটি সেনাবাহিনীর হাতে তিন সমন্বয়ক আটক হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার পুষ্পকাটি গ্রামে ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানীর বাড়ি থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
আটক সমন্বয়কেরা হলেন দেবহাটা উপজেলার বহেরা গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে নাহিদ হাসান, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি গ্রামের আত্তাব মোল্যার ছেলে আব্দুর রহিম ও আশাশুনি উপজেলার আব্দুর রহমান।
ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী ও তাঁর ভাই আব্দুর রব জানান, আজ দুপুরে পাঁচজন তাঁর বাড়িতে ঢুকে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন গোলাম রব্বানীর বসতঘরে এবং দুজন আব্দুর রবের বসতঘরে ঢোকেন।
এ সময় আব্দুর রবের ঘরের দুজন অস্ত্র দেখিয়ে ঘরে থাকা ব্যবসার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান। অপর দিকে গোলাম রব্বানী ঘরের তিনজনকে আটকে রেখে সাতক্ষীরা সেনাক্যাম্পে খবর দিলে একটি ইউনিট এসে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত ৮.২০ মিনিট) ভুক্তভোগী ইউপি সদস্যের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
এদিকে দেবহাটা উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মুজাহিদ বিন ফিরোজ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময়ে রব্বানী মেম্বার বিভিন্ন অপকর্ম করেছেন। তাই জেলা সমন্বয়কেরা তাকে ধরতে যায়। তারা আমাকে জানালে আমি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। কিন্তু ওই বাড়ির লোকজন মিথ্যা অভিযোগ এনে সমন্বয়কদের ডাকাত বলে ফাঁসিয়ে দিয়েছে।’

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা ও ব্যানারে ঘরবাড়ি সাজানোর দৃশ্য নতুন কিছু নয়। তবে এবার সেই উন্মাদনাকে এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পরিবহন ব্যবসায়ী ও ‘মাকসিম ট্রাভেলস’-এর স্বত্বাধিকারী গোলাম কিবরিয়া মাকসিম।
১৫ মিনিট আগে
জামালপুর থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে, লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধার করতে যাওয়ার পথে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হয়েছে।
৪৩ মিনিট আগে
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তাঁর নিজ কর্মস্থল এলাকায় সার্বক্ষণিক অবস্থান করা বাধ্যতামূলক। অথচ নেত্রকোনার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ইমরান হোসেন ঢাকার সাভারে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। ফলে প্রতিদিন এসব সড়ক ব্যবহারকারী হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বছরের পর বছর ভোগান্তি চললেও সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে...
১ ঘণ্টা আগে