
নাটোরের লালপুর উপজেলা ভূমি অফিসে জানালার গ্রিল ভেঙে আবারও চুরির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জানালার গ্রিল ও তালা ভেঙে অফিসের কম্পিউটার, মনিটর, সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। একই অফিসে দুবার চুরির ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও—ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবীর হোসেন জানান, দুর্বৃত্তরা অফিসের পেছনের জানালার গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢোকে। ওই কক্ষ থেকে একটি অল-ইন-ওয়ান কম্পিউটার, সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআরসহ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে যায়। এতে অফিসের নিরাপত্তা নজরদারি ব্যবস্থা আংশিকভাবে অচল হয়ে পড়ে।
সহকারী কমিশনার বলেন, এরপর দুর্বৃত্তরা পাশের নাজির কক্ষের জানালার তালা ভেঙে বাইরে থেকে বাঁশের সঙ্গে হুক লাগিয়ে ভেতরে থাকা পিসি, মনিটরসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বের করে নেয়। সকালে অফিস খোলার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চুরির বিষয়টি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। চুরি হওয়া কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জামে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য বা ডেটা সংরক্ষিত ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, চুরির ঘটনায় আশপাশের বিভিন্ন স্থানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে একই অফিসে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। তখনো কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় চুরি হওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার কিংবা জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

গাইবান্ধায় এবার নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে ছাপরাঘরে কিংবা খোলা আকাশের নিচে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও কিছু বিদ্যালয় ঝুঁকিতে রয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচারে জালিয়াতির নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় গঠন করা তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মরত প্রায় ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে এসেছে।
৩৭ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধের চারটি পৃথক স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশে ধস দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে বাঁধে নতুন করে ৩৫ মিটার ধস সৃষ্টি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর দিকে একতলা ভবন। পূর্ব পাশে আরেকটি দোতলা ভবন। মাত্র ৫২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের কারণে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি ছোট হয়ে গেছে। গত সোমবার কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
১ ঘণ্টা আগে