
কক্সবাজারে ভারী বর্ষণের ফলে পৃথক তিনটি পাহাড় ধসের ঘটনায় নারী-শিশুসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে আটজন রোহিঙ্গা। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
রাত সোয়া ১টার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী ক্যাম্পের ডি-ব্লকে রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কামাল হোসাইন বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি এসে পড়ে। এতে কামাল হোসাইন ও তাঁর স্ত্রী হুমায়রা বেগম এবং ছেলে মোহাম্মদ আনাস মারা যান।
অন্যদিকে ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ি ঢলের চাপায় একরাম নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সর্বশেষ রাত ৩টার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি ১১ ব্লকে পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন উম্মে হাবিবা, তানজিনা আক্তার, মোহাম্মদ রিহান ও হারুনুর রশিদ।
অপর দিকে ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজার শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্তার ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে আলী আকবর নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় পাহাড়ে চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন। দ্রুত স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে। পরে আলী আকবরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং আরও দুই দিন ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর বাউফলে রমিজ মৃধা (৩৮) নামে এক যুবদল নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
বিভাগের এক শিক্ষার্থী নিশাত আনান বলেন, ‘আমাদের সবার মা-বাবা ও অভিভাবকেরা অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে অনুষ্ঠান শেষ করেই বাড়ি ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
১৭ মিনিট আগে
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে দায়িত্ব পালনকালে দুই সাংবাদিককে মারধর, আটকে রাখা এবং সংবাদ সংগ্রহের সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় মো. খায়রুজ্জামান (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের এক্সরে কক্ষের সামনে মেশিন বিকল থাকার কারণে সাময়িকভাবে সেবা বন্ধ থাকার কথা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি টাঙানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীরা বিজ্ঞপ্তি দেখে ফিরে যাচ্ছেন। এক্সরে প্রয়োজন এমন রোগীদের হাসপাতালের বাইরে গিয়ে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে