Ajker Patrika

পাইলটিংয়ের ফল ইতিবাচক হলে আগামী বছরের শুরুতে সারা দেশে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ববি হাজ্জাজ

রংপুর প্রতিনিধি
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৪০
পাইলটিংয়ের ফল ইতিবাচক হলে আগামী বছরের শুরুতে সারা দেশে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি: ববি হাজ্জাজ
আজ সকালে রংপুরে পিটিআই প্রশিক্ষণার্থীদের তৈরি মডেল বিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন প্রতিমন্ত্রী। ছবি: আজকের পত্রিকা

২০২৭ শিক্ষাবর্ষেই দেশব্যাপী স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তবে চলমান পাইলটিং কর্মসূচির ফলাফলে কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে কর্মসূচি শুরুর সময় কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে না হলেও ২০২৭ সালের মধ্যেই কর্মসূচি চালু করা হবে বলে জানান তিনি।

আজ রোববার (৩০ আগস্ট) রংপুরে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) প্রশিক্ষণার্থীদের তৈরি মডেল বিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সকাল ১১টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই দেশব্যাপী সব স্কুলে কর্মসূচিটি চালুর ব্যাপারে তাঁরা আশাবাদী। তবে বর্তমানে পাইলটিং কর্মসূচি চলমান থাকায় এর ফলাফলের ওপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। তিনি বলেন, পাইলটিং কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে আগামীকাল সোমবার দিনাজপুরে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পাইলটিং কর্মসূচির বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যাবে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে কর্মসূচি চালুর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাইলটিংয়ের ফলাফল ইতিবাচক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে। তবে পাইলটিংয়ে নতুন কোনো ত্রুটি বা সমস্যা পাওয়া গেলে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বছরের শুরুতে না হলেও ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই কর্মসূচি চালু করা হবে।

দেশে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষার্থী কমছে না বাড়ছে—এটি সরকারের মূল বিষয় নয়। সরকারের মূল দায়িত্ব হলো, প্রত্যেক শিশু যেন বিদ্যালয়ে যায় এবং সঠিক শিক্ষা লাভ করে তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ থাকলে সেই প্রতিষ্ঠান যেন মানসম্মত শিক্ষা দিতে সক্ষম হয়, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এ বিষয়ে সরকারের নজরদারি থাকবে।

সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সরাসরি সব ধরনের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়। সরকারের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিক সেবা পাচ্ছেন কি না, তা নিশ্চিত করা। কোনো ক্ষেত্রে অন্য কোনো ব্যবস্থায় সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে প্রয়োজনে সরকার নিজেই সেই সেবা প্রদান করবে। তিনি বলেন, জনগণের কাছে শিক্ষা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কোনো এলাকায় এর প্রয়োজন না থাকলে সেখানে সরকারি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তাও নেই।

তবে দুটি বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রত্যেক শিশুকে বিদ্যালয়ে যেতে হবে এবং প্রত্যেক বিদ্যালয়ে সঠিক শিক্ষা প্রদান করতে হবে।’

পরে তিনি পিটিআই প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মশালায় যোগ দেন। সেখানে ছয় ঘণ্টাব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত