ভোলায় স্ত্রীকে হত্যার ৭ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ভোলার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. মোক্তার হোসেন (৪০)। তিনি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ফুল কাচিয়া গ্রামের ডাক্তার বাড়ির মো. মহিজলের ছেলে।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি তৈয়বুর রহমান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামি মো. মোক্তার হোসেনের জমিজমা না থাকায় শ্বশুরবাড়িতে দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। তিনি পেশায় অটোচালক ছিলেন। মোক্তার হোসেন তাঁর স্ত্রীর ছোট বোনকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে স্ত্রী আফজুন বেগমের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হতো। ঘটনার আগের দিন ২০১৯ সালের ৩০ জুন বিকেলেও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে ওই দিন স্থানীয় চৌকিদারসহ মীমাংসায় বসলে মোক্তার হোসেন তাঁর স্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেন। পরে রাত ১১টার দিকে খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে মধ্যরাতে স্ত্রী আফজুন বেগমকে গলা টিপে হত্যা করে পালিয়ে যান মোক্তার হোসেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি তৈয়বুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ রায়ে বাদীসহ আমরা খুশি। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।
মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুর রহমান। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভোলার জজ আদালতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সুপেয় পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার স্থাপনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে বাগিয়ে নেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ড্রাফটসম্যান শাহিন আলম। এখন সেই প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।
৪২ মিনিট আগে
পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে লিখে যাচ্ছেন খাতায়। তাঁদের পাশে বসে লিখছেন আরেক শিক্ষার্থী কলি রানী। তাঁকে দেওয়া হয়েছে ছোট বেঞ্চ। আর সেখানে বসেই মনোযোগসহকারে পা দিয়ে উত্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে তীব্র ওষুধসংকট, জনবল ঘাটতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো। ফলে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১১ লাখ মানুষ এসব ক্লিনিক থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী।
২ ঘণ্টা আগে
আড়াই বছর ধরে থমকে রয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কৃষি যান্ত্রিকীকরণের প্রকল্প। গত ১১ মাস বেতন পাচ্ছেন না প্রকল্পটির ৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী। অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্পটির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের অসহযোগিতার কারণে টাকা থাকা সত্ত্বেও সারা দেশে এর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে