ঢাবি প্রতিনিধি

নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধের পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নওগাঁ জেলার শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া নওগাঁ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘নওগাঁ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’–এর ব্যানারে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে নওগাঁ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নোমান আহমেদ চৌধুরী বলেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে সরকার। এর ফলে বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার মান আরও নিচে নেমে আসতে পারে। নওগাঁর মানুষ যত দিন বেঁচে আছে, কোনোভাবেই এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেবে না।
নোমান আহমেদ বলেন, ‘নওগাঁর মাটি অনেক উর্বর। এখানে সবচেয়ে বেশি ধান ও আম উৎপাদন হয়। এই মেডিকেল বন্ধ হলে নওগাঁয় রক্তপাত হবে। নওগাঁ থেকে আপনারা সবকিছু নিয়ে আসবেন, কিন্তু কোনো সুযোগ-সুবিধা দেবেন না, এটা আমরা হতে দেব না। ৫ আগস্টের মাধ্যমে আমরা লড়াই করা শিখে গেছি। এর ফলাফল কখনো ভালো হবে না।’
সংগঠনের সাবেক সদস্য কায়েস বলেন, ‘যে উদ্দেশ্যে এই অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে, তা সাধন হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, আমরা আবার বৈষম্যের মধ্যে প্রবেশ করেছি। মানুষের মৌলিক অধিকার সরকারের কর্ণপাতের মধ্যে পড়ে না। আপনারা এ অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন।’
সাবেক সদস্য মো. আলী আহসান বলেন, ‘আমাদের উত্তরবঙ্গের লোকজন অন্যান্য এলাকার লোকজনের মতো এত বেশি ঢাকা শহরে নেই। তার মানে এই নয় যে, আমাদের অবজ্ঞা করবেন। আমরা বুকের তাজা রক্ত দিতে জানি। এই মেডিকেল অপসারণ না করে কীভাবে এটাকে আধুনিকায়ন করা যায়, সেটা নিয়ে কাজ করুন।’
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রিদুয়ান রহমান বলেন, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধ করার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এটা মানহীন। রাজশাহী বিভাগে যে মেডিকেল কলেজ পাসের হারে শীর্ষে, তা কীভাবে মানহীন হয়? আরও বলা হচ্ছে, স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই। স্থায়ী ক্যাম্পাস দিতে পারেনি, এটা সরকারের ব্যর্থতা। যদি নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসা হয়, তাহলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধের পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নওগাঁ জেলার শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া নওগাঁ জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘নওগাঁ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’–এর ব্যানারে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে নওগাঁ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নোমান আহমেদ চৌধুরী বলেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে সরকার। এর ফলে বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার মান আরও নিচে নেমে আসতে পারে। নওগাঁর মানুষ যত দিন বেঁচে আছে, কোনোভাবেই এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেবে না।
নোমান আহমেদ বলেন, ‘নওগাঁর মাটি অনেক উর্বর। এখানে সবচেয়ে বেশি ধান ও আম উৎপাদন হয়। এই মেডিকেল বন্ধ হলে নওগাঁয় রক্তপাত হবে। নওগাঁ থেকে আপনারা সবকিছু নিয়ে আসবেন, কিন্তু কোনো সুযোগ-সুবিধা দেবেন না, এটা আমরা হতে দেব না। ৫ আগস্টের মাধ্যমে আমরা লড়াই করা শিখে গেছি। এর ফলাফল কখনো ভালো হবে না।’
সংগঠনের সাবেক সদস্য কায়েস বলেন, ‘যে উদ্দেশ্যে এই অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে, তা সাধন হচ্ছে না। মনে হচ্ছে, আমরা আবার বৈষম্যের মধ্যে প্রবেশ করেছি। মানুষের মৌলিক অধিকার সরকারের কর্ণপাতের মধ্যে পড়ে না। আপনারা এ অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন।’
সাবেক সদস্য মো. আলী আহসান বলেন, ‘আমাদের উত্তরবঙ্গের লোকজন অন্যান্য এলাকার লোকজনের মতো এত বেশি ঢাকা শহরে নেই। তার মানে এই নয় যে, আমাদের অবজ্ঞা করবেন। আমরা বুকের তাজা রক্ত দিতে জানি। এই মেডিকেল অপসারণ না করে কীভাবে এটাকে আধুনিকায়ন করা যায়, সেটা নিয়ে কাজ করুন।’
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রিদুয়ান রহমান বলেন, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধ করার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এটা মানহীন। রাজশাহী বিভাগে যে মেডিকেল কলেজ পাসের হারে শীর্ষে, তা কীভাবে মানহীন হয়? আরও বলা হচ্ছে, স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই। স্থায়ী ক্যাম্পাস দিতে পারেনি, এটা সরকারের ব্যর্থতা। যদি নওগাঁ মেডিকেল কলেজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসা হয়, তাহলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে