মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ আসন জোটের শরিককে ছেড়ে দিলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মন্নান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এলাকাবাসী ও কর্মী সমর্থকদের অবরোধের কারণে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন।
এর আগে সকাল থেকে এলাকাবাসী ও কর্মী-সমর্থকেরা আব্দুল মন্নান যাতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারেন সে জন্য তাঁকে ঘেরাও করে রাখে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজনগর উপজেলার দত্তগ্রামে নিজ বাড়িতে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
এ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ বেলালকে।
বিকেল ৫টায় জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মন্নানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে মাসুম আহমেদ নামে একজন বলেন, তাঁকে (মন্নান) একটি রুমের মধ্যে তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে; যাতে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন। পুরো বাড়ি হাজার হাজার কর্মী সমর্থকেরা ঘিরে রেখেছেন।
অবরোধকারীদের ভাষ্য, তারা মন্নানের পক্ষে অনেকদিন ধরে নির্বাচনী কাজ করেছেন। তাঁকেই তারা প্রার্থী হিসেবে চান।
এর আগে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মন্নানের ছেলে ডা. তানভীর বলেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় এলাকাবাসী ও কর্মীদের নিয়ে কাজ করেছেন। এ জন্য তিনি যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন এ জন্য সকাল থেকে বাড়িতে সাধারণ মানুষ এসে বাবাকে অবরোধ করে রেখেছেন। তবে এখানে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। সবাই আমাদের এলাকাবাসী ও আমার বাবার কর্মী।’
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, আব্দুল মন্নান নামে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
উল্লেখ্য, মৌলভীবাজার-৩ সংসদীয় আসনে ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ বেলালকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর পর থেকে স্থানীয় জামায়াতের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। একটা পক্ষ এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ আসন জোটের শরিককে ছেড়ে দিলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মন্নান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এলাকাবাসী ও কর্মী সমর্থকদের অবরোধের কারণে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন।
এর আগে সকাল থেকে এলাকাবাসী ও কর্মী-সমর্থকেরা আব্দুল মন্নান যাতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারেন সে জন্য তাঁকে ঘেরাও করে রাখে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজনগর উপজেলার দত্তগ্রামে নিজ বাড়িতে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
এ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ বেলালকে।
বিকেল ৫টায় জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মন্নানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে মাসুম আহমেদ নামে একজন বলেন, তাঁকে (মন্নান) একটি রুমের মধ্যে তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে; যাতে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন। পুরো বাড়ি হাজার হাজার কর্মী সমর্থকেরা ঘিরে রেখেছেন।
অবরোধকারীদের ভাষ্য, তারা মন্নানের পক্ষে অনেকদিন ধরে নির্বাচনী কাজ করেছেন। তাঁকেই তারা প্রার্থী হিসেবে চান।
এর আগে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মন্নানের ছেলে ডা. তানভীর বলেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় এলাকাবাসী ও কর্মীদের নিয়ে কাজ করেছেন। এ জন্য তিনি যাতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে না পারেন এ জন্য সকাল থেকে বাড়িতে সাধারণ মানুষ এসে বাবাকে অবরোধ করে রেখেছেন। তবে এখানে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। সবাই আমাদের এলাকাবাসী ও আমার বাবার কর্মী।’
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, আব্দুল মন্নান নামে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
উল্লেখ্য, মৌলভীবাজার-৩ সংসদীয় আসনে ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ বেলালকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর পর থেকে স্থানীয় জামায়াতের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। একটা পক্ষ এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়া মানে চব্বিশের বিরুদ্ধে যাওয়া। না ভোট দেওয়া মানে স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো। না ভোট দেওয়া মানে আমাদের বিগত স্বৈরাচারী সংস্কৃতি ছিল, সেটার দরজা খুলে দেওয়া।
২ মিনিট আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী (পিয়ন) বহুল আলোচিত ‘৪০০ কোটি টাকার মালিক’ জাহাঙ্গীর আলমের ফ্ল্যাট ও জমি ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন।
৩২ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পাঁচ দিন পিছিয়ে ২৫ জানুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই তারিখ ধার্য করেন।
৪১ মিনিট আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টাঙ্গাইলের দুই নারীসহ ১৮ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর ফলে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
৪৩ মিনিট আগে