
এবার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক শেখ সামিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার দেখানোর এই নির্দেশ দেন।
কামরুল ইসলামকে আজ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সরকারি পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি কামরুলের নামে ৬ কোটি ২৯ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে। মো. কামরুল ইসলামের নিজ ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত ১৫টি হিসাবে মোট ২১ কোটি ১৮ লাখ ১৫ হাজার ৪৬৫ টাকার লেনদেন হয়। তিনি এই টাকা সন্দেহজনকভাবে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তর করেছেন, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ।
এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারি কামরুল ইসলামের ১৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।
গত বছর ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে কামরুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ১৯ নভেম্বর তাঁকে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও হত্যা মামলা রয়েছে। একের পর এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

নীলফামারীর ডোমারে ট্রাক ও মিথিলা গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় মিথিলা গাড়ির চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাকের ধাক্কায় আহত এক পথচারীকেও হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।
৫ মিনিট আগে
আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার কিছু আগে উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের তিনবিঘা করিডর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর-৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন।
১২ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জে এক নারীর ছবি বিকৃত করে অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
শফিকুল ইসলাম বলেন, চক্রের সদস্যরা নিজেদের কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কখনো রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আত্মীয় পরিচয় দিতেন। এভাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো। তিনি বলেন, প্রতারণার কাজে তাঁরা
৩৭ মিনিট আগে