
ইজাজুল হক, ঢাকা
ইজাজুল হক, ঢাকা
সকল লেখা

বাগদাদের ঐতিহাসিক বইয়ের বাজার
আরব বিশ্বে একটি প্রবাদ আছে—কায়রো লেখে, বৈরুত প্রকাশ করে আর বাগদাদ পড়ে। মূলত শারে আল মুতানাব্বির কারণেই এ প্রবাদে বাগদাদের নাম জুড়ে গেছে। পুরোনো বাগদাদে অবস্থিত শারে আল মুতানাব্বির শিকড় আব্বাসি আমলে। বাগদাদের প্রথম বইয়ের বাজার এটি। সেকালের বই বিক্রেতারা এখানে জড়ো হতেন।

আলোচনায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের দেয়াললিখন
‘স্বাধীনতার সূর্যোদয়’ নামের দেয়াললিখনটি করেছেন ক্যালিগ্রাফি শিল্পী উসাইদ মুহাম্মাদ, সঙ্গে ছিলেন মুহাম্মাদ ওমর। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোনো এক জরাজীর্ণ দেয়ালে উসাইদরা এটি উৎকীর্ণ করেন। ওপরে শেওলা ধরা এবং নিচে পলেস্তারা খসে পড়া এই দেয়ালে উসাইদদের রংতুলির আঁচড়ে ফুটে ওঠে ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার বিজয়। লাল দালান ভেদ

জেবুন নেসা মসজিদ: পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যে নতুন সংযোজন
রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায় গড়ে উঠেছে নান্দনিক স্থাপত্য জেবুন নেসা মসজিদ। শিল্প এলাকা আশুলিয়ার জামগড়ায় নির্মিত এই স্থাপনায় পরিবেশবান্ধব নকশা গুরুত্ব পেয়েছে। ঢাকার আজিমপুরের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদ, দক্ষিণখানের বায়তুর রউফ মসজিদ কিংবা লক্ষ্মীপুরের রামগতির আস-সালাম জামে মসজিদের পর প্রাক

কোরআনে মারইয়াম (আ.)–এর অনন্য মর্যাদার কথা
মারইয়াম (আ.) পৃথিবীর ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নারীদের একজন। পবিত্র কোরআনে তাঁর অনন্য মর্যাদার কথা বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি বিশেষ অনুগ্রহ করেছেন এবং তাঁকে পৃথিবীর একমাত্র ব্যতিক্রমী মায়ের মর্যাদা দান করেছেন। তাঁর সন্তান ইসা (আ.)–কে বানিয়েছেন আল্লাহর শক্তিমত্তার নিদর্শন এবং তাঁর প্রেরিত অন্যতম প্র

যেভাবে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠল রুমাল–চাবি–তরমুজসহ ৮ ঐতিহ্য
বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে যে মিছিলগুলো হচ্ছে, তাতে অনেককে সাদাকালো একটি রুমাল গায়ে জড়াতে দেখা যায়। একে কেফিয়েহ বলে। একইভাবে বিক্ষোভকারীদের বড় বড় চাবি বহন করতেও দেখা যাচ্ছে। আবার দেখা যায়, শিশুদের পিঠে তুলে ঘোরানো হচ্ছে। কেউ কেউ আবার তরমুজ এঁকেও নিয়ে আসেন।

বায়তুল মামুর: ফেরেশতারা যে ঘর তাওয়াফ করেন
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বায়তুল মামুরের কথা উল্লেখ করেছেন। আরবি বায়ত শব্দের অর্থ ঘর। আর মামুর শব্দের অর্থ প্রাণবন্ত, আবাদ, অধিক পদচারণ আছে এমন স্থান। ইসলামি বিশ্বাস মতে, বায়তুল মামুর হলো সপ্তম আকাশে মহান আল্লাহর ঘর। পৃথিবীতে যেমন পবিত্র কাবাঘরকে কেন্দ্র করে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করা হয়, তেমনি আকাশ

সুফিদের আস্তানা থেকে যেভাবে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেল কফি
আরবি কাহওয়াহ শব্দ তুর্কিতে গিয়ে হয় কাহভে, ডাচ ভাষায় হয় কফি। ডাচ থেকে ইংরেজিতে কফি শব্দটি প্রবেশ করে। মিসরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে কফিকে গাহওয়াহও বলা হয়। ইথিওপিয়াকে বলা হয় কফির জন্মভূমি। সেখান থেকে ইয়েমেন হয়ে ওসমানীয় খেলাফতের রাজধানী ইস্তাম্বুলে আসে কফি।

কিলাকারাই জুমা মসজিদ: স্থাপত্যে সম্প্রীতির বার্তা
হাজার বছরের ইসলামি স্থাপত্যে স্থান-কাল-পাত্রভেদে নানা বৈচিত্র্য দেখা যায়। এর প্রধান কারণ, পৃথিবীর যে প্রান্তেই ইসলাম প্রচারিত হয়েছে, সেখানে ইসলামের মৌলিক শিক্ষাবিরোধী নয় এমন সব সংস্কৃতিকে কখনোই নিরুৎসাহিত করা হয়নি; বরং মুসলমানেরা সেগুলোকে নিজেদের করে নিয়েছে।

দেয়ালচিত্রে প্রতিবাদের ভাষা ‘জীবন কিংবা বৃক্ষ’
প্রতিবাদ কিংবা সচেতনতার জন্য গ্রাফিতি এক দারুণ অস্ত্র। এবার পাহাড় ও বৃক্ষে সুশোভিত চট্টগ্রামের সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং (সিআরবি) এলাকাতেও আঁকা হলো সেরকম এক দুর্দান্ত গ্রাফিতি।

কোরআনে মুসলমানদের ঐক্যের কথা
সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় ঐক্য জরুরি বিষয়। পবিত্র কোরআনে বারবার মুমিনদের ঐক্যের ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে। বিভাজন বিশৃঙ্খলা উসকে দেয়; অশান্তি সৃষ্টি করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধরে রেখো

অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ইবাদত
মুমিন বান্দার অন্যতম সেরা গুণ হলো, সে মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হবে; মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবে। কল্যাণের পথে তাদের পরিচালিত করবে। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা শ্রেষ্ঠ জাতি, মানুষের কল্যাণেই তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে।

যশ-খ্যাতির জন্য কোরবানি নয়
কোরবানি শব্দটি ফারসি হলেও এর উৎস আরবি কুরব শব্দ। কুরব অর্থ নৈকট্য লাভ ও সন্তুষ্টি অর্জন। ঈদুল আজহার দিন পশু জবাই করার বিধানকে ইসলামে কোরবানি বলা হয়। কোরবানি হতে হয় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। কোরবানি শব্দেই সেদিকে ইঙ্গিত রয়েছে। দুনিয়ার যশ-খ্যাতির জন্য কোরবানি করলে আল্লাহ তা কবুল করেন না।

লুটপাট-প্রতারণায় ধ্বংস হয়েছিল যে জাতি
ফিলিস্তিনের দক্ষিণে লোহিত সাগর ও আকাবা উপসাগর উপকূলের এক প্রাচীন জনপদ—মাদইয়ান। এখানে নবী হিসেবে এসেছিলেন হজরত শুআইব (আ.)। পবিত্র কোরআনের একাধিক স্থানে এই জনপদের বাসিন্দাদের অবাধ্যতা ও শাস্তির কথা আলোচিত হয়েছে। কোথাও আবার তাদের ‘আসহাবুল আইকা’ তথা ‘গাছের

ইসলামপূর্ব যুগে যেমন ছিল হজের আচার-অনুষ্ঠান
হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সময়েই আল্লাহ তাআলা হজের বিধান দিয়েছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে মানুষ তাতে ব্যাপক বিকৃতি সাধন করে। এক সময় কাবাঘরে মূর্তি স্থাপন করে সেই বিকৃতির চূড়ান্ত রূপ দেয়। ইবরাহিম (আ.)-এর পর থেকে ইসলামের আগের এই যুগটিকে ইসলামের ইতিহাসে জাহিলি যুগ হিসেবে চিত্রিত করা হয়।

হজযাত্রার হারানো ঐতিহ্য মাহমাল
হজ আদায় করতে মক্কায় যাওয়ার সময় হাজিদের কাফেলায় উটের পিঠে করে একটি যাত্রীহীন সাজানো পালকি নিয়ে যাওয়া হতো, একেই মাহমাল বলা হয়। ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর প্রতি সুলতানদের দায়বদ্ধতা প্রকাশের জন্য তাঁদের ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে হাজিদের সঙ্গে মাহমাল পাঠাতেন তাঁরা। সব মাহমালেরই একটি গাম্ভীর্যপূর্ণ কারুকাজ করা

আসহাবুল উখদুদ কারা, কেন তারা নিজেদের জ্বালানো আগুনেই ধ্বংস হয়
পবিত্র কোরআনের ৮৫ তম সুরা—সুরা বুরুজের প্রথম ১০ আয়াতে আসহাবুল উখদুদের ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা এসেছে। প্রথম ৩ আয়াতে আল্লাহ চারটি বস্তুর নামে শপথ করে চতুর্থ আয়াত থেকে মূল কাহিনিতে প্রবেশ করেছেন। সেই চার বস্তু হলো—কক্ষপথ বিশিষ্ট আকাশ, কেয়ামতের দিন, আরাফাতের দিন এবং শুক্রবার। মুফাসসিরগণ বলেছেন, ঘটনার গুর
