
অর্ণব সান্যাল
অর্ণব সান্যাল
সকল লেখা

এই বইটি যেসব কারণে কিনবেন না
মোজাহিদুল ইসলাম একটি বই লিখেছেন। এই বই লিখেছেন বা বের করেছেন– বিষয়টি এখন বেশ ক্লিশে। একুশের বইমেলার সময় এলে অনেকেই এখন বই বের করছেন। তা তিনি লেখক হোন, বা না–ই হোন। সেদিক থেকে মোজাহিদুলের নামে বই বের হওয়া নতুন কোনো বিষয় নয়। কথা হলো, পাঠক হিসেবে কেউ এই বই কিনতে আগ্রহী হবেন কিনা। এ বিষয়টি নিয়েই এবার আল

তুমি ‘ছাগল’, তাই বলিয়া আমি ‘পাগল’ হইব না কেন?
পাগল–ছাগলের কথা কেন এলো, এবার তার বিশদে যাই বরং। ছাগল নিয়ে ইদানীং দেশে আলোচনা হচ্ছে বেশ। আজকের পত্রিকার খবরে প্রকাশ, বিশ্বখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গল গোট বা স্থানীয় জাতের কালো ছাগলের বিষয়ে ‘উঁচু স্তরের অভিজ্ঞতা’ নিতে সরকারের ১৬ কর্মকর্তা যাবেন বিদেশ সফরে।

বাহাত্তরের বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস ও বর্তমান: ২য় পর্ব
সাহিত্যের বিচারে আমরা কিছুটা এগিয়েছি বটে। আমাদের নিজস্ব প্রকাশনাশিল্প সৃষ্টি হয়েছে, যদিও তা রুগ্ণ বেশ। লেখক তালিকাও দীর্ঘ হয়েছে। কিন্তু তার কতটুকু ‘কালজয়ী’ বা ‘দেশজয়ী’, তা নিয়ে সন্দেহ ভালোমতোই আছে...

বাহাত্তরের বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস ও বর্তমান: ১ম পর্ব
প্রায় ৫০ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন কবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক এবং সর্বতোভাবে একজন স্বাধীন চিন্তক আহমদ ছফা।

দুই দিনের দুনিয়া টিকবে কয় দিন?
বাংলা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি যখন পর্দায় ‘দুই দিনের দুনিয়া’ নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিল, পোস্টার বা ট্রেলার মুক্তি দিয়েছিল, তখন এই দর্শকমনে অর্থপূর্ণ আগ্রহ সৃষ্টি করেছিলেন মূলত দুজন অভিনেতা। ফজলুর রহমান বাবু এবং চঞ্চল চৌধুরী। অনেক দিন পর দুই অসাধারণ অভিনেতার যুগলবন্দী কেমন হয়, সেটি অবলোকনের অভিজ্ঞতা থেকে

ফলোয়ার কমল আঁতকা, জাকারবার্গ খায় ঝটকা
চারদিকে হাহাকার ছিল গতকাল। কোত্থেকে যেন একরাশ অন্ধকার নেমে এসেছিল ফেসবুকের ‘আসল’ দুনিয়ায়। এই দুনিয়া ফলোয়ারের, এই দুনিয়া লাইক–শেয়ারের। কিন্তু হুট করেই ফলোয়ার কমে গেল সবার। সবার মানে সবারই, এমনকি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গেরও। বুঝুন তবে, সাম্য কাকে বলে!

বাঁশের আগায় ‘পচ্চুর’ কারেন্ট
দুটো বাঁশ, সামান্য নুয়ে আছে। যদিও তাদের মাঝে জোড়া লাগানোর চেষ্টা আছে, আছে সেতুবন্ধ। তবু কি আর করবে বলুন! নুয়ে থাকা ছাড়া তাদের যে আর উপায়ন্তর নেই। কারণ তাদের আগায় যে ‘পচ্চুর’ কারেন্ট!

দেশটা কি ঠিক পথে হাঁটছে?
শিরোনামের প্রশ্ন শুনেই কোনো পক্ষে ফেলে দেবেন না দয়া করে। অনুযোগ করতেই পারেন, উন্নতি কি চোখে পড়ে না? ‘কানা’ বলতেও পারেন চাইলে। কারণ এ দেশে সহমতের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে ভিন্নমতে গেলেই এসব গঞ্জনা সইতে হয়।

৩ সিটের সোফা, লাইগ্যা গেল কুফা
‘মাত্র তিনটি সিট ছিল বুঝলেন। ভেবেছিলাম আরাম করে বসা যাবে, হাত-পা তুলে! কিন্তু সেই তিন সিটের সোফার জন্য যে এত বড় কুফা লেগে যাবে, দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারিনি!’

কারাগারে আটকে আছে কে?
শুরুটা বেশ নাটকীয়, তবে শান্ত। বড় জল্লাদের ভরাট কণ্ঠে খুনের হিসাবের পাশাপাশি পাওয়া যায় লটকানো ফাঁসির দড়িও। সেই দড়ি ভাঁজ করতে করতেই আঁচ করা যায় মানুষের জীবনে স্থান পূরণের অমোঘ প্রতিযোগিতা। তা হোক সে জল্লাদ, বা প্রতিশোধ। আর শুরুর শেষে জল্লাদ জানিয়ে দেন, তুফান আসছে!

ডিমের মূল্যবৃদ্ধিতে বাংলাদেশিদের যে উপকার হবে
ডিমের এমন মূল্যোত্থানে মেজাজ খারাপ হয়েছে মুরগিদের। বাংলাদেশ মুরগি কল্যাণ সমিতি (বামুকস) তারিখ উল্লেখ না করা এক কাল্পনিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, একপক্ষীয়ভাবে ডিমের দাম বাড়িয়ে আদতে তাদের ‘মুরগি’ বানানো হলো...

বেকায়দায় নেটফ্লিক্স, নতুন রাজা ডিজনি?
ভিডিওস্ট্রিমিং এখন বিনোদন জগতের ব্যবসাক্ষেত্রে অন্যতম উপায় বলে বিবেচিত। ভিডিও কনটেন্ট স্ট্রিমিংয়ের শুরু থেকেই রাজাধিরাজ ছিল ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স। কয়েক বছর ধরেই প্রতিষ্ঠানটির একচ্ছত্র আধিপত্যে ধীরে ধীরে ভাগ বসানো শুরু হয়েছিল। এখন অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, স্ট্রিমিং ব্যবসায় মুকুট হারানোর অবস্থায়

সব অপরাধে নারীই কেন শিকার?
গত সাত দিনের মধ্যে পর পর দুটো ঘটনা এ দেশের দুই প্রান্তে ঘটেছে। দুটোই বাসে এবং দুটোতেই শুরুটা হয়েছিল অপরাধের আদি ধরন চুরি-ডাকাতি দিয়ে। বিস্ময়ের বিষয় হলো, এই দুটো ঘটনাই শেষ হয়েছে নারীর প্রতি সহিংসতা দিয়ে, নির্দিষ্ট করে বলে যৌন সহিংসতা। তবে কি যেকোনো অপরাধেই নারীকে শিকার বানানোর ট্রেন্ড চালু হলো এ সমাজ

চুষে খাবেন, নাকি চিবিয়ে?
এখনো পর্যন্ত এ দেশের বাজারব্যবস্থায় কোনো পণ্যের দাম একবার বাড়লে তা কমে স্বাভাবিক হওয়ার নজির তো নেই। আমরা কখনো দেখিনি তা বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষের কড়া ও উৎসাহী হস্তক্ষেপ। ফলে সাধারণের আশান্বিত হওয়ার সুযোগ খুবই কম। আর সেই আক্ষেপেই মনে জাগে একটি অসহায় প্রশ্ন—আমাদের চুষে খাবেন, নাকি চিবিয়ে?

তাঁরা হ্যাডমের মালিক, তাঁদের স্যার ডাকবা
একজন খেপলেন মনমতো সংবাদ প্রকাশিত না হওয়ায়। আরেকজন খেপলেন আদালতের সমন পেয়ে। তবে দুজনেরই যে জায়গায় মিল, সেটি হলো—হেনস্তা করায়। আর এই ‘ইচ্ছে হলো তাই হেনস্তা করলাম’—এই মনোভাবটি সৃষ্টি হলো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত ‘হ্যাডম’ থেকে। কিন্তু এই হ্যাডমের মালিকানা আসলে কার?

লোডশেডিংয়ের জীবনযুদ্ধে কে এগিয়ে গেল?
জীবনের সঙ্গে যখন যুদ্ধের সন্ধি হয়, তখনই সেটি হয়ে যায় ‘জীবনযুদ্ধ’। যখনই কোনো কিছু যুদ্ধের সমতুল্য হয়ে ওঠে, তখনই তাতে থাকে প্রতিযোগিতা। আর এমন প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার বা পিছিয়ে পড়ার হিসাব তো থাকেই!
