
রানা আব্বাস, ডালাস থেকে
রানা আব্বাস, ডালাস থেকে
সকল লেখা

আর্জেন্টিনা কি স্বরূপে ফিরতে পারবে
প্রতি ম্যাচের আগেই স্টেডিয়ামে ফিফার উপস্থাপকেরা একটা মজার খেলা খেলেন দর্শকদের সঙ্গে। দুই দলের দর্শকদের আলাদা আহ্বান করেন, যতটা জোরে পারা যায় চিৎকার করতে। সেই কান ফাটানো চিৎকারের খেলায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দর্শকদের সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন।

বাংলাদেশের দর্শকদের ভীষণ ভালোবাসেন মার্তিনেসরা
মুহূর্তটা কিছুতেই ভোলার নয়। ভোলা যাবে না। জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডালাস মিক্সড জোন পেরিয়ে চলেই যাচ্ছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ‘দিবু (মার্তিনেসের ডাকনাম), বাংলাদেশ থেকে এসেছি’—পেছন থেকে ডাক দিতেই থামলেন। ‘ওহ্, বাংলাদেশ, আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি’, বলতে বলতে ফিরে এলেন প্রতিবেদকের কাছে।

বাংলাদেশ শুনেই দাঁড়িয়ে গেলেন মার্তিনেস, জানালেন ভালোবাসা
আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনার গল্প আরও আগেই জেনেছেন লাতিন আমেরিকার দেশটির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ফুটবলাররাও। বিশেষ করে কাতার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অকুণ্ঠ সমর্থনে দুই দেশের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন তৈরি হয়েছে। এমিলিয়ানো মার্তিনেস যেন সে ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ...

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পথ সহজ না কঠিন
ডালাস ডাউনটাউনে শুক্রবার ঠিক বিকেল ৫টার দিকে হোটেল অ্যাডলফাসের পেছন দরজায় এসে দাঁড়াল আর্জেন্টিনা দলের বহনকারী তিনটি বাস। মেসিদের এক পলক দেখতে ডালাসের এ পাঁচ তারকা হোটেলের পেছনের দিকেও যথারীতি আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ভিড়।

ভিনির রাতে সাম্বার তালে নকআউটে ব্রাজিল
এই ব্রাজিলকে নিয়ে সামান্য হলেও সংশয় জেগেছিল, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে যেতে পারবে কি না। সংশয়টা তৈরি হয়েছিল গ্রুপপর্বে থাকা মরক্কোর কারণে। মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সাম্বার ছন্দে নেচে ওঠা ব্রাজিল অবশ্য সে সংশয় দূর করে দিয়েছে দ্রুতই।

গোলের লড়াই জমিয়ে তুলছেন মহাতারকারা
‘আই অ্যাম ব্যাক’—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ফিরে এসেছেন। উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করার ম্যাচে জোড়া গোল করার পর টেলিভিশন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে রীতিমতো গর্জে ওঠেন রোনালদো। কদিন ধরে যাঁরা বলছিলেন, ‘পর্তুগালের সমস্যার নাম রোনালদো’, তাঁদের উদ্দেশেই ছিল সিআর সেভেনের এই কড়া বার্তা।

মেসির এই বয়সেও এমন তারুণ্য
ডালাসের এই দুপুরে লিওনেল মেসি তাঁর পায়ের জাদুতে এত সব দৃশ্যকাব্য রচনা করেছেন, কোনটা ছেড়ে কোনটা বলি। তবে ওই দৃশ্যটা, ওই যে ম্যাচ শেষের দৃশ্যটা—যখন গ্যালারির কাছে লিওনেল মেসি দর্শকদের অভিবাদন আর শুভেচ্ছার উত্তর দিতে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁকে দেখে পরম স্নেহে বুকে জড়িয়ে ধরলেন হোসে পেকারম্যান।

নেইমারের ফেরার ম্যাচে অন্য তাড়া
ব্রাজিলের ‘ও গ্লোবো’ পত্রিকা একটা মজার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাদের দলের নকআউটের সম্ভাব্য সূচি নিয়ে। প্রতিবেদনের শিরোনাম—‘গ্রুপে ১ম, ২য় নাকি ৩য়—ব্রাজিলের ম্যাচের দিন কাজে বেশি ছুটি পেতে কোন ফল সমর্থন করবেন?’ কেন এই প্রতিবেদন, সেটির ব্যাখ্যায় গ্লোবো লিখেছে, ‘বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে...

ব্রাজিলকে নয়, আর্জেন্টিনা কোচের তির ফিফাকে
বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনার বড় অংশজুড়েই থাকে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চিরায়ত তর্ক। আগে তর্ক-বিতর্ক সাধারণত সীমাবদ্ধ থাকত চায়ের কাপে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে এখন ট্রল, ব্যঙ্গ-রসিকতার ধরন বদলে গেছে। রিলস, ভিডিও, ফটোকার্ড, স্ট্যাটাসে চলে সব ‘আক্রমণ’।

‘আসাদো’র উচ্ছ্বাসে মেতেছেন আর্জেন্টাইনরা
গ্রুপপর্বে আর্জেন্টিনার তিনটি ম্যাচের দুটিই পড়েছে ডালাসে । অথচ তাদের সমর্থকদের ভিড় বেশি ৯০০ কিলোমিটার দূরের কানসাস সিটিতে। কেন ? কানসাসে আর্জেন্টিনা দলের বেসক্যাম্প । দল যেখানে, সমর্থকদের ভিড় সেখানেই হবে । ডালাসে আসার আগে কানসাসে থাকতেই দেখেছিলাম , মিসৌরি নদীর তীরে বার্কলি রিভারফ্রন্ট এলাকায় টিম

উজ্জীবিত মেসিদের সামনে অস্ট্রিয়া
বারবিকিউর জন্য বিখ্যাত কানসাস সিটি। সেখানে ঘাঁটি গেড়েছে আর্জেন্টিনা দল। দলটার ঐতিহ্যের সঙ্গে বারবিকিউর একটা বিশেষ যোগ আছে। বড় অভিযানে বের হলে আর্জেন্টিনা সাধারণত বেস ক্যাম্পে ‘আসাদো’র (আর্জেন্টাইন বারবিকিউ) আয়োজন করে থাকে।

ব্রাজিল জেগেছে, তবে...
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ভিআইপি বক্সে ক্যামেরা তাক করতেই যেন ব্রাজিলের গৌরবময় ফুটবল ইতিহাসের অসংখ্য স্মৃতি ফিরে এল। কাকার সেলফিতে রোনালদো, রোনালদিনহো আর কাফু—কিংবদন্তিরা তো ছিলেনই। গ্যালারিজুড়ে সমর্থকেরা তৈরি করেছিলেন উৎসবের আবহ। মাঠেও ছন্দে ফিরেছে ব্রাজিল, হেসেছে তারা জয়ের হাসি।

মেসিদের আর্জেন্টিনার অপেক্ষায় তপ্ত ডালাস
শুক্রবার ভোরে হঠাৎ ইমার্জেন্সি অ্যালার্ট বেজে উঠল ফোনে। সকাল ১০টার দিকে আকস্মিক বন্যা হওয়ার আগাম সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। এ সময়ে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। অথচ গত পরশু বৃহস্পতিবার আর্লিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে যেতেই টের পাওয়া যাচ্ছিল গরমের কী ঝাঁজ।

ক্ষুধার্ত ব্রাজিলের সামনে এবার পুঁচকে হাইতি
নিউইয়র্ক শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের শান্ত, নিরিবিলি মরিসটাউনে পা রাখলে মনে হবে, কোনো ভূস্বর্গে এসে পৌঁছেছি। বিশ্বকাপের প্রতিটি দলের বেসক্যাম্প বেছে নেওয়া হয়েছে এমনই নিরিবিলি ছবির মতো সুন্দর জায়গায়, যেখানে যাবতীয় কোলাহল থেকে দূরে থেকে নিজেদের ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা যায়।

বিশ্বকাপে এই দৃশ্য বাংলাদেশ আগে দেখেনি
কী অপূর্ব এক দৃশ্য। এই দৃশ্যটা দেখতে দিন, মাস, এমনকি বছরও নয়; দশকের পর দশক অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশ। একজন লেগ স্পিনারের বল ব্যাটারের লেগে পিচ করিয়ে অফ স্টাম্পে বাঁক নিচ্ছে! সেই বল কানায় লেগে স্লিপে ক্যাচে পরিণত হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে একজন লেগ স্পিনারের এই জাদু বাংলাদেশের দীর্ঘ এক অপেক্ষাই করতে হয়েছে।

সাকিব যখন সতীর্থদের ‘কোচ’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের প্রস্তুতি গত পরশু একেবারে কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দিল ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামের ছোট্ট নেট।
