
ডা. ফারজানা রহমান
ডা. ফারজানা রহমান
সকল লেখা

হতাশ লাগলে মানসিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
আমার জীবনে গত কয়েক বছরে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এগুলো মানিয়ে নিয়ে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সারা দিন কাটানো অসহ্য হয়ে যাচ্ছে। তিন বছর আগে বাবা মারা গেছেন। মা স্বাভাবিক হতে এক বছর সময় নিয়েছেন। এই এক বছর তিনি একেবারেই বিছানায় পড়ে ছিলেন। এখন কিছুটা ভালো আছেন।

ভালো থাকতে নিজেকে সময় দিন
চারদিকের অবস্থা দেখে মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে পারেন যে কেউ। কথা ও আচরণে তার ছাপ পড়তে পারে। এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কমিয়ে দিলে বা টেলিভিশন কম দেখলে কি সমস্যার সমাধান পাওয়া সম্ভব?

নিজেকে সময় দিন
প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে বিয়ে করেছেন ছেলেটি। নিজেকে তাঁর বিবাহিত স্ত্রীর সঙ্গে তুলনা করে মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছেন এবং বিষণ্নতায় ভুগছেন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে কী করবেন?

নিজেকে নিরপেক্ষভাবে বিচার করুন
আমি জানি না, কেন ইদানীং সবকিছু নেতিবাচক মনে হয়। আমি নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। শুধু মনে হয়, কেউ আমাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। আমি সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে দিই। আমার ভালো কিছু হলেও আমার পরিবারের কারোরই তেমন কোনো আগ্রহ থাকে না। এ জন্য আমি মন খারাপ করে থাকলেও সবাই আমাকে ভুল বোঝে

বলার আগে একটু ভাবুন
বছরের পর বছর কিছু বিষয় আমাদের জীবনে স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকে। ফলে বোঝা যায় না, সেগুলো থেকেও মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ জন্য এর কোনো প্রতিকার করাও সম্ভব হয় না। ফলে একসময় মানুষ ‘ভালো লাগে না’ রোগে ভুগতে শুরু করে। দিন দিন তা বেড়ে তাদের পারিবারিক ও সামাজিক জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর এসব আপাত ‘স্বাভাব

পারিবারিক সম্পর্কের দূরত্ব দূর করুন
খুলনা থেকে লেখাপড়া শেষ করে ঢাকায় ফিরে দেখলাম, পরিবারের মানুষেরা আমার ফিরে আসাটাকে ভালোভাবে নিচ্ছে না। তারা চাইছে, আমি বিয়ে করে চলে যাই। ফলে পরিবারের সঙ্গে আমার দূরত্ব তৈরি হয়। চাকরি হলে আমি আলাদা বাসা নিই। এখন দূরে থেকেও যে ভালো আছি, তা নয়। মানসিকভাবে শান্তির জন্য কী করতে পারি?

নিজের অনুভব যৌক্তিক কি না, ভাবুন
আমি কয়েক মাস ধরে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি। দুই ভাইবোনের মধ্যে আমি সবার ছোট। আমার ৭ বছর বয়সে বাবা মারা যান। সরকারি ব্যাংকে চাকরি করে মা একা আমাদের বড় করেছেন। মায়ের সবচেয়ে কাছের ছিলাম আমি। আমার বিয়ে হয়েছে দেড় বছর হলো। পরিবারের সবার সিদ্ধান্তে ৯ মাস আগে মায়ের বিয়ে দিই।

পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে আবেগময় বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতা বাড়ান
প্রশ্ন: আমি আইন বিভাগ থেকে মাস্টার্স শেষ করেছি ছয় মাস হলো। কোর্টে কাজ করার ইচ্ছা অনেক দিনের। অনার্সের পর একজনের অধীনে কোর্টে কাজ শুরু করি। একপর্যায়ে কিছু সমস্যা ও পড়াশোনার কারণে সে কাজটা ছেড়ে দিই। বর্তমানে বারের পরীক্ষার জন্য কোচিং করছি। এর মাঝে বেশ কয়েকটি ল ফার্মে ইন্টারভিউ দিয়েছি।

পরিবারের কথা বিবেচনা করুন
আমার বয়স ২৭ বছর। পাঁচ বছর হলো, আমি একজনকে পছন্দ করি এবং সে-ও আমাকে পছন্দ করে। স্নাতক শেষ করে চাকরিতে যোগদান করে সে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আমি অনেক ভেবেচিন্তে হ্যাঁ বলে দিই। কিন্তু আমার বাসা থেকে বিয়ে দিচ্ছে না। কারণ, আমার বড় বোন আছেন, যাঁর এখনো বিয়ে হয়নি। কিন্তু আমি যাকে পছন্দ করি, সে এ ব

মানসিক সংকটে তরুণীরা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালে একটি গবেষণা পরিচালনা করেছিল। গবেষণার ফলাফল থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে মানসিক রোগীর হার ১৮ শতাংশ। গবেষকেরা বলছেন, জেনারেশন জেডের মানসিক স্বাস্থ্যের লড়াই ভিন্ন।

নিজের পরিস্থিতি নিরপেক্ষভাবে বিচার করুন
সব সময় মনে হয়, আমি একটা বৃত্তের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছি। পরিবার আমাকে যা বলছে, তা-ই মেনে নিচ্ছি। কিন্তু একটা সময় পর আমার মনে হচ্ছে, এটা ভুল হচ্ছে। তখন আমি নিজেই সব মেনে নিতে পারছি না। এদিকে তাদের সিদ্ধান্তে আমিও একমত হয়েই পদক্ষেপ নিই।

নিজের মতো করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করুন
আমি জানি না কেন, ইদানীং সবকিছুতেই অসুখী হচ্ছি। আমি এমন ছিলাম না। কপালে আছে বলে মেনে নিতাম। এখন পারছি না। চাকরির ক্ষেত্রে, বাসার অন্যান্য যেকোনো বিষয়ে আগে মেনে নেওয়ার একটা ব্যাপার ছিল আমার মধ্যে। এখন শুধু মনে হয়, আমিই কেন? আমার কাছের মানুষগুলো আমাকে মুখের ওপরেই নেগেটিভ তকমা দিচ্ছে।

সহনশীলতা আবেগীয় দক্ষতার অন্যতম সূচক
‘সহনশীলতা দিবস’ এই অস্থির বিশ্বে খুব প্রাসঙ্গিক একটি বিষয়। এটি মানবিক মূল্যবোধের বিষয়, যা ব্যক্তিগত, সামষ্টিক ও জাতিগত পর্যায়ে সূচক হয়ে দাঁড়ায়। সহনশীলতার অভাব কখন হতে পারে? বিভিন্ন কারণে একটি সহনশীল মানুষ এমনকি জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই অসহনশীল হয়ে উঠতে পারে।

গঠনমূলক কাজ বিষণ্নতা থেকে দূরে রাখে
সবেমাত্র অনার্স পাস করেছি। সম্প্রতি বাবা মারা গেছেন। ইদানীং মনে হচ্ছে, সবাই আমাকে ব্যবহার করছে, অথবা করুণা দেখাচ্ছে। আমি বাসার ছোট মেয়ে। আমাকে সবাই এখনো ছোটদের মতো ভাবে। চাকরি করতে দেবে না। তাদের ধারণা, আমি পরিস্থিতি সামলাতে পারব না। বাসার মানুষের কাছে নিজের যোগ্যতা কীভাবে প্রমাণ করব?

আত্মহত্যার চেষ্টা মেডিকেল ও সাইকিয়াট্রিক ইমার্জেন্সি
আমার বয়স ২৩ বছর। ৩ বছর আগে আমার ডিভোর্স হয়। শ্বশুরবাড়িতে থাকাকালে আমি অনেক রকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গেছি। যে কারণে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হই। কিন্তু ৩ বছর পার হয়ে গেলেও আমি সেসব নির্যাতনের স্মৃতি ভুলতে পারছি না। আমার রাতে ঘুম হয় না, সব সময় দুঃস্বপ্ন দেখি। সারা দিন আমার মাথাব্যথা করে। কো

মানসিক সমস্যা নির্ণয় করার পর এর চিকিৎসা নিতে হবে
আমার মেয়ের বয়স ১৭। সে রাজধানীর একটি স্বনামধন্য স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ছে। আমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ১৫ বছর ধরে চাকরি করছি। আমার স্বামী সরকারি কর্মকর্তা। চাকরির কারণে মেয়েকে বেশি সময় দিতে না পারলেও তার সঙ্গে ছোট থেকেই আমি কোয়ালিটি টাইম কাটানোর চেষ্টা করেছি।
