
আনোয়ার হোসেন, মনিরামপুর (যশোর)
আনোয়ার হোসেন, মনিরামপুর (যশোর)
সকল লেখা

সংস্কারের নামে ইট তুলে নিয়ে গেছেন চেয়ারম্যান, দুর্ভোগ
যশোরের মনিরামপুরে সংস্কারের কথা বলে রাস্তার পুরোনো ইট তুলে নিয়ে গেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এ ঘটনার কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও রাস্তাটিতে সংস্কারকাজ শুরু হয়নি। এখন ইটের সলিং তুলে নেওয়া অংশে মাটির রাস্তায় চলাচলে ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয়রা। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে কাদাপানিতে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

সংস্কারের কথা বলে তুলে নেওয়া হলো ইটের সলিং, কাদাপানিতে ভোগান্তি
যশোরের মনিরামপুরে সংস্কারের কথা বলে রাস্তার পুরোনো ইট তুলে নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এরপর ৩–৪ মাস পেরিয়ে গেলেও রাস্তার সংস্কারকাজ শুরু হয়নি। এখন পানি জমে কাদাপানিতে একাকার হয়ে গেছে মনিরামপুর সদর ইউনিয়নের বাকোশপোল গ্রামের রাস্তা। এতে স্থানীয় লোকজন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

মনিরামপুর হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু ও হামের রোগী, নেই পর্যাপ্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা
জ্বর নিয়ে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগীদের ডেঙ্গু নির্ণয়ের সব পরীক্ষা হাসপাতালে করা যাচ্ছে না। চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়া কয়েকটি পরীক্ষা বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে রোগীদের। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কিছু স্যালাইনও বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।

যশোরের মনিরামপুর: ৯ টাকার চারা রোপণে খরচ ৫০০ টাকা
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।

খাল খনন হয়নি পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফেরত গেল ১৫ লাখ টাকা
মে মাসে মশ্মিমনগর খালের জন্য ৫৯ জন এবং মোবারকপুর খালের জন্য ৩০ জন শ্রমিক নিয়ে খননকাজ শুরু হয়। মশ্মিমনগর খাল থেকে ১১ হাজার ৩৬২ দশমিক ৮৩ ঘনফুট এবং মোবারকপুর খাল থেকে ৫ হাজার ১৪৯ দশমিক শূন্য ২ ঘনফুট মাটি কাটার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

দুই বছরেও শেষ হয়নি সেতুর নির্মাণকাজ, পারাপারের একমাত্র সাঁকোটিও তলিয়ে
মনিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাটি ও কুলটিয়া ইউনিয়নের হরিদাসকাটি ও পদ্মনাথপুর গ্রামকে সংযুক্ত করেছে মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের ওপর নির্মিত সেতুটি। ভবদহের জলাবদ্ধতায় সেতুটি ডুবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় দুই বছর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রায় ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করে। তবে নির্মাণকা

চাবি হস্তান্তরের দেড় বছরেও বরাদ্দ হয়নি আশ্রয়ণের ৩৬ ঘর
যশোরের মনিরামপুর পৌরসভার মহাদেবপুর গ্রামে ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩৬টি ঘর দেড় বছর ধরে খালি পড়ে আছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো উপকারভোগীদের কাছে ঘরগুলো হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা এসব ঘর মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে।

যশোরের মনিরামপুর: পড়ে আছে আশ্রয়ণের ঘর, পাননি ভূমিহীনেরা
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের সরসকাঠি ও বাগডোব এলাকায় ভূমিহীনদের জন্য নয়টি ঘর নির্মিত হয়েছে দেড় বছর আগে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ভূমিহীনদের ঘরের জন্য ইট আনা হয়েছিল ওই দুই এলাকায় নির্ধারিত খাসজমিতে।

মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ রোগী, সেবা ব্যাহত
সোমবার সন্ধ্যায় সরেজমিন জানা গেছে, শুধু বেডের বাইরের রোগী নয়; ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশু হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ সরবরাহ পাচ্ছে না। তাদের সব ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।

সাড়া দেননি জনপ্রতিনিধিরা, কপোতাক্ষ নদে ৫ লাখ টাকায় সেতু বানালেন প্রবাসী যুবক
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।

কাবিখার ১৮ প্রকল্প: সহায়কের হাতে প্রকল্পের চাবি
যশোরের মনিরামপুরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় নেওয়া ১৮টি প্রকল্পের বিল এক মাস আগে স্বাক্ষর হলেও এখন পর্যন্ত টাকা পাননি প্রকল্পের সভাপতিরা। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) দপ্তর বিলে স্বাক্ষর করিয়ে টাকা আটকে রেখে সভাপতিদের ঘুরাচ্ছে।

যশোরের মনিরামপুর: কাজে আসছে না ২ কোটির সেতু
যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় ঝাঁপা-কোমলপুর বাজার সংযোগ সড়কে ঝাঁপা বাঁওড়ের ওপর জরাজীর্ণ সেতু ভেঙে নতুন সেতু নির্মিত করা হয়েছে গত মে মাসে। ১ কোটি ৯২ লাখ ৮ হাজার ২১১ টাকা বরাদ্দে ১৩ দশমিক ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

ভরাটের ১০ দিন পরই কলেজের মাঠে হাঁটুপানি
এবার পানিতে গেল যশোরের মনিরামপুর মুক্তেশ্বরী ডিগ্রি কলেজের মাঠ ভরাটের সাড়ে তিন লাখ টাকা। টিআর ও কলেজ ফান্ডের বরাদ্দের টাকায় নদী খুঁড়ে বালু দিয়ে ভরাটের ১০-১৫ দিনের মাথায় ডুবে গেছে কলেজের মাঠ। এখন কলেজের মাঠে হাঁটুপানি। এ ছাড়া প্রায় এক ফুট পরিমাণ পানিতে ডুবে গেছে ভবনের নিচতলার শ্রেণিকক্ষ।

কার্ডিওগ্রাফার দেখছেন রোগী
যশোরের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঈদের পর রোগীর ভিড় বেড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীর লাইন থাকলেও চিকিৎসকদের কক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে চিকিৎসকেরা অনুপস্থিত থাকায় এনসিডি কর্নারে একজন কার্ডিওগ্রাফারকে রোগী দেখতে দেখা গেছে।

পিয়ন দিয়ে চলে মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়
‘আমি সকালে এসে দপ্তর খুলে বসে থাকি। আর সময় শেষে বন্ধ করি। মাছচাষিরা সেবা নিতে এলে বলি, দপ্তরে পরামর্শ দেওয়ার মতো কেউ নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মৎস্য কর্মকর্তার মোবাইল নম্বর দিয়ে তাঁর সঙ্গে মাছচাষিদের যোগাযোগ করতে বলি।’ ––নূরুল ইসলাম, অফিস সহায়ক, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়

ওষুধ নেই, সংকট লোকবলেরও
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে তিন মাস ধরে বিনা মূল্যের ওষুধ সরবরাহ বন্ধ। এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে নামমাত্র মৌখিক পরামর্শ নিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে রোগীদের। এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সঙ্গী জনবল সংকটও চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার সরকারি
