আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি না হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনাগ্রহকে দায়ী করেছেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক। তবে ভারত এই দাবিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছে, ২০২৫ সালেই দুই নেতার মধ্যে অন্তত আটবার কথা হয়েছে।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘ আলোচনার পরও এই চুক্তি শেষপর্যন্ত কেন ভেস্তে গেল? ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পেছনে চারটি প্রধান কারণ কাজ করেছে।
প্রথমত, চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার অন্যতম বড় কারণ হলো রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের জ্বালানি তেল কেনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি এমন একটি বিলে সায় দিয়েছেন, যার ফলে রুশ তেলের ক্রেতা দেশগুলোর ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শাস্তিমূলক শুল্ক বসাতে পারবে ওয়াশিংটন। ভারত রাশিয়ার তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা হওয়ায় এই নীতি চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ভারতের দুগ্ধ ও কৃষি বাজার মার্কিন পণ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। বিশেষ করে, ভুট্টা, সয়া ও আপেলের ওপর শুল্ক কমাতে চেয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু ভারতের প্রায় ৭০ কোটি মানুষের জীবিকা এই খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় দিল্লি কোনোভাবেই কৃষকদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে চুক্তিতে সই করতে রাজি হয়নি।
তৃতীয়ত, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী লুটনিকের দাবি অনুযায়ী, চুক্তির সব শর্ত চূড়ান্ত ছিল, কিন্তু ট্রাম্প চেয়েছিলেন মোদি নিজে ফোন করে এটি চূড়ান্ত করুন। ভারতীয় কর্মকর্তাদের মতে, মোদি ফোন করেননি, কারণ, তিনি চাননি ট্রাম্প একতরফাভাবে কোনো শর্ত চাপিয়ে দিন। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আজ স্পষ্ট করেছেন, দুজনের ফোনালাপ হয়নি কথাটি সথ্য নয়; বরং শর্তাবলি ‘পারস্পরিক লাভজনক’ না হওয়ায় দিল্লি পিছিয়ে এসেছে।
চতুর্থত, লুটনিক দাবি করেছেন, ট্রাম্পের বাণিজ্যের ধরন হলো ‘সিঁড়ির মতো’। যে দেশ আগে আসবে, সে সেরা সুবিধা পাবে। যুক্তরাজ্য দ্রুত চুক্তি করে ফেলায় তারা সেরা সুবিধা পেয়েছে। ভারত আলোচনা দীর্ঘায়িত করায় ওয়াশিংটন তাদের আগের দেওয়া শর্তগুলো পরিবর্তন করে ফেলে এবং নতুন কঠোর শর্ত আরোপ করে, যা ভারতের জন্য অগ্রহণযোগ্য ছিল।
উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ‘অল-ইন’ নামে একটি পডকাস্টে দাবি করেন, দুই দেশের মধ্য বাণিজ্য চুক্তির সবকিছু প্রস্তুত ছিল। বাকি ছিল শুধু মোদির একটি ফোনকল। কিন্তু মোদি ফোন করেননি। ভারত হয়তো এই চুক্তি করতে অস্বস্তিতে ছিল। এতেই ভেস্তে যায় চুক্তি।
এর জবাবে আজ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল তাঁর সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আমরা এই মন্তব্যগুলো দেখেছি। ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দুই দেশ একটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। দুই পক্ষই এই লাভজনক চুক্তিতে পৌঁছাতে একাধিকবার আলোচনা করেছে। অনেক ক্ষেত্রে আমরা চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। এই চুক্তির বিষয়ে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা সঠিক নয়।’
রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৫ সালে বিভিন্ন বিষয়ে মোট আটবার কথা বলেছেন। আমাদের অংশীদারত্বের প্রতিটি দিক নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।’

ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি না হওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনাগ্রহকে দায়ী করেছেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক। তবে ভারত এই দাবিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছে, ২০২৫ সালেই দুই নেতার মধ্যে অন্তত আটবার কথা হয়েছে।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘ আলোচনার পরও এই চুক্তি শেষপর্যন্ত কেন ভেস্তে গেল? ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পেছনে চারটি প্রধান কারণ কাজ করেছে।
প্রথমত, চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার অন্যতম বড় কারণ হলো রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের জ্বালানি তেল কেনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি এমন একটি বিলে সায় দিয়েছেন, যার ফলে রুশ তেলের ক্রেতা দেশগুলোর ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শাস্তিমূলক শুল্ক বসাতে পারবে ওয়াশিংটন। ভারত রাশিয়ার তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা হওয়ায় এই নীতি চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ভারতের দুগ্ধ ও কৃষি বাজার মার্কিন পণ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। বিশেষ করে, ভুট্টা, সয়া ও আপেলের ওপর শুল্ক কমাতে চেয়েছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু ভারতের প্রায় ৭০ কোটি মানুষের জীবিকা এই খাতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় দিল্লি কোনোভাবেই কৃষকদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে চুক্তিতে সই করতে রাজি হয়নি।
তৃতীয়ত, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী লুটনিকের দাবি অনুযায়ী, চুক্তির সব শর্ত চূড়ান্ত ছিল, কিন্তু ট্রাম্প চেয়েছিলেন মোদি নিজে ফোন করে এটি চূড়ান্ত করুন। ভারতীয় কর্মকর্তাদের মতে, মোদি ফোন করেননি, কারণ, তিনি চাননি ট্রাম্প একতরফাভাবে কোনো শর্ত চাপিয়ে দিন। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আজ স্পষ্ট করেছেন, দুজনের ফোনালাপ হয়নি কথাটি সথ্য নয়; বরং শর্তাবলি ‘পারস্পরিক লাভজনক’ না হওয়ায় দিল্লি পিছিয়ে এসেছে।
চতুর্থত, লুটনিক দাবি করেছেন, ট্রাম্পের বাণিজ্যের ধরন হলো ‘সিঁড়ির মতো’। যে দেশ আগে আসবে, সে সেরা সুবিধা পাবে। যুক্তরাজ্য দ্রুত চুক্তি করে ফেলায় তারা সেরা সুবিধা পেয়েছে। ভারত আলোচনা দীর্ঘায়িত করায় ওয়াশিংটন তাদের আগের দেওয়া শর্তগুলো পরিবর্তন করে ফেলে এবং নতুন কঠোর শর্ত আরোপ করে, যা ভারতের জন্য অগ্রহণযোগ্য ছিল।
উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ‘অল-ইন’ নামে একটি পডকাস্টে দাবি করেন, দুই দেশের মধ্য বাণিজ্য চুক্তির সবকিছু প্রস্তুত ছিল। বাকি ছিল শুধু মোদির একটি ফোনকল। কিন্তু মোদি ফোন করেননি। ভারত হয়তো এই চুক্তি করতে অস্বস্তিতে ছিল। এতেই ভেস্তে যায় চুক্তি।
এর জবাবে আজ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল তাঁর সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আমরা এই মন্তব্যগুলো দেখেছি। ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দুই দেশ একটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। দুই পক্ষই এই লাভজনক চুক্তিতে পৌঁছাতে একাধিকবার আলোচনা করেছে। অনেক ক্ষেত্রে আমরা চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। এই চুক্তির বিষয়ে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা সঠিক নয়।’
রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৫ সালে বিভিন্ন বিষয়ে মোট আটবার কথা বলেছেন। আমাদের অংশীদারত্বের প্রতিটি দিক নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।’

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সম্পদের দখলকে কেন্দ্র করে, মসলা থেকে সোনা, রাবার থেকে তেল, বিশ্ব বিভক্ত ছিল বিভিন্ন প্রভাববলয়ে। সেই প্রতিযোগিতাই জন্ম দিয়েছিল উপনিবেশবাদ এবং অনেক দেশের সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল তখনই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে কেবল আন্তর্জাতিক আইন ও বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা কোনোভাবে...
১৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান নতুন দফার বিক্ষোভ দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতি এবং মুদ্রার মান দ্রুত কমে যাওয়া দেশটির সাধারণ মানুষের জীবনকে অসহনীয় করে তুলেছে।
১ দিন আগে
পাকিস্তানের জর্জরিত অর্থনীতির মানচিত্র বদলে দেওয়ার মতো এক চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি দাবি করেছেন, লিবিয়া, আজারবাইজান, বাংলাদেশ এবং নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলো থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ও সুপার মুশাক প্রশিক্ষণ বিমানের যে বিপুল অর্ডার আসছে, তা পাকিস্তানকে...
২ দিন আগে
কারাকাসে এই সপ্তাহজুড়ে যাওয়া নাটকীয় ঘটনাবলির পর থেকেই বহু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে একটি প্রশ্ন যেন বারবার ফিরে আসছে। সেটি হলো—এখন যিনি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ভাষায় ভেনেজুয়েলার ‘অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষের’ নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সেই চশমাধারী নারীকে ঘিরে প্রশ্ন—দেলসি রদ্রিগুয়েজই কেন...
২ দিন আগে