Ajker Patrika

‘ওপেক’-এর পর আমিরাত কি অন্যান্য জোটও ত্যাগ করবে

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৩৪
‘ওপেক’-এর পর আমিরাত কি অন্যান্য জোটও ত্যাগ করবে
ছবি: সংগৃহীত

বহুপক্ষীয় সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক ও ভূমিকা পুনর্মূল্যায়ন করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ‘ওপেক’ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আমিরাতের আপাতত আর কোনো সংগঠন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির এক কর্মকর্তা।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনে সদস্যপদের কার্যকারিতা ও গুরুত্ব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে জল্পনা ছিল, আমিরাত হয়তো ‘আরব লিগ’ বা ‘গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল’ (জিসিসি) থেকেও বেরিয়ে যেতে পারে। তবে বর্তমান অবস্থায় এমন কোনো সিদ্ধান্ত বিবেচনায় নেই বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ১ মে থেকে কার্যকর হতে যাওয়া আমিরাতের ‘ওপেক’ ত্যাগের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে প্রতিবেশী সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের বিদ্যমান টানাপোড়েনকে আরও বাড়িয়েছে। ওপেকে কার্যত নেতৃত্ব দেয় সৌদি আরব। একসময় ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দুই দেশের মধ্যে তেলনীতি, আঞ্চলিক রাজনীতি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হয়েছে।

আমিরাতের ওপেক থেকে বের হয়ে যাওয়া ও অন্যান্য বহুপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে মূলত সাম্প্রতিক ইরান-সংক্রান্ত সংঘাতের পর। আমিরাত কর্তৃপক্ষ মনে করে, ওই পরিস্থিতিতে জিসিসির প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল ছিল। আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আনোয়ার গারগাশ এক সম্মেলনে বলেছেন, রসদ সহায়তা থাকলেও রাজনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে জিসিসির অবস্থান ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বলগুলোর একটি। তিনি মত দেন, আরব লিগের কাছ থেকে এমন প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশিত হলেও জিসিসির ক্ষেত্রে তা হতাশাজনক।

গারগাশ এর আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আমিরাত তার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কগুলো নতুন করে যাচাই করবে, যেন বোঝা যায়, কার ওপর নির্ভর করা যায়। একই সঙ্গে দেশটি নিজের অর্থনৈতিক ও আর্থিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার দিকেও মনোযোগ দিচ্ছে। তিনি বলেন, কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনই আমিরাতের দীর্ঘমেয়াদি পথ।

মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তারকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে আমিরাত দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে আসছে। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডস চুক্তির মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন করেছে। সাম্প্রতিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্কগুলো আরও জোরদার করা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘বছিলা গরুর হাটের ইজারা নিয়ে পিচ্চি হেলালের সঙ্গে বিরোধ ছিল টিটনের’

অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনে অভিযুক্ত ২৩১১ সার ডিলার: কৃষিমন্ত্রী

রীতি মেনে পেছনের আসনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দর: তৃতীয় টার্মিনাল চালুর সময় আরও পেছাল

একতরফা বিজয় ঘোষণার পরিকল্পনা ট্রাম্পের, সম্ভাব্য ইরানি প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত