এখন তো সরকার শুধু চেঞ্জ হয়, একটা সরকার যায় আর একটা সরকার আসে। কিন্তু আমরা যদি ওইভাবে চিন্তা করি, মানুষের মধ্যে কীভাবে পরিবর্তন হচ্ছে, তাদের জীবনের মধ্যে কীভাবে পার্থক্য আসছে, সেটা বুঝতে হবে। তারপর নারী-পুরুষের প্রশ্নগুলো থেকে যাচ্ছে। কারণ, নারী-পুরুষদের নিয়ে অনেক কথা হয়। এখন নারীরা নাকি স্বাধীনতার মধ্যে আছে, কিন্তু আসলে আমরা কি স্বাধীনতা দেখছি, বাইরে যাওয়ার সময় আমরা তাদের একা যেতে দিতে পারছি কি?
আর সমাজ তো অগ্রসর নিশ্চয়ই হবে; কিন্তু কোন দিকে হচ্ছে এটা বুঝতে হবে। কারণ, অনেক ওপর থেকে চাপ আসে।...অনেক দূরে কোথায় যাবে, চাপে রাখা হচ্ছে তো। নারীরা তো রেডি আছে যেতে; কিন্তু তাদের ওপরে অনেক চাপ পড়ে যে তোমরা এটা করবে না, এটা নারীদের কাজ না, সব সময় পুরুষেরা সামনে থাকছে। দুইজন বা তার বেশি নারীরা থাকলেও কথা বলে না, কথা বলে পুরুষেরা।...তো এত বেশি চাপ আসছে নারীদের ওপরে যে, তারা মুখ খুলতে পারছে না। এটা নারীদের আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জন করতে হবে। আমি এমন কাজ খুব কম করেছি; কিন্তু অনেক কিছু দেখেছি বিশেষ করে বাইরের আন্দোলনের মাধ্যমে নারীরা কেমন করে বেরিয়ে আসছে বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে।
আমার মনে পড়ছে স্বাধীনতার পরে মহিলা সমিতির একটা অফিস ছিল না। বেইলি রোডে মেয়েদের ট্রেনিংয়ের কোর্স হতো। তারা টাইপিং শিখত আর বিভিন্ন ধরনের কাজ শিখত। ওখান থেকে বেরিয়ে কিন্তু তারা ভালো অফিসের চাকরিবাকরি পেয়েছে। তারপর কথা বলতে পেরেছে। কিন্তু কথা বলার সময় একটু ভয়ে ভয়ে থাকে যে, পুরুষেরা চাপিয়ে দেবে, তারপরও আমাদের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে, গ্রহণ করতে হবে।
তথ্যসূত্র: আনিসুল হক কর্তৃক হামিদা হোসেনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, প্রথম আলোয় ২০২৬ সালের ৪ মে প্রকাশিত।

গাজীর গান হলো গাজী পীরের বন্দনা ও মাহাত্ম্য গীতি। এই গানের সঙ্গে মিলিয়ে ছন্দে-তালে শিল্পীরা পরিবেশন করে নাচ। একে তাই গাজীর নাচও বলা যায়। গাজী পীর, অসাম্প্রদায়িক। গাজীর গানে মূল গায়েন বা ‘গাজীর খলিফা’ গায়ে আলখাল্লা ও মাথায় পাগড়ি পরে হাতে একটি ‘আসা দণ্ড’ (লাঠি) নিয়ে তাল ও ছন্দের তালে পা ফেলে...
১ দিন আগে
আমি বরাবরই নিজেকে বোঝাতে সমর্থ হয়েছি, আমার আসল পেশা হচ্ছে সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতায় আমার যা পছন্দ হয়নি তা হচ্ছে চাকরির শর্তাবলি। তা ছাড়া, পত্রিকার স্বার্থের কথা বিবেচনা করে আমার চিন্তা ও পরিকল্পনাকে সাজাতে হতো। একবার ঔপন্যাসিক হিসেবে কাজ করার পর এবং ঔপন্যাসিক হিসেবে আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের...
৭ দিন আগে
বিগত ১০ বছরের অবস্থা যদি দেখেন, ২০১২ সালের পর সমুদ্রে তেমন কোনো অ্যাকটিভিটি হয়নি। আমাদের এত বড় এবং খুবই উপযোগী সমুদ্র আছে। এটি খুবই সম্ভাবনাময় স্থান। এর একদিক মিয়ানমারেও গ্যাস পাওয়া গেছে এবং অপরদিক ভারতেও গ্যাস পাওয়া গেছে। মাঝখানে আমাদের অংশটা এত দিন বসিয়ে রাখা হলো।
১৪ দিন আগে
অবকাঠামো খাতে যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি হয়েছে, সেখানে তো শ্রমিকের বিষয় হ্যান্ডেল করতে হয়নি। কোনো ধরনের ঝামেলাও সেখানে পোহাতে হয়নি। আর শতভাগ অর্থই রিটার্ন পাওয়া গেছে। কিন্তু যেসব কারখানায় পিপিপি হয়েছে, সেগুলোর কোনোটাই ভালোভাবে চলার নজির নেই।
২১ দিন আগে