বিগত ১০ বছরের অবস্থা যদি দেখেন, ২০১২ সালের পর সমুদ্রে তেমন কোনো অ্যাকটিভিটি হয়নি। আমাদের এত বড় এবং খুবই উপযোগী সমুদ্র আছে। এটি খুবই সম্ভাবনাময় স্থান। এর একদিক মিয়ানমারেও গ্যাস পাওয়া গেছে এবং অপরদিক ভারতেও গ্যাস পাওয়া গেছে। মাঝখানে আমাদের অংশটা এত দিন বসিয়ে রাখা হলো। আমার কাছে সব সময় এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বলে মনে হয়েছে। গ্যাসের ক্ষেত্রে আমাদের দুর্বলতার একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে, এত বড় একটা সমুদ্র থাকার পরও অকর্ম হয়ে বসে থাকা।
এখন এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কখনোই না করার চেয়ে দেরি করে হলেও যে শুরু হয়েছে, সেটা নিয়েই এখন সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এখন যেহেতু শুরু হয়েছে, বেশ জোরেশোরেই কাজ এগিয়ে নেওয়া উচিত। আমরা যদি এই তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের কাজটা আর পাঁচ বছর আগেও শুরু করতাম, তাহলে এখন গ্যাসের সরবরাহ পেতাম। এখন শুরু হলো, শিগগির তো আর গ্যাস পাব না। সাগরের গ্যাস পেতে বেশ সময় লাগবে।
... [অপরদিকে] বাংলাদেশের গ্যাস রপ্তানির জন্য নয়—এই কথাটা লাল কালিতে সব নথিতে বড় করে লেখা থাকতে হবে। যাতে কোনো অবস্থাতেই এই গ্যাস রপ্তানির সুযোগ না থাকে।
দরপত্র যেটা আহ্বান করা হয়েছে, সেখানে অবশ্য বলা আছে যে এই গ্যাস যদি দেশে ব্যবহার করা না হয় বা বাংলাদেশ যদি এই গ্যাস না কেনে, তাহলে সেটা রপ্তানি করা যাবে। এই কথাটা না লেখাটাই ভালো ছিল। কিন্তু তেল-গ্যাস উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে আবার একটা চাপ থাকে। কারণ, তারা যখন কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে যাবে, তখন ব্যাংক চাইবে তাদের কর্মপরিকল্পনায় রপ্তানির সুযোগ থাক।
কিন্তু গ্যাস রপ্তানির বিষয়ে আমাদের বাস্তবতা ভিন্ন। কারণ, আমাদের তো আর কিছু নেই। বাংলাদেশের যতটুকু প্রয়োজন এবং যত দিন প্রয়োজন, এটা ব্যবহার করতে হবে। জ্বালানির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে এবং জোগান কমছে। কাজেই জোগান বাড়িয়ে চাহিদার সমান কখনোই করতে পারবে না।
তথ্যসূত্র: গোলাম মোর্তোজা কর্তৃক অধ্যাপক ড. বদরূল ইমামের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ ‘দ্য ডেইলি স্টার’ অনলাইনে প্রকাশিত

ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্প একটি অত্যন্ত অপরিণত এবং অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত। পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে আলোচনা করার আগে আমাদের আরও মৌলিক একটি বিষয় মোকাবিলা করা প্রয়োজন। ফারাক্কা ব্যারাজের কারণে বাংলাদেশ শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পায় না। চুক্তি সইয়ের পরও আমরা ধারাবাহিকভাবে...
১ দিন আগে
বলিউডের অনেক সিনেমায় দেখা যায় গরবা নাচের দৃশ্য। এই গরবা হচ্ছে ভারতের গুজরাট রাজ্যের একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লোকনৃত্য। এটি সাধারণত ৯ দিনের হিন্দু উৎসব ‘নবরাত্রি’তে দেবী দুর্গার সম্মানে পরিবেশন করা হয়। সংস্কৃত শব্দ ‘গর্ভ’ থেকে এসেছে ‘গরবা’ নামটি। এটি গর্ভধারণ বা গর্ভাবস্থাকে বোঝায়, যা হলো...
২ দিন আগে
এখন তো সরকার শুধু চেঞ্জ হয়, একটা সরকার যায় আর একটা সরকার আসে। কিন্তু আমরা যদি ওইভাবে চিন্তা করি, মানুষের মধ্যে কীভাবে পরিবর্তন হচ্ছে, তাদের জীবনের মধ্যে কীভাবে পার্থক্য আসছে, সেটা বুঝতে হবে। তারপর নারী-পুরুষের প্রশ্নগুলো থেকে যাচ্ছে। কারণ, নারী-পুরুষদের নিয়ে অনেক কথা হয়।
১৫ দিন আগে
গাজীর গান হলো গাজী পীরের বন্দনা ও মাহাত্ম্য গীতি। এই গানের সঙ্গে মিলিয়ে ছন্দে-তালে শিল্পীরা পরিবেশন করে নাচ। একে তাই গাজীর নাচও বলা যায়। গাজী পীর, অসাম্প্রদায়িক। গাজীর গানে মূল গায়েন বা ‘গাজীর খলিফা’ গায়ে আলখাল্লা ও মাথায় পাগড়ি পরে হাতে একটি ‘আসা দণ্ড’ (লাঠি) নিয়ে তাল ও ছন্দের তালে পা ফেলে...
১৬ দিন আগে