
ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও পারমাণবিক অবকাঠামোর ওপর ইসরায়েল হামলা চালাতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ইসরায়েলকে লক্ষ্যে করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিশোধ নিতেই তেল আবিবের এই সম্ভাব্য প্রতিশোধের কথা জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি।
গতকাল শনিবার মার্কিন বিশেষ কয়েকজন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন গণমাধ্যমটি।
এই খবরের ভিত্তিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সমর্থিত যোদ্ধাগোষ্ঠী হামাস ও লেবাননের বিরুদ্ধে গত এক বছর যাবৎ সংঘর্ষে লিপ্ত রয়েছে ইসরায়েল। গত মাসে লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হওয়ার পর এই উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। তখন ইসরায়েলের হামলায় ইরানের রেজ্যুলেশনের গার্ড কর্পসের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছিলেন। যার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলে দুই শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় তেহরান। এরপর থেকেই পাল্টা প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেল আবিব।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো সময় বড় ধরনের কোনো সংঘাত বেঁধে যেতে পারে।
গত ১ অক্টোবর ইসরায়েলকে লক্ষ্যে করে ইরানের হামলার পর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে ইসরায়েল। যেকোনো সময় তেহরানের সামরিক ঘাঁটি এবং পরমাণুকেন্দ্রে হামলা চালাতে পারে নেতানিয়াহুর বাহিনী। হামাস ও হিজবুল্লাহ নেতাদের হত্যা করার মাধ্যমেই ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যকে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।
যদিও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত নেই বলে জানিয়েছে এনবিসি নিউজ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে গণমাধ্যমটি বলেছে, ইসরায়েল কীভাবে এবং কখন তেহরানকে লক্ষ্যবস্তু করবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ইহুদিদের ধর্মীয় ছুটি ইয়োম কিপ্পুর সময় তেহরানের হামলার একটি প্রতিক্রিয়া আসতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা।
এক বছর আগে গাজা যুদ্ধের শুরুতে হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট হামলা করলে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তীব্রভাবে বেড়েছে। হিজবুল্লাহ রোববার বলেছে, দক্ষিণ লেবাননের রামিয়া গ্রামে অনুপ্রবেশে বাধা দিতে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে তাদের যোদ্ধারা।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বলেছে, তারা হিজবুল্লাহর ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংস করতে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার ইসরায়েলের বিমানবাহিনী লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর ঘাঁটিসহ ২০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এ সময় হিজবুল্লাহ কর্তৃক ছোড়া বেশ কয়েকটি রকেট লঞ্চার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় সৌদি আরব তাদের তেলের খনিগুলো থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর পর্যন্ত তেল পরিবহনে এই পাইপলাইনটি ব্যবহার করছিল। সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, বুধবারের এই হামলায় পাইপলাইনের প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।
১০ মিনিট আগে
সংঘাতের অবসান নিয়ে দুপক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, সামরিকভাবে ইরান পরাজিত হয়েছে এবং তাদের প্রতিরক্ষাশিল্প, নৌবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে চুক্তি করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, হরমুজ বর্তমানে উন্মুক্ত। অন্যদিকে, ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি এখনো পুরোপুরি খোলেনি এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার বা আগামী শুক্রবার নাগাদ ‘সীমিত ও নিয়ন্ত্রিত’ আকারে খুলে দেওয়া হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁরা এই যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘ করা এবং সংকট সমাধানে চূড়ান্ত চুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে