
পৃথিবীর কক্ষপথে ১০ লাখ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের অনুমতির জন্য আবেদন করেছে ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। আবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কম্পিউটিং শক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর জন্য ‘অরবিটাল ডেটা সেন্টার’ সবচেয়ে কম খরচে ও শক্তি–সাশ্রয়ী উপায়।

স্পেসএক্স বর্তমানে ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে একীভূত হওয়ার সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। এর ফলে মহাকাশ গবেষণা, স্বয়ংচালিত (অটোনমাস কার) গাড়ি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—এই তিন খাতের নানা সমন্বয় নিয়ে বিনিয়োগকারীরা হিসাব-নিকাশ করছেন, কোন সমন্বয়টি সবচেয়ে যুক্তিসংগত হবে তা বোঝার জন

এত অর্থ-সম্পদ দিয়ে ইলন মাস্ক কী করেন, এ নিয়ে অনেক জল্পনা চলে বছরজুড়েই। তিনি নতুন করে আরও একটি ঘোষণা দেন এবং আবারও উঠে আসে এই আলোচনা। তবুও মাস্কের দাবি, তাঁর জীবনযাপন বেশ সাধারণ এবং অনাড়ম্বর। ২০২১ সালে একবার মাস্ক জানান, টেক্সাসে যে ছোট্ট বাড়িটিতে তিনি থাকেন, সেটির মূল্য মাত্র ৫০ হাজার ডলার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে শুরু হওয়া ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে ইলন মাস্কের মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স। প্রকল্পটির আওতায় স্পেসএক্স দুই বিলিয়ন ডলার সরকারি অর্থায়ন পেতে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।