টেস্টে বাংলাদেশ ১৩ ম্যাচ খেলে একবারও হারাতে পারেনি ভারতকে। সৌরভ গাঙ্গুলী গতকাল এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন, এবারও বাংলাদেশ কিছুই করতে পারবে না। তবে শুবমান গিল কথা বলেছেন ভিন্ন সুরে।
যে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের কোনো জয়ই ছিল না, সেই বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে ক্রিকেট বিশ্বকে রীতিমতো চমকে দিয়েছে। পাকিস্তানকে ধবলধোলাইয়ের পর খোদ পাকিস্তানের ক্রিকেটারসহ ভারত-ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার, ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন বাংলাদেশ দলকে। পাকিস্তান দুর্গ জয় করে নাজমুল হোসেন শান্তরা এবার যাবেন ভারত সফরে। ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। সেই টেস্ট সিরিজ শুরুর আগেই ঘুরেফিরে আলোচনায় আসছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের কথা। জিও সিনেমায় গতকাল বাংলাদেশকে নিয়ে গিল বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনো দলকে হালকাভাবে নিতে চাই না। বাংলাদেশ গত দুই মাসে যে ক্রিকেট খেলেছে, বিশেষ করে পাকিস্তানে সত্যিই অসাধারণ।’
লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুশফিকুর রহিম, হাসান মাহমুদ—বাংলাদেশের এই চার ক্রিকেটার রাওয়ালপিন্ডির অনার্স বোর্ডে নাম লিখিয়েছেন। যেখানে ধ্বংসস্তূপ থেকে দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশকে বাঁচিয়েছেন লিটন ও মিরাজ। সেই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ১০ উইকেট তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। যা টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের প্রথমবারের মতো ১০ উইকেট। বাংলাদেশকে টেস্টে সামলানোর টোটকা দিলেন গিল, ‘তাদের পেসার ও মিডল অর্ডার ব্যাটাররা চাপ যেভাবে সামলেছেন, সেটা খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। আমার মতে দারুণ লড়াই হবে।’
২৫ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে গিল চার সেঞ্চুরি করেছেন। যার দুটিই এসেছে সবশেষ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে এ বছরের শুরুতে। দুর্দান্ত ছন্দ গিল ধরে রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভারতীয় এই ব্যাটার। পাশাপাশি তাঁর ক্যারিয়ারের দুর্বল দিকের কথাও উল্লেখ করেছেন, ‘ক্যারিয়ারের শুরুতে আমি যখন তিন নম্বরে ব্যাটিং করেছি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভালো খেলতে পারিনি। শুরুটা ভালো করছিলাম। ২০ ও ৩০-এর ঘরে রান করতাম। তবে সেগুলো বড় স্কোরে রূপ দিতে পারতাম না। যখন ফিরেছি, জানতাম যে পারফরম্যান্স ভালো করতে হবে। সামনে এগিয়ে যেতে চাই। ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে পরিণত করতে চাই।’

মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয়ের পর অবশ্য লেতেক্সিয়ের নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। মিসরের কোচ ও খেলোয়াড়দের অভিযোগ, তাঁর কিছু সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। যদিও ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
১২ মিনিট আগে
রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও কঠোর ভাষায় মিসরের কোচ বলেন, ‘আমরাই ভালো খেলেছি, কিন্তু ফুটবল অন্যায় করেছে। হয়তো তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং মেসিকে বিপণনের স্বার্থে বিশ্বকাপে রাখতে চায়। রেফারি মিসর জাতীয় দলের প্রতি অবিচার করেছেন, এখানে কোনো ন্যায়বিচার নেই। তবে ফুটবলের বাইরেও অন্য কিছু বিষয়
৩১ মিনিট আগে
এই নাটকীয় পরাজয়ের পরই রেফারিং নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিকো। তাঁর অভিযোগ, ম্যাচের রেফারিং মিসরের বিপক্ষে গেছে এবং তাতে একটি পুরো দেশের পরিশ্রম নষ্ট হয়েছে। যদিও কোন সিদ্ধান্তের কথা তিনি বলেছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু উল্লেখ করেননি।
১ ঘণ্টা আগে
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের পেছনে ড্রেসিংরুমের কথাও তুলে ধরেছেন লাউতারো। তিনি বলেন, “এই দল কখনো হাল ছাড়ে না, শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যায়। বিরতির সময় কোচ আমাদের বলেছিলেন, 'যা আছে, তা নিয়েই শেষ পর্যন্ত লড়বে।' আমরা সুযোগ তৈরি করছিলাম, কিন্তু গোল করতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত এত চেষ্টার পর যখন গোল
১ ঘণ্টা আগে