মাঝে মাঝে এমন অদ্ভুত কারণে আপনার এলাকার বিদ্যুৎ চলে যাবে, যা কল্পনা করাটাও কঠিন। যেমনটা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী শহর লখ্নৌর একটি এলাকার বাসিন্দাদের বেলায়। সেখানে বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিশাল একটি অজগর।
লখ্নৌর একটি পাওয়ার হাউস বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ঢুকে পড়েছিল বিশাল এক অজগর। গতকাল শনিবার পাওয়ার হাউসের বেড়ার গায়ে কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকতে দেখা যায় অজগরটিকে। এতে ওই এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এসব তথ্য জানা যায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে।
ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান ক্লাইড রোডে। কীভাবে অজগরটি এর সীমানায় ঢুকে পড়ল তা পরিষ্কার নয়। শেষ পর্যন্ত এটিকে উদ্ধারের জন্য সাময়িকভাবে ওই এলাকার বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়। উদ্ধার অভিযানে বিদ্যুৎ ও বন বিভাগের কর্মীরা অংশ নেন।
গত বছর লখ্নৌর শক্তি ভবন নামের একটি দালান থেকে একটি সাপ উদ্ধার করা হয়। শহরের অনেক সরকারি কর্মকর্তার বসবাস ওই ভবনে।

নোবেল পুরস্কারের কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। মানবজাতির জন্য অসাধারণ কাজ করা বিজ্ঞানীদের দেওয়া হয় এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। তবে এর কিছুটা অদ্ভুত স্বভাবের এক ‘ভাই’ আছে, যার নাম ‘ইগ নোবেল’ পুরস্কার। এই পুরস্কার দেওয়া হয় এমন গবেষণাকে, যা ‘প্রথমে মানুষকে হাসায়, তারপর ভাবতে বাধ্য করে।’
৪ দিন আগেগোসলের সময় প্রস্রাব করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ শুধু এই নয় যে, এতে এক ধরনের মুক্তি বা বিদ্রোহী রোমাঞ্চ অনুভূত হতে পারে। বরং গোসলের সময় প্রস্রাব করলে সামান্য হলেও পৃথিবীর পানিসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব। বিষয়টি একটু হিসাব করে দেখা যাক।
৪ দিন আগে
মাটির স্বাস্থ্য কতটা ভালো, তা বোঝার জন্য অদ্ভুত এক পদ্ধতি বেছে নিয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা। দেশটির বিভিন্ন বাগান, তৃণভূমি, কৃষিজমি ও লনে দুই হাজারের বেশি জোড়া তুলার অন্তর্বাস পুঁতে রাখা হয়েছিল। দুই মাস পর সেগুলো তুলে পরীক্ষা করে মাটির জীববৈচিত্র্য ও জৈবিক কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়।
১২ দিন আগে
বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় সরকারি ছুটির সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। নতুন এক বিশ্লেষণে এমন তথ্য জানিয়েছে জরিপ–গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার। এই তালিকায় বাংলাদেশের আগে রয়েছে শুধু মিয়ানমার। তৃতীয় অবস্থানে আছে দক্ষিণ এশিয়ারই আরেক দেশ শ্রীলঙ্কা।
১৩ দিন আগে